নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ মে ২০২১, ২১ বৈশাখ ১৪২৮, ২১ রমজান ১৪৪২
লকডাউনে যানজটের কবলে রাজধানী
স্টাফ রিপোর্টার
দেশব্যাপী দফায় দফায় বাড়ানো লকডাউনের পর যেখানে সড়কে যানবাহন ও মানুষের দেখা পাওয়ার কথা না, সেখানে রীতিমতো যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সড়কে ধীরগতিতে চলাচল করছে রিকশা, ভ্যান, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল থেকে শুরু করে সব ধরনের যান। মূল সড়কে যান চলাচলের ধীরগতি থাকায় কেউ কেউ মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটছেন ফুটপাত দিয়ে। গতকাল সোমবার দুপুরে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী,গুলিস্তান, পল্টন ও দৈনিকবাংলামোড়, প্রগতি সরণির মেরুল বাড্ডা ইউলুপের সামনে দেখা যায় এমনই চিত্র।

সরজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা যায়, ব্যক্তিগত গাড়ির (প্রাইভেট কার) সংখ্যাই তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে। রয়েছে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পণ্যবাহী পিকআপ ভ্যানের আধিক্য। রাজধানীর কাওরান বাজার, বাংলামোটর, হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার সামনের মোড়, তেজগাঁও, বাড্ডা ঘুরে দেখা গেছে, সিগন্যালগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি। যানজটে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়ির মধ্যে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের আধিক্য ছিল বেশি। আর অধিকাংশ মোটরসাইকেলের আরোহী একাধিক জন। যা সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরিপন্থী। এছাড়াও রিকশায় করে এবং হেঁটে চলাচল করছেন বিপুল মানুষ। দেশে করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর এর সংক্রমণ রোধে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেয় বাংলাদেশ সরকার। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, শুরু থেকে এই নিয়মের তোয়াক্কা করতে দেখা যায়নি জনগণকে। এর আগেও একাধিকবার রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে যানজট দেখা গেছে। সেখানে আধিক্য ছিল প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলের। এছাড়া মূল সড়কের পাশাপাশি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার এক মোটরসাইকেলে দুই থেকে তিনজন পর্যন্ত ঘুরে বেড়ানোর চিত্র এখন নিয়মিত। প্রাইভেটকারে উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে হইহুল্লোড় করতেও দেখা গেছে যুবকদের। তবে পুলিশ বলছে, নানা অজুহাতে এখন মানুষ বের হওয়া শুরু করেছে। এর মধ্যে ওষুধ কেনার অজুহাতই বেশি। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন মনসুর আলী। বাংলামোটরের সিগন্যালে দুপুরে প্রায় চার মিনিট দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। তিনি বলেন, মোটরসাইকেলে অফিসে যেতে হয় প্রতিদিন। তেল দরকার। সামনের ফিলিং স্টেশনে যাচ্ছি তেল নিতে। শাহবাগে যাওয়ার পথে কাওরান বাজারের সিগন্যালেও দেখা গেছে গাড়ির দীর্ঘ সারি। মোজাম্মেল হক নামের এক মোটরসাইকেল চালক দাঁড়িয়েছিলেন সেখানকার যানযটে। তিনি বলেন, অনেক দিন তো হলো লকডাউনের। আর চলছে না। পেটের চিন্তা বড় চিন্তা। কয়েক দিন ধরেই ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন বলে জানান তিনি। ট্রাফিক পুলিশের এক সার্জেন্ট সকাল থেকেই গাড়ি নিয়ন্ত্রণে ঢাকার কয়েকটি মোড়ে ঘুরেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সোমবার দুপুরে তিনি বলেন, চাপ সামাল দিতে আজ মোড়ে মোড়ে সিগন্যালে গাড়িগুলো থামাতে হচ্ছে। মে দিবসে চাপ একটু কম ছিল। এরপর থেকেই বেশি। অফিস টাইমে সকালে দুুএক ঘণ্টা সময় গাড়ির চাপ অনেক বেশি ছিল। এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, চেকপোস্টে থামালে লোকজন চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার 'অজুহাত' দিচ্ছেন। পুরোনো ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) দেখাচ্ছেন। কেউ ওষুধ কিনতে বেরিয়েছেন। তা ছাড়া ঈদে কেনাকাটা করার জন্যও বের হচ্ছেন অনেকে। এ ক্ষেত্রে শিশুদের জন্য কেনাকাটার কথা বলে মানুষজন বের হচ্ছেন বলে জানান এই ট্রাফিক কর্মকর্তা।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২৭
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৮
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১০৭১০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.