নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ মে ২০২১, ২১ বৈশাখ ১৪২৮, ২১ রমজান ১৪৪২
উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি বাড়ছে
জনতা ডেস্ক
সুরমা ও কুশিয়ারা ছাড়া দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সকল প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গতকাল সোমবার উত্তরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। তাতে আরও বলা হয়েছে, আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন ভারতের মেঘালয়, আসাম ও ত্রিপুরায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদ-নদীর পানি আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল ও তৎসংলগ্ন ভারতের সিকিম ও হিমালয় পাদদেশীয় অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেতে পারে বলেও জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র।

গণমাধ্যমের ওপর মানুষের যথেষ্ট আস্থা রয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

এফএনএস: বাংলাদেশের মানুষের গণমাধ্যমের ওপর যথেষ্ট আস্থা আছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। গতকাল সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সেলফ সেন্সরশিপ অনেক বেশি পরিমাণে হচ্ছে, যে কারণে জনগণের চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে। ফলে মানুষ মূল গণমাধ্যম থেকে সোশ্যাল মিডিয়া বেশি ব্যবহার করছে। এটা চলমান থাকলে বাংলাদেশের গণমাধ্যমের ওপর আস্থা কমে যাবে- এ বিষয়টিকে কীভাবে দেখছেন জানতে চাইলে তথ্য ও সমপ্রচার মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের গণমাধ্যমের ওপর যথেষ্ট আস্থা আছে। এই আস্থা না থাকলে এতগুলো টেলিভিশন চলত না, পত্রিকাও বের হতো না। আর পাঠক সংখ্যা এত বাড়ত না। তিনি বলেন, সামপ্রতিক সময়ে কিছুকিছু ঘটনা যেভাবে আসার কথা ছিল, সেভাবে আসে না বিধায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচ- সমালোচনা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি। এ ক্ষেত্রে প্রায়স বলা হয়, সরকারের চাপে সংবাদ পরিবেশন করতে পারে না কেউ কেউ যে অভিযোগ করে এ ক্ষেত্রে তো তা ছিল না। তারপরও কেন করা হলো না। আজ এ বিষয়টি নিয়ে টিআইবি বিবৃতি দিয়েছে। আমি মনেকরি আমাদের সকলের সম্মিলিত দায়বদ্ধতা আছে। গণমাধ্যমও সে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে কাজ করে। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি মনেকরি, গণমাধ্যমের দায়িত্ব শুধু নেগেটিভ নিউজ প্রচার করা নয়। গণমাধ্যমের দায়িত্ব হচ্ছে সমাজের চিত্র পরিস্ফূটন করা। যেটি করার চেষ্টা করে আসছে আমাদের গণমাধ্যম। আজ মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আমার একটি নিবেদন থাকবে- সেটি হচ্ছে আমরা যেমন অবাধ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় ও বিকাশে বিশ্বাস করি। একই সাথে রাষ্ট্রের বিকাশের সাথে ওতপ্রতভাবে জড়িত। ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সমাজের সামনে আশা না থাকলে কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে না। সে সমাজের বিকাশ হয় না। আমি মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে অনুরোধ জানাব বহু, শত প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও দেশ, রাষ্ট্র ও জাতি যে আজ এগিয়ে যাচ্ছে। এই করোনা মহামারি মধ্যেও দেশের অগ্রযাত্রা থমকে যায়নি। এই সাফল্যের গল্পগুলো ব্যাপকভাবে গণমাধ্যমে আসা প্রয়োজন। তাহলে জাতি আশাবাদী হবে এবং দেশ এগিয়ে যাবে। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের অপরিসীম শক্তি, একটি গণমাধ্যম যার মুখের ভাষা নেই, তাকে ভাষা দিতে পারে। যে স্বপ্ন দেখা ভুলে গেছে তাকে স্বপ্ন দেখাতে পারে। যার কাছে ক্ষমতা নেই তাকে ক্ষমতাবান করতে পারে। মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে আমার প্রত্যাশা থাকবে সমাজের অব্যক্তদের পক্ষে গণমাধ্যম যেভাবে কথা বলছে সেটি যেন আরও জোরালো হয়। যারা স্বপ্ন দেখতে ভুলে গেছেন তারা গণমাধ্যমের ওপর ভরসা করে স্বপ্ন দেখতে পারে। এর আগে সাংবাদিক মিজান মালিকের 'মন খারাপের পোস্টার' দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন তথ্য ও সস্প্রচারমন্ত্রী।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২২
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫২
আসর৪:১৪
মাগরিব৫:৫৮
এশা৭:১১
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫৩
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৫৫৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.