নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ৪ মে ২০২১, ২১ বৈশাখ ১৪২৮, ২১ রমজান ১৪৪২
ফলন-বাজার দুই-ই ভালো তাই খুশি শসা চাষি
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
অল্প সময়ে কম খরচে অধিক মুনাফা অর্জনের কৃষিপণ্য শসা। আর এই শসার চাষ করে বাম্পার ফলন ও বাজারে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে লালমনিরহাটের চাষিদের মুখে।

কৃষকরা জানান, বীজ বপন থেকে মাত্র তিন মাসের মধ্যেই ফল আসে শসা গাছে। পানি জমে না এমন বেলে দো-আঁশ মাটি শসা চাষের জন্য যথেষ্ট উপযোগী। গর্ত করে প্রয়োজনীয় জৈব সার প্রয়োগ করে বীজ বপন করে একটু সেচ ও পরিচর্যা করলেই শসা ফলানো সম্ভব। গাছ কিছুটা বড় হলে মাচাং বানিয়ে দিলে আড়াই মাসেই ফুল ও ফল আসে শসার গাছে। ফলে উৎপাদন খরচ একেবারেই কম। ফসল সংগ্রহ শুরু হলে একদিন পর পরই শসা তুলে বাজারে পাঠানো যায়।

লালমনিরহাটের ৫টি উপজেলার মধ্যে সব থেকে বেশি শসার চাষাবাদ হয় আদিতমারী উপজেলায়। এ উপজেলার কমলাবাড়ি ইউনিয়ন সবজি চাষের জন্য বিখ্যাত। তাই স্থানীয়ভাবে কমলাবাড়ি সবজি এলাকা বলে খ্যাত। এই এলাকায় মাঠের পর মাঠ কৃষকের বিভিন্ন জাতের সবজিতে ছেঁয়ে থাকে। রবি ও খরিপ দুই মৌসুমেই সবজির চাষাবাদ করেন এখানকার কৃষকরা।

এ অঞ্চলের এক একজন চাষি সবজি চাষে বেশ দক্ষ। এই এলাকা থেকে প্রতিদিন ট্রাক ভরে বিভিন্ন জাতের সবজি রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের বড় বড় সবজি মোকামে পাইকারি দরে বিক্রি হয়। সবজির চাষাবাদ করে কৃষকরা যেমন লাভবান হচ্ছেন। অনুরূপভাবে কৃষি শ্রমিকরা সারা বছর কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। স্থানীয় বাজারে বা মাঠে কৃষকদের কাছ থেকে সবজি ক্রয় করে সারাদেশের বাজার পাঠিয়ে লাভবান হচ্ছেন হাজারো ব্যবসায়ী। এভাবে জেলার অর্থনীতি সচল রেখেছেন চাষিরা। এ জেলার অর্থনীতির প্রধান উৎস কৃষি তথা সবজি চাষাবাদ। বর্তমানে সবজি ক্ষেতের বড় অংশই জুড়ে আছে শসা। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। একইভাবে বাজারে শসার ব্যাপক চাহিদা থাকায় বাজার দরও ভালো। সব মিলিয়ে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। বাজারে চাহিদা থাকায় শসা কৃষকের ক্ষেতেই বিক্রি হচ্ছে। বর্তমানে কৃষকের ক্ষেতে শসা প্রতি মণ দেড় হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা ঢাকার পাইকারি বাজারে প্রতিমণ ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩শ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। এসব অঞ্চলে একসময় তীব্র খাদ্য সংকট ছিল। সেই অঞ্চলে এখন বড় বড় দালানকোঠা গড়ে উঠেছে।

সবই সবজি চাষাবাদের টাকায়। এখন অভাব কেটে গেছে এসব অঞ্চলের মানুষের। আদিতমারী উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি খরিপ মৌসুমে শাকসবজি চাষের জন্য ৭৩০ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও অর্জিত হয়েছে ৯৭০ হেক্টর। তার মধ্যে ৮০ হেক্টরের বেশি জমিতে শুধু শসা চাষ হয়েছে।

তবে স্থানীয় চাষিদের দাবি শতাধিক হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। বড় কমলাবাড়ী বটতলা গ্রামের কৃষক আকতার হোসেন জানান, নিজের জমি না থাকায় অন্যের এক একর জমি বর্গা নিয়ে লাখ টাকা খরচ করে শসা চাষ করেছেন। তার ক্ষেত থেকে গত সপ্তাহ থেকে শসা তোলা শুরু করেছেন। এক একর জমি থেকে দুই দিনে ৫০ হাজার টাকার শসা বিক্রি করেছেন তিনি। এখন প্রতি দুই দিন পর পর শসা সংগ্রহ করে বিক্রি করবেন।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ৯
ফজর৩:৫৬
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:৩৪
এশা৭:৫৩
সূর্যোদয় - ৫:১৮সূর্যাস্ত - ০৬:২৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫১৫৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.