নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ৯ নভেম্বর ২০১৯, ২৪ কার্তিক ১৪২৬, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
ফের ঘূর্ণিঝড় ফের জটিলতা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে
স্টাফ রিপোর্টার
'অতি প্রবল' ঘূর্ণিঝড় বুলবুল বাংলাদেশ উপকূলের দিকে এগিয়ে আসায় সর্তক সংকেত বাড়ালেও কারিগরি জটিলতায়' ১২ ঘণ্টার বেশি সময় ওয়েবসাইটে হালনাগাদ কোনো তথ্য দিতে পারেনি আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমালোচনার মধ্যেই পাল্টা-পাল্টি বক্তব্য এসেছে আবহাওয়া অধিদদপ্তর ও বিটিসিএলের পক্ষ থেকে। জটিলতা আসলে কোথায়, সে বিষয়টি কোনো পক্ষই খোলাসা করেনি। এর আগে গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ফনীর সময়ও একই ধরনের জটিলতায় পড়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হলে আবহাওয়ার ১৩ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়। সেই বুলেটিন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটের পাশাপাশি ফেইসবুক পেইজেও প্রকাশ করা হয়।

সকালে সেই প্রবল ঘূর্ণিঝড় পরিণত হয় অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে। ঘণ্টায় ১২৫ কিলোমিটার বেগের বাতাসের শক্তি নিয়ে বাংলাদেশের খুলনা উপকূলের দিকে ধেয়ে আসতে থাকায় আবহাওয়া অধিদপ্তর সংকেত বাড়িয়ে সমুদ্র বন্দরগুলোকে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলে।

অথচ এরকম জরুরি সময়ে সেই তথ্য ওয়েবসাইটে দেখাতে পারছিল না আবহাওয়া অধিদপ্তর। সন্ধ্যা পর্যন্ত ওয়েবসাইটের টিকারে ৩ নম্বর সংকেতের কথা দেখানো হচ্ছিল। বুলেটিন দেখতে ক্লিক করলে দেখানো হচ্ছিল আগের পুরনো বুলেটিন। এমনকি 'বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের' ফেইসবুক পেইজেও দুপুর পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল আগের বিজ্ঞপ্তি। তবে ফোনে যোগাযোগ করা হলে অধিদপ্তরের কর্মীরা ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের হালনাগাদ তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছিলেন। টেলিভিশনেও মাঝে মধ্যে তাদের সর্বশেষ অবস্থা জানাতে দেখা যাচ্ছিল। শুক্রবার বেলা দেড়টায় ফেইসবুকে এক পোস্টে ঘূর্ণিঝড় 'বুলবুল'-এর কারণে ৪ নম্বর সংকেত জারির কথা জানায় আবহাওয়া অধিদপ্তর। কিন্তু তখনও তাদের ওয়েবসাইটে ৩ নম্বর সংকেতের টিকার চলছিল।

শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ওয়েবসাইটে হালনাগাদ বুলেটিন দেয়া সম্ভব হয় জানিয়ে আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মলি্লক বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, আশা করি শিগগিরই পুরো স্বাভাবিক হয়ে যাবে। গত মে মাসে ঘূর্ণিঝড় ফনীর সময় একসাথে বেশি ট্রাফিক সামলাতে না পেরে দীর্ঘ সময় অচল থাকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। তখনও বিটিসিএলের ইন্টারনেট ও সার্ভার সেবাকে দায়ী করা হয়েছিল আবহাওয়া অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে। তবে বিটিসিএল তা অস্বীকার করেছিল।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৪
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২১৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.