নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ৯ নভেম্বর ২০১৯, ২৪ কার্তিক ১৪২৬, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
সিংগাইরে আমনের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক
সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) থেকে মো. সোহরাব হোসেন
'চারিদিকে নুয়ে পড়ে ফলেছে ফসল। তাদের স্তনের থেকে ফোটা ফোটা পড়িতেছে শিশিরের জল। প্রচুর শস্যের গন্ধ থেকে থেকে আসিতেছে ভেসে। পেঁচা আর ইঁদুরের ঘ্রানে ভরা আমাদের ভাড়ারের দেশে।

রুপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতায় এভাবে চিত্রিত হয়েছে সবুজ মাঠজুড়ে ধানের দৃশ্য। দিগন্ত জোড়া মাঠ সেজেছে যেন হলুদ-সবুজ রঙে। ঘাম ঝরানো স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলে আনতে কৃষক কৃষানী এখন প্রস্তুতি নিচ্ছে। অনুকূল আবহাওয়া, সঠিক পরিচর্যা, কৃষকদের প্রশিক্ষন, উন্নত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ এবং মাঠ পর্যায়ে তদারকির কারণে চলতি রোপা আমন মৌসুমে মানিকগঞ্জের সিংগাইরে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। সেই সঙ্গে ধান কাটায় যুক্ত হয়েছে কম্বাইন্ড হারভেস্টার। এখানকার কৃষিতে লেগেছে যন্ত্রের ছোঁয়া।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ২ হাজার ৭শ ৯০ হেক্টর জমিতে রোপা এবং ৪ হাজার ২শ হেক্টর জমিতে বোনা আমনের আবাদ হয়েছে। যা থেকে প্রায় ১৪ হাজার মে.টন ধান উৎপাদন হবে। উল্লেখযোগ্য জাতের মধ্যে রয়েছে ব্রি-ধান-৩৩,৩৯,৪৯,৫১,৫২,৫৫,২৯ ও বিনা-৭। দেশীয় বোনা আমনের মধ্যে রয়েছে নোয়াটি, ভাওয়াইলা ও দিঘা। পৌর সদরের আজিমপুর দক্ষিণ পাড়া মহল্লার আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী হাসিনা বেগম (৩৫) জানান, প্রতি বছর দেড় বিঘা জমিতে ধানের আবাদ করি। গত বছর ধান কাটতে লেবার খুঁজতে হিমসিম খেয়েছি। এবার মুহুর্তের মধ্যে মেশিনে আমার ধান কেটে দিলো। এতে আমার ঝামেলাও কম হলো, টাকাও বাঁচলো। একই মহল্লার কৃষক রবিউল মীর (৪৫) বলেন, ৩ বিঘা জমিতে রোপা আমন ধান চাষ করেছি। ফলন হয়েছে ভালো। তিনি আরো বলেন, আগে ১ বিঘা জমির ধান কাটা ও মাড়াই করতে লেবার খরচ হতো ৬ হাজার টাকা। এবার ২ হাজার টাকায় ওই পরিমাণ জমির ধান কেটে দিচ্ছে মেশিন। কৃষি ক্ষেত্রে যন্ত্রের ব্যবহার ধানের উৎপাদন খরচ প্রায় অর্ধেক কমিয়ে দিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ টিপু সুলতান স্বপন বলেন, চলতি বছর ফসলের ক্ষেতে কোনো রোগ বালাই আক্রমন না করায় লক্ষ মাত্রার চেয়ে অধিক ধান উৎপাদন হবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের কৃষি এনালগ থেকে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ করছে। কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রের ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে কৃষকের শ্রম ও উৎপাদন খরচ কমে আসবে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৯
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬১২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.