নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৩ অক্টোবর ২০১৭, ২৮ আশ্বিন ১৪২৪, ২২ মহররম ১৪৩৯
বন্যা সহনশীল এ-জেড আমন ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে
গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি
বগুড়ার গাবতলী উপজেলাতে শেষ মুহূর্তে আমনধান খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত কৃষক। এখন দিনরাতে মাঠে ধান খেতে সার'সহ কীটনাশক ও শেষপর্যায়ে নিড়ানী দিতে তারা ব্যস্ত সময় কাঠাচ্ছেন। এ ছাড়াও কৃষকদের বন্যা সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল অ্যারাইজ এ-জেড হাইব্রিড ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে। ফলে বন্যার পানি নেমে গেলেও এখন মাঠ জুড়ে সবুজের সমারাহ। দৃষ্টি যেন জুড়িয়ে যায়।

সূত্র জানায়, সারাদেশে বন্যায় কৃষকরা যখন ক্ষতিগ্রস্ত ও দিশেহারা হয়ে পড়েছিল। ঠিক তখনই বগুড়া'সহ গাবতলীতে কৃষকরা বায়ার ক্রপ সাইন্সের এ-জেড ৭০০৬ ধানের চাষ করেছে। ধান গাছের সবুজ রং ও এর অপরুপ সৌন্দর্যে কৃষকদের মাঝে যেন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন জাগিয়েছে। বন্যা সহনশীল হওয়ায় এ ধান লাগানোর পর ১২দিন ৮ফিট পানির নিচে ডুবে থাকার পরেও কোন ক্ষতি হয় না। পাশাপাশি এ জেড ৭০০৬ ধানের বিএলবি প্রতিরোধী ও উচ্চ ফলনশীল হওয়ার ফলে এ ধানের জীবনকাল ১২০ দিন থেকে ১২৫ দিন। ফলন প্রতি বিঘায় ২০ থেকে ২৫ মন। যেখানে মাঠের অন্য সকল জাতের ধান নষ্ট হওয়ার পরেও কৃষকরা পুনরায় আবারও এ ধানের চারা রোপণ করছে। এ বছরে বগুড়ার গাবতলী নেপালতলী কাশিহাটা গ্রামের কৃষক মনমোহন ২২ শতক, কাহালুতে দুলাল মিয়া ২০ শতক ও শিবগঞ্জ মিরপুরের আবু বক্কর ২৫ শতক প্রদর্শনী প্লটের জমিতে এ ধান চাষ করা হয়েছে। বন্যা সহনশীল ধান হওয়ায় বগুড়া জেলা'সহ উত্তরাঞ্চলে দিনদিন এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। বন্যায় ফসলের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইতিমধ্যে আগাম আউশধান ও আমনধান চাষ করা হয়েছে। তাই ভালো ফলন আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ। এ মৌসুমে উপজেলাতে আমনধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে। ইতিমধ্যে অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা হয়েছে ১৪ হাজার ৫শত হেক্টর জমিতে। যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫২ হাজার ৮শ ৫০ মেট্রিক টন (চাল)। গাবতলী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আশা করছেন এ বছরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। তবে দিনমজুর সংকট থাকলেও শেষ সময়ে তীব্র রোদে কৃষকরা পুরোদমে ধানের চারাগাছসহ আগাছা পরিষ্কার করছে। সুখানপুকুর এলাকার কৃষক মনমোহন জানান, বন্যা সহনশীল এ-জেড ধান গাছের সবুজ বর্ণ ধারণ করেছে। চারিদিকে যেন সবুজের সমারাহ। যে দিকে তাকাই দৃষ্টি যেন জুড়িয়ে যায়। আশাকরছি ফলন ভালো হবে।

উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড ধান এ-জেড ৭০০৬ ইতিমধ্যে কৃষকদের নিয়ে মাঠ দিবস পালন করা হয়েছে। বায়ার ক্রপ সাইন্সের রিজিয়নাল বিজনেস ম্যানেজার কৃষিবিদ মো. হেফজুল কবির ও বিজনেস ডেভলপমেন্ট ম্যানেজার কৃষিবিদ শামীম হোসাইন জানান, আশাকরছি বগুড়া'সহ উত্তরাঞ্চলে এ-জেড ধানের বাম্পার ফলন হবে। আগামীদিনে কৃষকদের মাঝে এ-জেড ধান বীজের চাহিদা আরো বাড়বে। বগুড়া টেরিটরি অফিসার কৃষিবিদ শ্রী গৌতম দাস জানান, এ-জেড ধানে কৃষকদের উৎপাদন ও ফলন ভাল হবে। ইতিমধ্যে কৃষকদের এ জেড ধান চাষের তথ্য ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। গাবতলী উপজেলা কৃষি অফিসার আ. জা. মু. আহসান শহীদ সরকার জানান, ধান চাষে লাভ বেশি। তবে মাঠ পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তাগণ আমনধান গাছের রোগবালাই দমনে কৃষকদের তথ্য ও পরামর্শ দিচ্ছেন। আশা করছি আগামীদিনে আমন ধান চাষ ও উৎপাদন আরো বাড়বে। এ ছাড়াও কৃষক ধানের বাম্পার ফলনের জন্য ক্ষতিকারক পোকা নিধনে আলোক ফাঁদ ও পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৪
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৯৪৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.