নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ মে ২০২১, ২১ বৈশাখ ১৪২৮, ২১ রমজান ১৪৪২
ঈদের আগে রেমিটেন্স বেড়েছে ৮৯ শতাংশ
স্টাফ রিপোর্টার
রোজার ঈদের আগে এপ্রিলে প্রবাসীরা ২০৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা গতবছরের একই সময়ের চেয়ে ৮৯ শতাংশ বেশি। গত বছর এপ্রিলে ১০৯ কোটি ৩০ লাখ ডলার দেশে পরিবারের কাছে পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা বাংলাদেশি কর্মীরা। অর্থ মন্ত্রণালয় গত রোববার হালনাগাদ যে তথ্য প্রকাশ করেছে, তাতে চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে প্রায় ২০ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স দেশে এসেছে, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে ১৪ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার পাঠিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা। একক মাসে হিসেবে এপ্রিলে রেমিটেন্স বেশি বাড়ার কারণ চলতি মাসের মাঝামাঝিতে রোজার ঈদ। সাধারণত ঈদের আগে প্রবাসীরা বরাবরাই দেশে স্বজনদের কাছে বেশি অর্থ পাঠান। এ ছাড়া গত বছর বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে থাকে মার্চ-এপ্রিলে। তখন বিভিন্ন দেশে লকডাউন থাকাসহ বিভিন্ন কারণে এপ্রিলে রেমিটেন্স কমেছিল। চলতি অর্থবছর শেষ হতে এখনও দুই মাস বাকি। অথচ এপ্রিল পর্যন্ত ১০ মাসেই গত অর্থবছরের চেয়ে সাড়ে ১৩ শতাংশ বেশি রেমিটেন্স চলে এসেছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরের পুরো সময়ে (জুলাই-জুন) ১৮ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল। ২০২০ সালের নয় মাসই গেছে মহামারীর সঙ্কটের মধ্যে, এখনও সে বিপদ কাটেনি। পুরো বিশ্বের মত বাংলাদেশের অর্থনীতিও এ সঙ্কটে হোঁচট খেয়েছে। তবে এর মধ্যেও প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ প্রবাহ কমেনি; উল্টো বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের ১০ মাসের মধ্যে সাত মাসেই দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি রেমিটেন্স দেশে এসেছে। ২০২০ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরে এসেছিল ২০৫ কোটি ডলার। মহামারীর মধ্যেই অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এসেছিল দেশে, যা এক মাসের হিসাবে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিভিন্ন দেশে থাকা এক কোটির বেশি বাংলাদেশির পাঠানো এই অর্থ। দেশের জিডিপিতে সবমিলিয়ে রেমিটেন্সের অবদান ১২ শতাংশের মত। রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়াতে গত অর্থবছর থেকে ২ শতাংশ হারে নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থের উপর ভর করে বাংলাদেশের বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ন ৪৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। এই রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে চার বিলিয়ন ডলার হিসেবে প্রায় ১১ মাস সময়ের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুদ থাকতে হয়।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ১৬
ফজর৪:২৯
যোহর১১:৫৪
আসর৪:১৯
মাগরিব৬:০৫
এশা৭:১৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৫সূর্যাস্ত - ০৬:০০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৩৩৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.