নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯, ২৫ আশ্বিন ১৪২৬, ১০ সফর ১৪৪১
রাষ্ট্রীয় লেন-দেনে সমতা থাকা জরুরি
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বশেষ ভারত সফর দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের উদ্দেশ্যে ছিল না, বরং তিনি গিয়েছিলেন সেখানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের বৈঠকে অংশ নিতে। নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর নিয়ে সব মহলেই ব্যাপক আগ্রহ ছিল। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকটি হয়েছে মূলত ভারতের আগ্রহেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে দীর্ঘ দিন ঝুলে থাকা তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা থাকলেও সুস্পষ্ট প্রতিশ্রুতি মেলেনি, অন্যদিকে ফেনী নদীর পানি ভারতের ত্রিপুরায় সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে একটি চুক্তি হয়েছে। ফেনী নদীর পানি ত্রিপুরায় নেয়ার ব্যাপারে আরো আগে থেকেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা ছিল, এবারের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের মধ্য দিয়ে তা আনুষ্ঠানিকতা পেল।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা '২০১১ সালে দুই সরকারের সম্মতি অনুযায়ী তিস্তা নদীর পানি বণ্টনে ফ্রেমওয়ার্ক অব ইন্টেরিম এগ্রিমেন্ট আশু স্বাক্ষর ও বাস্তবায়নে' বাংলাদেশের মানুষের অপেক্ষার কথা তুলে ধরেন। জবাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, 'সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ে' এই চুক্তি নিয়ে সমাধানে পৌঁছাতে ভারতের সব অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে তার সরকার। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপত্তিতে শেষ মুহূর্তে চুক্তি আটকে যাওয়ার পর থেকেই এই কথা বলে আসছে নয়া দিলি্ল। অপরদিকে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের যে কোনো বৈঠকেই এই চুক্তি নিয়ে অগ্রগতির আশা থাকে বাংলাদেশের। কিন্তু এবারও প্রধানমন্ত্রীর সফরে সেই আশা দ্রুত পূরণের ব্যাপারে কোনও সম্ভাবনা দেখা গেল না। তিস্তার বিষয়ে অগ্রগতি না হলেও ভারতকে ফেনী নদীর পানি দেয়ার জন্য সমঝোতাকে অনেকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন না। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে 'মানবিক কারণে' ভারতকে নদীর পানি দেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে পরে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বলেছেন, দুই প্রধানমন্ত্রী এখন অভিন্ন অপর ছয়টি নদীর পানি বণ্টনের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন। মনু, মুহুরী, খোয়াই, গোমতী, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি বণ্টনের খসড়া ফ্রেমওয়ার্ক অব ইন্টেরিম এগ্রিমেন্ট সুনির্দিষ্ট করতে তারা যৌথ নদী কমিশনের কারিগরি পর্যায়ের কমিটিকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়। সচিব জানান, ভারত-বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠকে পানি বণ্টন ছাড়াও রোহিঙ্গা সংকট, এনআরসি, বস্নু ইকোনোমি, যোগাযোগ, ব্যবসা ও বাণিজ্য, শিক্ষা, যুব উন্নয়ন ও সংস্কৃতি বিনিময় নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

তিস্তা ভারত-বাংলাদেশের দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা একটি ইস্যু। বলা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে দু'দেশের সম্পর্ক এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরাও প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক ধরে রাখতে চাই। কিন্তু সেটি কেবল একপক্ষীয় নয়, পারস্পরিক সুবিধার দেয়া-নেয়ার ওপর নির্ভর করে। তিস্তার পানি না পেয়ে ফেনীর পানি দেয়ার বিষয়টি সরকারের মানবিক আর কৌশলগত যে কারণই হোক না কেন, এটি দুই দেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। ভারতের উচিৎ এখান থেকে মানবতাকে অনুধাবন করা এবং প্রতিবেশী দেশের সমস্যাকে গুরুত্বসহকারে দেখে তা সমাধানে আন্তরিক হওয়া।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২১
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩৮৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.