নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১২ অক্টোবর ২০১৮, ২৭ আশ্বিন ১৪২৫, ১ সফর ১৪৪০
মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮
গণমাধ্যমের বিপুল প্রচার-প্রচারণা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার পরও এর বিরুদ্ধে তেমন প্রতিরোধ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সুতরাং এনপিএস, ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ মাদকের সর্বাত্মক প্রতিরোধে সরকারকে আরও তৎপর এবং কঠোর হতে হবে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতির মতো নিয়মিত যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে। এ ক্ষেত্রে শৈথিল্য প্রদর্শনের কোন সুযোগ নেই। সুতরাং বিবেচনা সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ-ের বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮-এর খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। দেশে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন, বিশেষ করে ইয়াবার প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে এ রকম একটি কঠোর আইনের আবশ্যকতা ছিল বৈকি। উল্লেখ্য, আগের আইনে সর্বোচ্চ শাস্তি ছিল ২-১৫ বছরের দ- মাদকের পরিমাণ ও তারতম্য ভেদে। পুরনো আইনে বিশেষ করে ইয়াবার প্রবল আগ্রাসন ঠেকানো যাচ্ছে না কিছুতেই। বর্তমানে মাদক কারবারি ও চোরাচালানকারীদের ভয়াবহ অপতৎপরতা এমনকি ক্রসফায়ারেও একেবারে নির্মূল করা যাচ্ছে না। সে অবস্থায় মৃত্যুদ-ের বিধান রেখে আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। তবে আইন শুধু করলেই হবে না, এর যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে দুর্নীতিমুক্ত, সৎ, নিরপেক্ষ ও কঠোর হতে হবে। দেশব্যাপী ইয়াবার বিষাক্ত ছোবলের রেশ শেষ না হতেই ভয়াবহ নতুন মাদক খাতের কথা শোনা যাচ্ছে। খাতের ইংরেজি পরিভাষা এনপিএস বা নিউ সাইকোট্রফিক সাবসটেনসেস। দেখতে অনেকটা চা পাতার মতো। পুরনো মাদক আফিম, ভাং ও গাঁজার সঙ্গে মিল রয়েছে অনেকাংশে। যুব সমাজের সমধিক প্রিয়। দীর্ঘদিন সেবনে ভয়াবহ একাকিত্ব ও সমাজবিচ্ছিন্নতা দেখা দেয়। মানসিক বৈকল্যে ভোগে সেবনকারী। কর্মস্পৃহা হারিয়ে ফেলে। দেখা দেয় আত্মহননের প্রবণতা। গণমাধ্যমের চাপে সমপ্রতি এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে সরকার।

সরকার ইয়াবাসহ যে কোন ধরনের মাদকদ্রব্য আমদানি-রফতানি ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করেছে। মাদক নির্মূলে সারাদেশে চলছে ব্যাপক সাঁড়াশি অভিযান। এ ক্ষেত্রে শুধু জেল-জরিমানাই নয়, ক্রসফায়ারে তিন শতাধিক মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর খবরও আছে। দুঃখজনক হলো, এরপরও মাদক আমদানি ও ব্যবহারের ব্যাপকতা কমছে না। এতে প্রতীয়মান হয় যে, বাংলাদেশকে টার্গেট করেই কোন আন্তর্জাতিক শক্তিশালী চক্র কাজটি করে যাচ্ছে, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে মরিয়া। এর পেছনে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হাত থাকাও বিচিত্র নয়। যে কোন মূল্যে এই 'বিষচক্র' ভাঙতে হবে। দেশের অভ্যন্তরে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক ইয়াবা ট্যাবলেট এবং এর কাঁচামাল প্রবেশ করে থাকে কঙ্বাজার জেলার মাধ্যমে। আরও সঠিক অর্থে মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত পথে। পার্বত্য অঞ্চল দিয়েও ইয়াবার অনুপ্রবেশ বিচিত্র নয়। সীমান্তরক্ষী বাহিনীসহ স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের অভিযানে প্রায় প্রতিদিন তা ধরা পড়ে বিপুল পরিমাণে। বাস্তবতা হলো, সীমান্তে কঠোর তৎপরতা এবং গোয়েন্দা নজরদারির পরও এর প্রায় অবাধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো যাচ্ছে না। সঙ্গত কারণেই ধারণা করা যায় যে, এর পেছনে শক্তিশালী স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেটসহ বিত্তশালী ব্যক্তিদের হাত রয়েছে। ইয়াবা পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পরিবারের সম্পৃক্ততার অভিযোগে জেল-জরিমানার খবরও আছে। দুঃখজনক হলো এরপরও ইয়াবার ছোবল ঠেকানো যাচ্ছে না। সে অবস্থায় এলাকার জনগণ যদি সততা ও সদিচ্ছার মনোভাব নিয়ে স্বতস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসে প্রতিরোধে তাহলে সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ইয়াবার চোরাচালান ঠেকানো অবশ্যই সম্ভব।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ১৬
ফজর৪:৪১
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৫৪
মাগরিব৫:৩৫
এশা৬:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:৫৭সূর্যাস্ত - ০৫:৩০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৯৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.