নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ১১ মে ২০১৬, ২৮ বৈশাখ ১৪২৩, ৩ শাবান ১৪৩৭
উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে
উলিপুরে পুলিশের ভুলের খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ
উলিপুর (কুড়িগ্রাম) থেকে আব্দুল মালেক
উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে। ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও ইউপি সদস্য প্রার্থীর নাম এক হওয়ায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাকে আটকের চেষ্টা করলে পুলিশ জনতার তোপের মুখে পড়ে। পুলিশের একজন এএসআইয়ের এমন গাফলতির জন্য বিভাগীয় ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সরকারি কাজে বাধাদানের মামলা দিয়ে স্থানীয়দের হয়রানি করায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে, কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া বাজারে। এ ঘটনায় ঐ এলাকার ৫ম ধাপের ইউপি নির্বাচণি প্রচারণা উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

জানা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের মহাদেব দোলাপাড়া গ্রামের মৃত সৈয়দ আলীর পূত্র ফজলুল হক(৩০) ও উত্তর দলদলিয়া কুঠিপাড়া গ্রামের ফারাত উদ্দিনের পুত্র আনজু মিয়া (৩২) এর বিরুদ্ধে পৃথক ২টি মামলায় আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা দেন। গত ১ মে রোববার উলিপুর থানার এ.এস.আই রুহুল আমিন ও কন্সটেবল এরশাদুল হক কং নং ৫৯৯ সহ আসাীদের গ্রেফতার করতে মহাদেব দোলাপাড়া গ্রামে যান। সেখানে আসামীদের না পেয়ে তারা দলদলিয়া বাজারে ফিরে আসেন। এসময় তাদের সাথে ৬ নং ওয়ার্ডের জনৈক এক সদস্য প্রার্থীর যোগাযোগ হয়। এর কিছুক্ষণ পর ঐ এ.এস. আই একই ওয়ার্ডের উত্তর দলদলিয়া সরদারপাড়া গ্রামের জমির উদ্দিনের পূত্র সদস্য প্রার্থী ফজললু হক ও আনজু মিয়া নামের এক ব্যক্তিকে আটকের চেষ্টা করেন। যাদের সাথে ঐ মামলার ওয়ারেন্টের কোন সম্পর্ক নাই। এসময় বাজারের হাটুরে লোকজন সাদা পোষাকে থাকা পুলিশকে চ্যালেঞ্জ করে বচসায় জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে পুলিশ নিরাপদ দুরত্বে সরে যেতে বাধ্য হয়। পরে খবর পেয়ে উলিপুর থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই এ.এস.আই ও কন্সটেবলকে নিয়ে আসে। এরপর তারা থানায় বসে সরকারি কাজে বাধাদান ও পুলিশকে মারপিটের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করে। খোদ পুলিশের মামলায় যাদেরকে আটকের পর ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে, তারাই ঐ মামলার প্রকৃত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে ঐ ওয়ারেন্টের আসামী না হয়েও কেন একজন ইউপি সদস্য প্রার্থীকে নির্বাচণি প্রচারণার সময় আটকের চেষ্টা করা হলো। অভিযোগ রয়েছে, ওই এ.এস.আই জনৈক এক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সাথে রফা করেই ফজলুল হককে গ্রেফতারের চেষ্টা চালায়। এ ঘটনায় কাল্পনিক তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ী ও হাটুরেরদের হয়রানি করছে বলে স্থানীয় মানুষজন অভিযোগ করেন। এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ এস.কে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, নাম বিভ্রাটের বিষয়টি আমার জানা নেই।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২২
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫১৫৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.