নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ৯ নভেম্বর ২০১৯, ২৪ কার্তিক ১৪২৬, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১
শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন
এডভোকেট মো. সাইফুদ্দীন খালেদ
আমি দৃঢ়তার সাথে বিশ্বাস করি শিক্ষাঙ্গন হচ্ছে জ্ঞান চর্চার সর্বোৎকৃষ্ট অঙ্গন। এই অঙ্গন গড়ে তোলে জাতির ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও সম্ভাবনা। পৃথিবীর যে কোনো বড় সামাজিক দায়িত্ব পালন করে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলক এই শিক্ষাঙ্গন যোগ্য নাগরিক উপহার দিয়ে থাকে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও অপ্রিয় সত্য যে, কিছু কুচক্রি লোকদের কবলে শিক্ষাব্যবস্থার মেরুদ- ভেঙে যাচ্ছে। পবিত্র শিক্ষাঙ্গনে আজ শিক্ষার্থী কতটুকু নিরাপদে? শিক্ষকের কারণেই যদি শিক্ষার্থীদের জীবনের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হয় তখন এর চেয়ে দুর্ভাগ্যজনক আর কিছু হতে পারে না। বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কুসংস্কার কাটিয়ে নারীরা এগিয়ে আসছে মানুষের ভূমিকায়, আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে। কিন্তু তাদের অগ্রযাত্রায় যৌন নিপীড়ন ও ইভটিজিং বিশাল প্রতিবন্ধকতার ভূমিকা পালন করছে যা নারী শিক্ষা ও তাদের জীবনযাত্রায় প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। নারী নির্যাতনের সংখ্যা দ্রুত হারে যেন বেড়ে যাচ্ছে। আগামীতে সেই নির্যাতনের সংখ্যা কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে তা সচেতন মহল একটু ভাববেন বলে আশা করি। সভ্যতার এই চরম উৎকর্ষতায় এসে বাংলাদেশের মতো একটি উন্নয়নশীল দেশের নারীরা প্রতিদিনই নির্যাতিত হচ্ছে। সাধারণত আমাদের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রত্যেক নারী- পুরুষের স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা রয়েছে। নারী শিক্ষার বিষয়টি আমাদের সামাজিক অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের সঙ্গে অপরিহার্য বিষয় হিসেবে জড়িত। আধুনিক সমাজে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলেরই মৌলিক অধিকার সমান ও অভিন্ন। একুশ শতকে পদার্পণ করে বর্তমান বিশ্ব যে সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক পালাবদলে অংশ নিচ্ছে নারী সেখানে এক অপরিহার্য অংশীদার, জীবন যুদ্ধেও অন্যতম শরিক ও সাথী। এককালে মাতৃতান্ত্রিক সামাজে নারীরা ছিল প্রাধান্য। পরবর্তীকালে সমাজে পুরুষের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হলে নারী হয়ে পড়ে অন্তঃপুরবাসী। আধুনিককালে নারীর স্বতন্ত্র মানবিক ভূমিকা স্বীকৃত হয় পাশ্চাত্যে। ভারতে ইংরেজ শাসন শুরু হলে উপমহাদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার হাওয়া লাগে। যে হাওয়ায় নারী আবার শিক্ষার অঙ্গনে আসার সুযোগ পায়। ইউরোপীয় জীবন ব্যবস্থায় নারী- পুরুষের সমমর্যাদা হিসেবে অবাধ মুক্ত জীবনছন্দ এদেশের নবজাগ্রত বুদ্ধিজীবী মানসে ডেউ তোলে নারী প্রগতির ভাবপ্রবাহের। এঙ্গেলস তাঁর 'অরিজিন অব দ্য ফ্যামিলি' গন্থে বলেছেন, 'নারী মুক্তি তখনই সম্ভব যখন নারীরা সমাজের প্রতিটি কর্মকা-ে সমগুরুত্ব নিয়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে'। আর নারীকে মুক্তি দেয়ার জন্যে, নারীর উন্নয়নের জন্যে, এক কথায় নারীর ক্ষমতায়নের জন্যে দরকার সব ধরনের প্রতিবন্ধকতার অবসান। প্রয়োজন শিক্ষার প্রসার ও সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি। বর্তমান সভ্য সমাজে শিক্ষা ছাড়া সবই অচল। তাছাড়া কোনো স্বাধীন জাতির পক্ষে নিরক্ষর ও মূর্খ থাকা এবং বিশ্বজগৎ, জীবন ও পারিপাশ্বর্িকতা সম্পর্কে অজ্ঞান থাকা জাতীয় মর্যাদার পক্ষে হানিকর। আর সেই শিক্ষা লাভ করতে গিয়ে বাংলাদেশের নারী সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পথে বাধা দূর হয়নি। যদিওবা দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয় জীবনে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়, গণতান্ত্রিক চেতনার ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে এবং সমাজে নারী-পুরুষের সমান মৌলিক অধিকার স্বীকৃতি পায়। শিক্ষা মানুষকে বাঁচতে শেখায়। অধিকার সম্পর্কে সচেতন করে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আলোকিত মানুষ গড়ার কারখানা আর শিক্ষকরা হচ্ছেন মানুষ গড়ার কারিগর। কিন্তু সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কেন যৌন নিপীড়নের মতো ঘটনা ঘটে? আসলে সংলাপগুলো একদিক দিয়ে লজ্জাকর অন্যদিক দিয়ে বেদনাদায়ক। পবিত্র শিক্ষাঙ্গনগুলো অপবিত্র করতে যাচ্ছে এক শ্রেণির নিপীড়ক, কিছু কুচক্রি লোক। যারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত রয়েছে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, মহান এ পেশায় কিছু কুলাঙ্গার ঢুকে পড়েছে, যারা রক্ষক হয়ে ভক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়নের খবর পত্রপত্রিকায় ছাপা হচ্ছে। দেশবাসী এসব সংবাদ দেখে, যা ছিল তাদের অপ্রত্যাশিত এবং অনাকাঙ্ক্ষিত। একের পর এক বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নারী নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে চলেছে। ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের এক শিক্ষক। এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর তৎকালীন হাকিম ফৌজদারি কার্যবিধি'র ১৬৪ ধারায় তার জাবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। পরে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে রিমান্ডের সময় শেষ হওয়ার আগেই নিজেই ঘটনা পুলিশের কাছে স্বীকার করে। জবানবন্দিতে বলেন, স্কুলের কাছে বাসা ভাড়া নিয়ে তিনি ছাত্রী পড়ানোর ব্যবস্থা করেছিলেন। ধর্ষিত ছাত্রীটি তার কাছে পড়তে শুরু করে। একদিন মেয়েটি একা পড়তে আসে, তিনি মেয়েটিকে অপেক্ষা করতে বলে অন্য মেয়েদের চলে যেতে বলে। এরপর মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। সম্প্রতি নুসরাত-এর ঘটনা। নুসরাত এক করুণ শোকের নাম হয়ে থাকবে। মাদ্রাসার সেই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় তার এই পরিণতি। একজন শিক্ষকের যৌন সন্ত্রাসের প্রতিবাদ করে জীবন দিতে হলো তাকে। বর্ণিত এই ধরনের শিক্ষককে কি সত্যিই মানুষ গড়ার কারিগর বলা যায়? প্রতি বছর কোননা কোনো শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা গ্রহণে যাওয়া ছাত্রী ধর্ষিতা হয়ে, যৌন নিপীড়নের শিকার হয়ে ফিরে আসছে। অথচ এদের কাছ থেকে পরিবার যেমন অনেক কিছু আশা করে তেমনি জাতিও অনেক কিছু আশা করে থাকে। কিন্তু সেই স্বপ্নকে চিরতরে ধ্বংস করে দিচ্ছে। শিক্ষাঙ্গনকে এদের কবল থেকে মুক্ত করে শিক্ষা এবং জাতির মেরুদ-কে শক্তিশালী করা আবশ্যক। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক যে কোনো আইনে নারীর ওপর অত্যাচারের বিচার করা সরকারের দায়িত্ব। সিডো সনদের ১ অনুচ্ছেদের ৬ ধারায় বলা হয়েছে, 'শরিক রাষ্ট্রগুলো নারীকে সব ধরনের অবৈধ ব্যবসায় এবং দেহ ব্যবসায়ের আকারে নারীর শোষণ দমন করার লক্ষ্যে আইন প্রণয়নসহ সব উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে'। দেশীয় আইনেও এমন অনৈতিক ও মানবতাবিরোধী কাজের বিচার করা আবশ্য কর্তব্য। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৮(২) ও ৩৪(১) অনুযায়ী গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা নেবে এবং সব ধরনের জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ ও আইনত দ-নীয়। ইভটিজিং দ-বিধি ১৮৬০-এর ৫০৯ ধারায় দ-নীয় অপরাধ। তাছাড়া সম্প্রতি সরকার সর্বোচ্চ শাস্তি ৭ বছর কারাদ- এবং ৫০,০০০ টাকা জরিমানার বিধান রেখে আইন প্রণয়ন করেছেন এমনকি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমেও সর্বনিম্ন ১ বছর কারাদ- ও ৫,০০০ টাকা জরিমানার বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি করেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩)-এর ১০ ধারায় যৌনপীড়ন-এর শাস্তি হিসেবে অনধিক ১০ বছর কিন্তু অনূ্যন ৩ বছর সশ্রম কারাদ-ের বিধান রয়েছে এবং এর অতিরিক্ত অর্থ দ-ও রয়েছে। আর যদি নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে বা অশোভন অঙ্গভঙ্গি করে তাহলে অনধিক ৭ বছর অনূ্যন ২ বছর সশ্রম কারাদ- এবং এর অতিরিক্ত অর্থদ-। উক্ত আইনে ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদ- বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ-েরও বিধান রয়েছে।

আজকাল পত্রপত্রিকার পাতা খুললেই 'ইভটিজিং-এর শিকার বা যৌন নির্যাতনের শিকার' শিরোনামে নির্মম সংবাদ। এ অমানবিক বিষয়টি মানুষকে অবমূল্যায়ন করছে। বৃদ্ধি করছে সামাজিক সমস্যা, নিয়ে আসছে সমাজ জীবনে অনাকাঙ্ক্ষিত বিপুল দুঃখ-দুর্দশা। এসব বন্ধে সামাজিক আন্দোলন বা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধন ও আধুনিকায়ন করে সঠিক ও যথাযথভাবে প্রয়োগ নিশ্চিত করা। বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। মহানগর পুলিশ অধ্যাদেশকে সংশোধন ও আধুনিকায়ন করে যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি রোধে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের দিকনির্দেশনার অনুকরণে আইন প্রণয়ন করা। ইভটিজিং আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটি, সামাজিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবক সমিতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও পাড়ায় পাড়ায় মহল্লা কমিটি গঠন করে তাদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের যৌথ উদ্যোগে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যৌন হয়রানি, ইভটিজিং ও নারী অবমাননার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। উন্মুক্ত আকাশ সংস্কৃতি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠু বিনোদন ও খেলাধুলার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনা পরামর্শকেন্দ্র চালু করা এবং মাঝেমধ্যে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ দ্বারা ক্লাসের ব্যবস্থা করা। হত্যা ঘটনাকে আত্মহত্যা মামলা হিসেবে রুজু করার প্রবণতাকে কঠোরভাবে দমন করা। অধিক কর্মক্ষেত্র তৈরি করে বেকারদের কাজের ব্যবস্থা করা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের সময় তার স্বভাব চরিত্র ও বংশ মর্যাদাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ আপনারাও যেন ছাত্রছাত্রীদের প্রতি এই ব্যাপারে অধিক যত্মবান হোন। শিক্ষকদের দ্বারা যাতে আর কোনো ছাত্রী নির্যাতিত না হয়। যেন তাদের নিজের কন্যার মতো আচরণ করা হয়। কারণ দিবসের একটি বড় সময় ছাত্রছাত্রীরা আপনাদের সাহচর্যে থাকে। বাবা-মার কাছ থেকে যা কিছু শিখে তার চেয়ে অনেক বেশি জ্ঞান অর্জন করে একজন শিক্ষকের নিকট থেকে। সুতরাং তাদের সম্পর্ক যাতে হয় পরম পবিত্র। কিছু সংখ্যক শিক্ষকের কারণে যেন নষ্ট না হয় সমগ্র শিক্ষক জাতির সম্মান ও শ্রদ্ধা। এ ব্যাপারে বিশেষভাবে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে।

এডভোকেট মো. সাইফুদ্দীন খালেদ : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৪
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২২৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.