নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬, ১৮ সফর ১৪৪১
সক্রেটিসের জীবনের শেষ দিন
মো. হায়দার আলী
মানব জাতি মানব সভ্যতার ধারাবাহিক ইতিহাসের ধারায় এমন কিছু দুঃখজনক, বেদনাদায়ক, হৃদয় গ্রাহী ঘটনা সংযোজিত হয়েছে যা অধ্যায়ন করলে মন শুধু ব্যথিত ও মর্মাহত হয়। আর এসব ঘটনা সংঘটনের নায়কদের উদ্দেশ্যে মন থেকে বেরিয়ে আসে নানা ধিক্কারজনক উক্তি। ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায় এমন কিছু মহাসন্তানের জীবন এই পৃথিবীতে অকালে ঝরে গেছে, যাদের এই অপমৃত্যু বিবেকই কোন্ অবস্থাতেই মেনে নিতে পারে না। মানব জাতি ও মানব সভ্যতার চিরকল্যাণকামী এ রকম এক মহাসন্তানের নাম সক্রেটিস। এ মহাবিশ্বে অনবরত সংঘটনরত নানা ঘটনাবলীর সাথে রয়েছে পরস্পরের সাথে সংশ্লিষ্ট নানা কার্যকরণ সম্পর্ক। এ সব ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে জগতের কিছু মানুষ তার জীবন, যৌবন, ধনমান, প্রাণ সবই দান করেছেন। যার পরিণামে কারো ভাগ্যে ঘটেছে বিপুল সন্মান আর কারো কপালে ঘটেছে স্বহস্তে বিষপান। সেই মহাসন্তান সক্রেটিসের ভাগ্যে ঘটেছিল এ রকম চরম দুঃখজনক ঘটনা, যার জন্য বিশ্ব সভ্যতা আজও বিলাপ করে। তার জীবনের সেই ঘটনা ইতিহাসের পাতায় লিখা আছে । যে দিনটিতে তিনি স্বহস্তে বিষ পান করে মৃত্যদ- পেয়েছিলেন সে দিনটিও ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে আছে। এথেন্সের বিচারকদের দ্বারা সক্রেটিসের মৃত্যুদ- ঘোষিত হওয়ার এক মাস পর তার জীবনের সেই অন্তিম দিনটিও ঘনিয়ে আসে তার এ দিনটিও ছিল স্বহস্তে বিষপান করে মৃত্যুদ- কার্যকর ছিল এক বর্ণাঢ্য প্রস্তুতির দিন। সক্রেটিসের শীষ্য ছিলেন প্লেটো। তার বিচারের সময় প্লোটো আদালতে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন। এ রকমই তিনি মোকদ্দমায় সমস্ত ঘটনার স্বাক্ষী কিন্তু সক্রেটিসের বিষ পানের দিন তিনি কারাগারে উপস্থিত ছিলেন না। তার কারণ সম্ভবত তিনি তার পরম শ্রদ্ধাসম্পদ গুরুর বিচ্ছেদ বেদন সইতে পারবেন না বলে। 'ফীডো'তে মৃত্যুদিনের সমস্ত দৃশ্যের কথা তার এক প্রিয় শিষ্য ফীডোর মতোই অমর হয়ে আছে। সক্রেটিসের বিষ পানের দিন ফীডো ও তার কয়েকজন সাথী, এথেন্স বাসী অ্যাভোলোডোরাস, কীটো, ব্রুীটোবুসস, প্রমুখ এবং এথেন্সের বাইরে, থীবিস, মেগারা, ইত্যাদি স্থান থেকে সক্রেটিসের কিছু ভক্ত ও প্রশংসক খুব সকাল সকাল বন্দীগৃহে পৌঁছে গিয়েছিল। তারা সেখানে সক্রেটিসের স্ত্রীকে বাচ্চা কোলে নিয়ে কাঁদতে দেখেন। তাদের দেখে তিনি আরো জোরে কাঁদতে থাকেন। তখন কোন রকমে সক্রেটিস তাকে বাড়ী পাঠিয়ে দেন। এই রকমই সক্রেটিসের পত্নী জেনথিপির ন্যায় উপস্থিত সকলেই ভারাক্রান্ত ছিলেন, এক মাত্র সক্রেটিস ব্যতিত। তার চেহারা দেখে মনেই হচ্ছিল না যে, আজ তিনি মৃত্যুবরণ করতে যাচ্ছেন। মৃত্যুর প্রতি সক্রেটিসের এই ভয়লেশহীন ভাব উপস্থিত সকলকে রোমাঞ্চিত করে তুলেছিল। তার প্রিয় শিষ্য ফিডো লিখেছেন, সে সময়ে তাকে অত্যন্ত নির্ভীক মনে হচ্ছিল, তার স্বাভাবিক আচারণ ও বাণী আমাদের এতটা সত্য ও অভিজাত মনে হচ্ছিল যে, তা দেখে আমরা আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে উঠেছিলাম। আমার মনে হচ্ছিল, পরোলোকে পৌঁছে তিনি অবশ্যই প্রসন্ন হবে না। সক্রেটিস তার জীবনের অন্তিম দিনে এমন অবস্থাতেও নিজের শিষ্যদের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে যেমন-আত্মা ,আত্মার অবস্থান, ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলোচনা করলেন।

অন্তিমক্ষণের কাব্য চর্চা ঃ কবি ইউলিস থেকে চর্চা শুরু হল। কেউ জানতে চাইল যে, ইউলিস জিজ্ঞাসা করেছিল, সক্রেটিস তো সারা জীবনব্যাপী এক পংক্তি কবিতাও লেখেননি। কিন্তু এখন অন্তিম সময়ে বন্দিগৃহে কিভাবে কবিতা লিখছেন? এ কথার জবাবে সক্রেটিস জবাব দিলেন, ইউলিকে বলে দাও যে, অমি তার সাথে প্রতিযোগিতা করার জন্য ছন্দ রচনা করছিনা। আমি আমার এক পুরানো স্বপ্নাদেশ পালন করছি মাত্র। সাথে সাথে তিনি ইউলিসকে এই বলে সংবাদ পাঠালেন যে, তিনিও যেন মৃত্যুপথযাএীকে অনুসরণ করার জন্য প্রস্তুত থাকেন। একথা শুনে কেউ একজন তাকে বললেন আপনি তো বড় অদ্ভুত কথা বললেন। আপনি তাকে কেন মৃত্যুপথযাএীকে অনুসরণের জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন ? তখন সক্রেটিস বললেন হ্যাঁ জ্ঞানী ব্যক্তিদের জন্য এটাই পরামর্শ। এটাই জীবনের শেষ ঠিকানা। অবশ্য তার অর্থ এই নয় যে, আত্মহত্যার মাধ্যমে তাকে এই পথের পথিক হতে হবে। অর্থাৎ সক্রেটিসের এ কথার উদ্দেশ্য ছিল যে, মৃত্যুর দরজায় এসে কড়া নাড়লে তাকে সসন্মানে অভ্যর্থনা জানাও। যেনতেন প্রকারে জীবন বাঁচানোর প্রচেষ্টা মানুুষের এক বিরাট মূর্খতা। সেই সাথে সক্রেটিস তার শিষ্য ও শুভানুধ্যায়ীদের নানা প্রশ্নের জাবাব দিয়ে যেতে লাগলেন এবং নানা আলাপ আলোচনাও করতে লাগলেন। একবার জেল থেকে এক কর্মচারী এসে তাকে বলল, বেশি কথা বলবেন না, তাহলে মন, শরীর গরম হয়ে যাবে এবং লোকেরাও উত্তেজিত হয়ে উঠবে। এ কথার জবাবে প্রয়োজনে দু'তিন দফাও বিষ নেয়া হবে- বলে সক্রেটিস পুনরায় কথাবার্তা শুরু করলেন। অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে তিনি তার আত্মার অমরত্ব সম্পর্কে প্রশ্নের সামাধান দিয়ে যেতে লাগলেন। সেই সাথে প্রশ্নকর্তাদের মনে এ বিশ্বাসও জাগিয়ে তুললেন যে, মৃত্যুর পর শরীর মাটিতে মিশে গেলেও আত্মার মৃত্যু নেই, তা মাটিতে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় না। মৃত্যুর পর প্রত্যেক আত্মার দেবদূতদের দ্বারা পরলোকে নীত হয়। সেখানে পুঁথিবতেকৃত তার কৃতকর্মানুযায়ী তার ফয়সালা শুনিয়ে দেয়া হয়। কালান্তরে তাকে আবার মানবদেহ ধারন করতে হতে পারে। যিনি পুণ্যাত্মা হন তিনি জন্ম মৃত্যু চক্র থেকে মুক্তি লাভ করেন।

সত্য পথে চলো ঃ

অবশেষে সক্রেটিস যখন উঠে দাঁড়ালেন তখন ফীডো তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনি কি আমাদের পরিবার-পরিজনদের ব্যাপারে কোন উপদেশ দেবেন? এবং অনুগ্রহ করে আরো বলুন, আমরা আপনার পরিবারের জন্য সবচেয়ে বড় কোন সেবাটা কিভাবে করতে পারি ? এ কথা শুনে সত্যপথের চির পথিক সক্রেটিস তার চরিত্র ধর্মানুযায়ী স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে জবাব দিলেন, নিজে নিজের প্রতি খেয়াল রাখ। আমার এবং পরিবারে শ্রেষ্ঠ সেবাটা তোমরা তখনই করতে পারবে, যখন তোমরা আমার কথামতো সঠিক পথে চলতে থাকবে। সক্রেটিসের এই করুণ পরিণতিতে সকলেই খুব বিমর্ষ হয়ে পড়েছিলেন। ফীডো সক্রেটিসের বিশেষ বন্ধু ছিলেন এবং তার উপর সক্রেটিসের দাফন করার দায়িত্ব ছিল। তিনি সবচেয়ে বেশি বিচলিত হয়ে পড়েছিলেন। এ কারণে সক্রেটিস সকলের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি নিলেন এই মর্মে যে, আমার মৃত্যুতে ফীডো যেন বেশি উত্তেজিত ও বিচলিত না হয়। আমার শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ ও অন্তিম সৎকার পর্যন্ত সে যেন শান্ত থাকে। তাকে শান্ত রাখার দায়িত্ব আপনাদেরকে দিয়ে গেলাম।

বিষপানের প্রস্তুতি ঃ অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই সক্রেটিস স্নান সমাপন করে বেরিয়ে এলেন। ইতিমধ্যে তার পরিবারও বেরিয়ে এলেন। তিনি তাকে তার অন্তিম আদেশ দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দিলেন। এ সময় জেল দারগা এসে গেলেন এই সংবাদ জানিয়ে দেয়ার জন্য যে, তার জন্য বিষের পেয়ালা প্রস্তুত। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে সবার থেকে পৃথক হয়ে যেতে হবে। জেল দারগা হিসেবে এ ছিল তার দায়িত্ব, কারণ এটাই তার চাকরি। কিনুত্ম এ খবর শুনাতে শুনাতে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন। সক্রেটিস তা দেখে তার সহৃদয়তার প্রশংসা করলেন। জেল দারগা প্রস্থানের পর তিনি পুনরায় তার সহৃদয়তার প্রশংসা করে বিষের পেয়ালা নিয়ে আসার জন্য আদেশ দিলেন। কিন্তু সূর্যাস্তের তখনও কিছুটা বাকী ছিল। ফীডো বললেন, সূর্য এখনও পাহাড়ের উপরে। আরো অনেক কয়েদি তার অপেক্ষায় বিষ পান থেকে বিরত রয়েছে। তারা এসময়ে খাওয়া দাওয়া ও জীবনের নানা ইচ্ছা পূরণে ব্যস্ত রয়েছে। তাড়াতাড়ির প্রয়োজন নেই, এখনও অনেক সময় আছে। এ কথার জবাবে সক্রেটিস বললেন, যাদের ব্যাপারে তুমি এ কথা বললে, তাদের নিজেদের ক্ষেত্রে এ আচরণ সঠিক। কেননা তারা ভাবছে, যতক্ষণ বাঁচা যাবে ততটাই সুখ লাভ করা যাবে। কিন্তু আমি ভাবছি না যে, এতটা দেরি করলে আমি তাদের অগোচরে থাকবো তাই আমি যা বলছি, তাই করো। আমার কথা প্রত্যাখ্যান করো না। ফীডো অত্যন্ত ভারাক্রান্ত চিত্তে তার এক সেবককে ইঙ্গিত করে বিষ আনতে বললেন। অল্প কিছুক্ষণের মধ্যে জেল দারগা এক কর্মচারীর সাথে হেমলোকের পেয়ালা (বিষের নাম) নিয়ে উপস্থিত হলেন। সক্রেটিস জিজ্ঞাসা করলেন, প্রিয় বন্ধু আমার এখন বল কি করতে হবে ? ঐ কর্মচারী জবাব দিল, এটি এখন পান করুণ এবং ততক্ষণ পর্যন্ত টহল দিন যতক্ষণ না আপনার পদদ্বয় ভারি মনে হবে। তারপর আপনি শুয়ে পড়বেন। বাকি কাজ বিষই সম্পন্ন করে দেবে।

বিষ পান ঃ সক্রেটিস অত্যন্ত শান্তভাবে হেমলোকের পেয়ালাটি হাতে উঠিয়ে নিলেন এবং প্রদানকারীর প্রতি কোন রকমের অভিযোগহীন দৃষ্টিতে তাকিয়ে বললেন আমি যদি কোন দেবতার নাম নিয়ে এই বিষ পান করি তাহলে কেমন হবে? আমি কি তা করতে পারি? জেল দারগা বললেন, সক্রেটিস আমরা ততটাই বিষ তৈরি করি, যতটা প্রয়োজন। বুঝলাম-সক্রেটিস বললেন, কিন্তু আমি আমার দেবতাদের উদ্দেশ্যে অবশ্যই প্রার্থনা করবো যাতে আমার পরলোক যাত্রা শুভ হয়। এ কথা বলে সক্রেটিস বিষের পেয়ালা মুখে ধরলেন এবং ধীর স্থিরভাবে পুরো বিষটাই পান করলেন। সে সময়েও তার চেহারায় দুঃখতাপের কোন নাম নিশানা পর্যন্ত লক্ষ্য করা যায়নি। উপস্থিত সকলেই রুদ্ধশ্বাস দৃষ্টিতে এ দৃশ্য অবলোকন করেন। সক্রেটিসের বিষপান শেষ হওয়া মাত্রই উপস্থিত সকলের চোখ দিয়ে অশ্রুধারা বয়ে যেতে লাগলো। এক মাত্র সক্রেটিসই সেখানে শান্ত হয়ে বসে ছিলেন। সবাইকে এভাবে কাঁদতে দেখে তিনি বললেন বন্ধুগণ এ তোমরা কি করছো? আমি মহিলাদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিলাম যেন এসব না হয়। এখন তোমরা ধর্য্য ধর, শান্ত হয়। এরপর সক্রেটিস উঠে টহল দিতে লাগলেন। তিনি ততক্ষণ পর্যন্ত টহল দিতে লাগলেন যতক্ষণ না পদদ্বয় ভারাক্রান্ত না হয়ে উঠে। তারপর চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লেন। তখন ওই বিষ প্রদানকারী কর্মচারী তার দুটো চেপে টিপতে টিপতে বলল, কি কিছু অনুভব হচ্ছে? তা শুনে সক্রেটিস বললেন, না, তারপর তার পায়ের উপরিভাগও টিপলেন এবং উপস্থিত লোকদের দেখালো যে, তা শীতল ও কঠিন হয়ে গেছে। তখন সক্রেটিস নিজেই শরীর ঝাঁকালেন। তারপর বললেন, বিষ আমার হৃৎপি-ে পৌঁছেলেই আমি মরে যাব।

শেষ বাক্য ঃ কিছুক্ষণ পর সক্রেটিস তার মুখের উপর থেকে কাপড়টি সরিয়ে দিলেন এবং বিড় বিড় করে বললেন, ফীডো আমি ..... স্বাস্থ্যের দেবতা .......... এসক্লেডিয়োমের নামে ....... এক মুরগি .... মানত করে ছিলাম ....... তা ....পূরণ ....... করো। ফীডো অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে আগ্রহ ভরে জিজ্ঞাসা করলেন, আর কিছু ওদিক থেকে কোন উত্তর এল না। এটাই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বুদ্ধিমান লোকের শেষ বাক্য। প্লেটো তার মহান গুরুর উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে গিয়ে লিখেছেন, এইভাবে আমাদের এক মহান বন্ধুর জীবনাবসান হল, যিনি সমকালের সমস্ত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বুদ্ধিমান, ন্যায়পরায়ণ ও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন।

মো. হায়দার আলী : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৮২৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.