নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ৯ নভেম্বর ২০১৯, ২৪ কার্তিক ১৪২৬, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
বিবি'র পরিসংখ্যান
প্রথম প্রান্তিকে বাণিজ্য ঘাটতি ৩১ হাজার কোটি টাকা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
আমদানি তুলনায় রপ্তানি আয় না হওয়ায় বৈদেশিক পণ্য বাণিজ্য ঘাটতিতে প?ড়েছে বাংলাদেশ। চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩৭১ কোটি ৭০ লাখ ডলার যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। একই সঙ্গে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাবেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) প্রকাশিত পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ চলছে। এসব বড় বড় প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম যোগান দিতে আমদানি করতে হচ্ছে। এতে করে আমদানি ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, সেই হারে রপ্তানি আয় হয়নি। যার কারণে বাণিজ্য ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ইপিজেডসহ রপ্তানি খাতে বাংলাদেশ আয় করেছে ৯৫৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এর বিপরীতে আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে এক হাজার ৩২৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই হিসেবে সেপ্টেম্বর শেষে দেশে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় ৩৭১ কোটি ৭০ লাখ ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় (বিনিময় হার ৮৪ টাকা ৭৫ পয়সা দরে) দাঁড়ায় প্রায় ৩১ হাজার ৫০১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। ঘাটতির এ অংক ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩৮৫ কোটি ডলার। ফলে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এবার ঘাটতি কিছুটা কম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে বহির্বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকলেও সেপ্টেম্বরে এসে তা (-) ঋণাত্মক হয়ে গেছে। প্রথম প্রান্তিকে চলতি হিসাবে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৬৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৩১ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হলো নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়। সেই হিসাবে উন্নয়নশীল দেশের চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকা ভাল। এদিকে আলোচিত সময়ে সেবাখাতে বেতন-ভাতা বাবদ বিদেশিদের পরিশোধ করা হয়েছে ২৩৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আর বাংলাদেশ এ খাতে আয় করেছে ১৩৯ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ হিসাবে সেবায় বাণিজ্যে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯৫ কোটি ৮০ লাখ ডলার। যা গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল (ঘাটতি) ৬৪ কোটি ৭০ লাখ ডলার। তিন মা?সে প্রবাসীদের আয় রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫১ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা আগের বছর একই সময়ে ছিল ৩৮০ কোটি ৭০ লাখ ডলার। যা ১৬ দশমিক ৭০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত সময়ে দেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) এসেছে ১১০ কোটি ৫০ লাখ ডলার, এর মধ্যে নিট বিদেশি বিনিয়োগ ৬৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। যার ফলে গত অর্থবছরের চেয়ে এফডিআই বড়েছে ৭ দশমিক ০৭ শতাংশ ও নিট বেড়েছে ৭ দশমকি ১৮ শতাংশ। একই সম?য়ে দেশের শেয়ারবাজারে ৩ কো?টি ৫০ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে। যা তার আগের অর্থবছরে একই সময়ে ছিল ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৪
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২১৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.