নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, রোববার ১৭ জুন ২০১৭, ৩ আষাঢ় ১৪২৪, ২১ রমজান ১৪৩৮
গাইবান্ধা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে লাখ লাখ টাকার সড়কের গাছ বিক্রির অভিযোগ
গাইবান্ধা থেকে মিলন খন্দকার
গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্টেশন বাদিয়াখালী-ছাটচকবরুল সড়কের দুধারের মূল্যবান গাছ কেটে প্রায় তিন লাখ টাকা বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এলাকাবাসী জানান, প্রায় ৭ বছর আগে স্থানীয় আশার আলো সমাজ কল্যাণ সংস্থা নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্দোগে স্টেশন বাদিয়াখালী-ছাটচকবরুলগামী সড়কের দুধারে প্রায় দশহাজার মেহগনি ও ইউক্লিপটাস গাছ রোপন করা হয়। ১০ বছর পর নিলামের মাধ্যমে গাছ বিক্রির চুক্তি হয় ঐ সংগঠনের সাথে ইউনিয়ন পরিষদের। চুক্তিতে বলা হয়,গাছ বিক্রির টাকার শতকরা ১০ ভাগ পাবে ইউনিয়ন পরিষদ, বাকি ৯০ ভাগ পাবে ওই সেচ্ছাসেবি সংগঠন।

শনিবার সরেজমিনে দেখা গেছে, স্টেশন বাদিয়াখালী-ছাটচকবরুল সড়কের দুইধারে অসংখ্য কাটা গাছ ও গাছের গুড়ি পড়ে আছে। এসব গাছ শেকড় পর্যন্ত তোলা হচ্ছে।চকবরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তা এবং বিদ্যালয়ের জায়গায় থাকা বেশ কয়েকটি রেইন্ট্রি ও মেহগনি গাছ স্থানীয় সাবেক স্কুল শিক্ষক আলম মিয়া ও জনৈক কাঠ ব্যবসায়ী চেয়ারম্যানের নির্দেশে শ্রমিক দিয়ে কেটে ভ্যানযোগে করাতকলে নিয়ে যাচ্ছেন। ঐ সড়কে যাতায়াতকারী চকবরুল এলাকার কলেজ ছাত্র শরিফুল ইসলাম (২৫) বলেন, গাছগুলো এখনও পরিপুর্ন হয়নি।শুনেছি চেয়ারম্যান সাহেব গাছগুলো কেটে বিক্রি করছেন। তবে এসব গাছ যদি আর চার-পাঁচ বছর পর বিক্রি করা যেত, তাহলে একেকটি গাছের দাম হতো দশ থেকে বার হাজার টাকা পর্যন্ত।

বাদিয়াখালী ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি গিরেন চন্দ্র বর্মন (৩৮) বলেন, এই এলাকায় আমার বাড়ি। গত কয়েকদিন থেকে দেখছি আলম মাষ্টার দেদাড়ছে সড়কের দুধারের গাছ কাটছেন। এছাড়া চকবরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানায় থাকা রেইন্ট্রি ও মেহগনি গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে।তাকে জিজ্ঞেসা করে জানতে পারি গাছ বিক্রির টাকা পরিষদের উন্নয়ন তহবিলে জমা হবে। তবে সাবেক স্কুল শিক্ষক আলম মিয়া বলেন,স্কুলের গাছ কাটছিনা। কাটছি রাস্তার গাছ। এ বিষয়ে আরো জানতে চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন।

এ প্রসঙ্গে চকবরুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পুস্পজিৎ চন্দ্র বর্মন বলেন, বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারন করা না থাকায় আলম মাস্টার গাছ কর্তন করেছেন।বিষয়টি শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল জোব্বার বলেন, বিদ্যালয়ের সীমানা নির্ধারন না হওয়া পর্যন্ত গাছ কাটতে নিষেধ করা হয়েছে। আশার আলো সমাজ কল্যান সংস্থার সভাপতি এড. শাহ্ নেওয়াজ খান বলেন,২০১০ সালের ৫ জুলাই ইউনিয়ন পরিষদের সাথে আশার আলো সমাজ কল্যান সংস্থার ১০ বছরের চুক্তি হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের আগে চেয়ারম্যান গাছ কাটতে পারেন না। কিন্তু তিনি জোরপূর্বকভাবে গাছ কাটতে শুরু করেছেন। গত কয়েকদিনে প্রায় শতাধিক গাছ কেটে বিক্রি করেছেন প্রায় তিনলাখ টাকা। বিষয়টি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাকে(ইউএনও) জানানো হয়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২২
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৯২৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.