নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৭ জুন ২০১৭, ৩ আষাঢ় ১৪২৪, ২১ রমজান ১৪৩৮
জনতার মত
সরকারের গম ক্রয়ে লাভবান হচ্ছে না কৃষক
এস আই শাহীন
বাজারে গমের মূল্য সাড়ে ৭ থেকে ৮ শত টাকা মণ হলেও সরকার কৃষকদের লাভবান করতে ১১ শত টাকায় গম সংগ্রহ অভিযান শুরু করেছে। আমাদের মতো একটি কৃষি প্রধান দেশে সরকারের এমন মানসিকতাকে শুধু ধন্যবাদ জানিয়ে এর দায় শেষ করা যাবে না। কৃষককে কৃষিতে উৎসাহিত করতে সরকারের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আমাদের দেশের অর্থনীতির চাকাকে বেগবান করতে খুব বেশি সময় লাগবে না। তবে একটি বিষয় যদি সরকার সত্যিই কৃষকদের লাভবান করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে তাহলে সঠিক সময় গম সংগ্রহ অভিযানের বিকল্প নেই। অন্যথায় সরকারের এ প্রচেষ্টা সাফল্যের মুখ দেখবে না। এ ছাড়াও এ মৌসুমে পঞ্চগড়ে ২৬ হাজার ৪ শত ৩০ হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়েছে। এ থেকে গম উৎপাদন হয়েছে ৯২ হাজার ৮ শত ৬১ মে.টন। জেলায় সরকারিভাবে গম ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ৭ হাজার ৭৯ মে. টন। জেলার আবাদ ও উৎপাদন হিসেবে সরকারের গম ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা একেবারেই অপ্রতুল। এ বছর সরকার ২০ এপ্রিল থেকে গম ক্রয়ের জন্য দেশের প্রতিটি জেলায় নির্দেশনা প্রদান করে। সে সময়ও কিছু কৃষকের ঘরে গম ছিলো। সরকারের বেধে দেয়া সময়ে গম ক্রয় করা হলে কৃষকরা সরকারের খাদ্য গুদামে গম সরবরাহ করে কিছুটা হলেও লাভবান হতেন। দেশের অন্য জেলাগুলোর চিত্র আমার জানা নেই। তবে দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে গম ক্রয় অভিযান শুরু হয় সরকারের বেধে দেয়া সময়ের প্রায় ৫০ দিন পর থেকে। এর মূলে রয়েছে সিন্ডিকেট। প্রতি বছর গম সংগ্রহ কমিটির সভাপতি, বিশিষ্টজনসহ সাংবাদিকদের ডেকে এই সংগ্রহ অভিযান শুরু করেন জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়। তবে এ বছর কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই গম সংগ্রহ শুরু করেছে খাদ্য বিভাগ। অনেকের ধারণা গম ক্রয়ে বিলম্ব হওয়ায় অধিকাংশ অল্প পুঁজির কৃষক তাদের গম বিক্রি করে দেন। এই সুযোগটি গ্রহণ করেন কিছু ব্যবসায়ী। তারা কৃষকের উৎপাদিত গম ক্রয় করে নিজের গুদামে সংরক্ষণ করেন। এরপর সরকারিভাবে গম ক্রয়ের ঘোষণা পেলে তারা কৃষক কার্ড সংগ্রহ করে খাদ্য গুদামে সরবরাহ করেন। এতে কৃষকরা লাভবান হয় না। যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে এই গম উৎপাদন করেন, যাদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর এই আয়োজন তারা বঞ্চিতই থেকে যাচ্ছেন। আর পুঁজিপতি ব্যবসায়ীরা এর সুবিধা গ্রহণ করছেন। পঞ্চগড় জেলার ৫টি উপজেলায় একই রকম চিত্র দেখা যাচ্ছে। যে কৃষকরা গম দিতে আসছেন তারা পড়ছেন অদৃশ্য তোপের মুখে। খাদ্য কর্মকর্তা কর্তৃক বিভিন্নভাবে হয়রানি হয়ে খাদ্যগুদামে গম সরবরাহ করতে মির্জাপুর ইউনিয়নের একজন কৃষক ইউএনও এর কাছে আবেদন করেছেন। আটোয়ারী উপজেলায় গমের সস্নিপ বিক্রির কথা প্রকাশ্যে আলোচনা করা হচ্ছে। প্রতি টন গম সরবরাহ করতে একজন ব্যবসায়ীকে ৪ হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে। এই টাকা ক্রয় কমিটি থেকে শুরু করে সাংবাদিক সংশ্লিষ্ট অফিসের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন ক্ষমতাধরদের পকেটস্থ হচ্ছে। আমরা যদি নিজের ভালো-মন্দ না বুঝি, জেগেও ঘুমানোর ভান করি তাহলে কার সাধ্য আছে আমাদের জাগানোর। আমরা এই গম সিন্ডিকেটে জরিতদের শাস্তি চাই না। আমরা চাই আগামী বছর থেকে সরকার যেন সঠিক সময়ে গম ক্রয় অভিযান শুরু করে।

এসআই শাহীন : সাংবাদিক

গ্রামে বিদ্যুতের লোডশেডিং নয় চলছে শেয়ারিং

মো. আজিনুর রহমান লিমন

দাবদাহ গরমে মানুষ যখন নাকাল হচ্ছে, বাংলাদেশের পল্লী বিদ্যুৎ তখন জনগণের সাথে তামাশা করছে। লোডশেডিং করে মানুষকে অস্থির বানাচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে ৩ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ সরবরাহ করে না। ইন্টারনেটের যুগে মোবাইল যখন মানুষের প্রধান মাধ্যম তখন সেই মোবাইলটিতেও ফুল চার্জ দেয়ার মতো বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতের লোডশেডিং নয় শেয়ারিং চলছে। বিদ্যুতের এই শেয়ারিংয়ে জনগণ অতিষ্ঠ। কোনভাবেই পিছু ছাড়ছে না বিদ্যুৎ বিভ্রাট। বিদ্যুতের এই বেহাল অবস্থা থেকে পরিত্রাণ কবে হবে? হাজার হাজার মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন কোথায় যায়? ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিয়ে গড়ে ৩ ঘণ্টা বিদ্যুতের সরবরাহই যদি সরকারের মূল পরিকল্পনা হয়ে থাকে, তাহলে তা হবে জনগণের সাথে ঠাট্টা করা। সরকারের কাছে আকুল আবেদন গ্রামাঞ্চলের বিদ্যুতের দিকে সুনজর দিয়ে জনগণকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দিন।

মো. আজিনুর রহমান লিমন : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২৫
ফজর৪:৪৪
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪৭
মাগরিব৫:২৮
এশা৬:৪১
সূর্যোদয় - ৬:০০সূর্যাস্ত - ০৫:২৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৫১৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.