নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬, ১৮ সফর ১৪৪১
বুয়েটের শপথ হোক দৃষ্টান্ত
বুকে হাত রেখে, দাঁড়িয়ে, সব ধরনের সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তি উত্থান রুখে দেয়ার শপথ নিলেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলামসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রভোস্ট ও শিক্ষার্থীরা। আমরা মনে করি, 'সময় এখনই' এমন শপথ বাংলাদেশের প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ মানুষেরও নেয়ার। আবরার ফাহাদ হত্যার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছে, তা সারাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও ছাত্রদের নতুন পথ দেখিয়েছে। শিক্ষার্থীদের এখন উচিত হবে, মামলার বিচারের দিকে খেয়াল রাখা ও নিজেদের শিক্ষা কার্যক্রমকে চালিয়ে যাওয়া। কারণ দীর্ঘসময় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত ঠিক হবে না। আবরার হত্যার বিচারে অভিযোগপত্র তৈরি হতে কয়েক মাস সময়ও লেগে যেতে পারে। এ সময়ে নিশ্চয়ই অনেকগুলো ক্লাস মিস হবে, অনেক পরীক্ষা বাকী থেকে যাবে। ফলে বিসিএসসহ বিভিন্ন চাকরিতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের একটা গ্যাপ হয়ে যাবে, যা তাদের পেশাগত জীবনেও প্রভাব ফেলবে।

বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের নাকের ডগায়, ব্যর্থতায়, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রচ্ছন্ন সহযোগিতায় নানা ধরনের নির্যাতন ঘটছে। ক্যাম্পাসে নির্যাতন চলে, জানার পরও দায়ীত্বশীলদের নির্লিপ্ততা ও উদাসীনতা কাম্য নয়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষকদের দায় সবচেয়ে বেশি বলে আমরা মনে করি। বিশ্ববিদ্যালয়ে সন্ত্রাস, টর্চার সেল, চাঁদাবাজির মূল কারণ শিক্ষক ও ছাত্র রাজনীতি। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভোস্ট থেকে শুরু করে ভিসি পর্যন্ত নিজেদের প্রয়োজনে তথাকথিত ছাত্রনেতাদের ব্যবহার করে থাকেন।

নিহত আবরারের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালনের পর শপথ পড়ান বুয়েটের ১৭তম ব্যাচের ছাত্রী রাফিয়া রিজওয়ানা। শপথে বলা হয়, 'আমি প্রতিজ্ঞা করছি যে, আজ এই মুহূর্ত থেকে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সবার কল্যাণ ও নিরাপত্তার নিমিত্তে আমার ওপর অর্পিত ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক, নৈতিক ও মানবিক সব ধরনের দায়িত্ব সর্বোচ্চ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় আমার জ্ঞাতসারে হওয়া প্রত্যেক অন্যায়, অবিচার ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সর্বদা সোচ্চার থাকবো। আমি আরও প্রতিজ্ঞা করছি যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ধরনের সন্ত্রাস ও সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থানকে আমরা সম্মিলিতভাবে রুখে দেবো। নৈতিকতার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সব ধরনের বৈষম্যমূলক অপসংস্কৃতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার সমূলে উৎপাটন করবো। এই আঙ্গিনায় আর যেন কোনো নিষ্পাপ প্রাণ ঝঢ়ে না যায়, আর কোনো নিরাপরাধ শিক্ষার্থী যেন অত্যাচারের শিকার না হয়, তা আমরা সবাই মিলে নিশ্চিত করবো।'

আমরা চাই বুয়েটসহ দেশের সকল শিক্ষাঙ্গন সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দলবাজি, সহমত ভাই মুক্ত হোক। সিট পলিটিঙ্ মুক্ত হোক। মুক্তবুদ্ধির চর্চা ও পরমতসহনশীলতা বাড়ুক। যুক্তি দিয়ে বিতর্ক হোক। গবেষণাসহ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন হোক। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলে-মেয়েরা দাপিয়ে বেড়াক গোটা বিশ্বে। মাথা উঁচু হোক বাংলাদেশের। এটাই আমাদের একান্ত প্রত্যাশা ও কামনা।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৬
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৯৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.