নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৩ অক্টোবর ২০১৭, ২৮ আশ্বিন ১৪২৪, ২২ মহররম ১৪৩৯
মুসলমানদের পক্ষে কে?
ছৈয়দ আন্ওয়ার
বাংলাদেশের বন্ধুরাষ্ট্রের তকমায় সর্বাগ্রে গর্বের সাথে ভারতের নাম উচ্চারিত হলেও ভারতের সাম্প্রতিক সময়ের কর্মকান্ডের জন্য বন্ধুত্বের বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠছে। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে ভারতের সর্বসাম্প্রতিক আচরণ বাংলাদেশের প্রতিপক্ষের ভূমিকায় অবতীর্ণ।

জানা গেছে, সাতক্ষীরা থেকে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) যে রোহিঙ্গাদের আটক করেছে তারা ভারত থেকে দেশটির সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী বিএসএফ-এর সহায়তায়ই বাংলাদেশে এসেছে। বর্তমানে অনুপ্রবেশকারীদের সাথে দিলি্লতে থাকা আগের উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদেরও বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়া হচ্ছে।

এখন কথা হলো_ উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে এবং তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে যখন বিশ্ব সম্প্রদায় মায়ানমারের ওপর চাপ দিচ্ছে, এমতাবস্থায় ভারত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে পাঠায় কোন যুক্তিতে? আসল কথা হলো_ রোহিঙ্গাদের পরিচয়, তারা মুসলিম। আর ভারত সরকারের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর মুসলিম বিদ্বেষের করুণ কাহিনী তথা গুজরাট দাঙ্গার নৃশংসতা সবারই জানা। তাছাড়া নির্বাচনী ইশতেহারেও মোদি মুসলমানদের ভারত থেকে বিতাড়নে প্রস্তুত থাকতে ভয় দেখান। আর ইসরাইলের সাথে ভারতে বন্ধুত্ব তার চরিত্রকে আরো স্পষ্ট করে দেয়।

মায়ানমার সরকারের নির্যাতন-নিপীড়ন থেকে বাঁচতে রোহিঙ্গারা সীমানা পেরিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাদের খাদ্য, বস্ত্র ও চিকিৎসা সেবা দিতে বাংলাদেশকে এক কঠিন বাস্তবতার মোকাবিলা করতে হচ্ছে। তা সারা বিশ্বই জানে। এর জন্য বিশ্ব সম্প্রদায় তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ রোহিঙ্গাদের নিয়ে নিকটতম প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের কর্মকা- বিমাতাসুলভই মনে হচ্ছে। সংকটের শুরুর দিকেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী মায়ানমার সফরে গিয়ে সুচির সাথে করমর্দন করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সমালোচনা কুড়িয়েছেন। রোহিঙ্গা সংকটে ভারতকে বাংলাদেশের পাশে যেভাবে পাওয়ার কথা, সেভাবে দেখা যায়নি। ভারত সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বিএসএফ। যেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। কিন্তু উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেয়া রাষ্ট্রীয় কোন নীতির আওতায় পড়ে তা বোধগম্য নয়।

পুনশ্চ : রোহিঙ্গাদের বড় পরিচয় তারা মুসলিম। এটাই সংকটের মূল কারণ কি-না তা জানা দরকার। সেই সাথে আরো জানা দরকার, রোহিঙ্গাদের সাময়িক আশ্রয় দিতে বা তাদের জাতিগত ন্যায্যতা পাইয়ে দিতে যারা বিমুখ তাদেরই বা সমস্যা কোথায়? তা কি শুধুই মুসলিম সুরক্ষা বলে?
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৩
ফজর৫:১১
যোহর১১:৫৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩৪
সূর্যোদয় - ৬:৩২সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৬২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.