নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯, ২৫ আশ্বিন ১৪২৬, ১০ সফর ১৪৪১
গ্লোবাল কমপেটিটিভনেস রিপোর্ট ২০১৯
বৈশ্বিক সক্ষমতা সূচকে ২ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ
ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে সুশাসনের অভাব : সিপিডি
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
বৈশ্বিক সক্ষমতা সূচকে বাংলাদেশের দুই ধাপ অবনতি হয়েছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্লোবাল প্রতিযোগিতা সূচকে বাংলাদেশ এ বছর দুই ধাপ পিছিয়ে ১৪১টি দেশের মধ্যে ১০৫তম অবস্থানে রয়েছে। ২০১৮ সালে ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৩তম। গতকাল বুধবার রাজধানীর পল্টনে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে 'গ্লোবাল কম্পেটিটিভনেস রিপোর্ট ২০১৯ এবং বাংলাদেশ বিজনেস এনভায়রনমেন্ট স্টাডিজ ২০১৯' শীর্ষক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে এসব তথ্য জানায় বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)।

সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, ১২টি সূচকের ভিত্তিতে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্লোবাল প্রতিযোগিতা সূচকটি তৈরি করা হয়েছে। এই ১২টি সূচকের মধ্যে সাতটিতেই খারাপ করেছে বাংলাদেশ। অদক্ষ জনশক্তি, প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহারের অভাব, ব্যাপকহারে দুর্নীতির প্রসার এবং আর্থিক খাতের অস্থিতিশীলতাই সক্ষমতা সূচকে অবনতির মূল কারণ। এছাড়া ব্যাংক ও পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোতে কর্পোরেট গভর্নেন্সের বা সুশাসনের অভাবও রয়েছে।

অনুষ্ঠানে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন সিপিডি'র গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন চতুর্মুখী চ্যালেঞ্জের মধ্যে আটকে আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্থিক খাতের অস্থিতিশীলতা। এছাড়া দুর্নীতির প্রসার আমাদের জাতীয় জিডিপি প্রবিদ্ধিকে ব্যাহত করছে। দেশের বেকারত্ব সমস্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরিত করতে না পারলে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার স্বপ্ন পূরণ নাও হতে পারে। এসব সমস্যা সমাধানে নীতিগত অনেক সংস্কারের প্রয়োজন আছে বলেও মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ। তিনি জানান, দেশের ব্যবসা দিনদিন পুঞ্জীভূত হয়ে যাচ্ছে। গবেষণা পত্রে শতকরা ৭৫ জন ব্যবসায়ী মনে করেন দেশের বড় ব্যবসায়ীরাই আর্থিক খাতকে নিয়ন্ত্রণ করছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। দুর্নীতির কারণে দেশের ব্যবসার ব্যয় বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে ব্যবসায়িক ঝুঁকিও। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, বেকারত্ব বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই ঝুঁকি আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। সঠিকভাবে কাজ করছে না ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল। শতকরা ৭৮ জন ব্যবসায়ী মনে করেন ব্যাংকিং সেক্টরের সমস্যা ২০১৯ সালে আর্থিক খাতে নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করবে। এছাড়া দেশের প্রকল্পভিত্তিক তথ্য আরও সহজ করাও দরকার।

অনুষ্ঠানে সিপিডি'র নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, বৈশ্বিক উন্নয়নের সাথে তাল মিলাতে হলে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সে অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। তিনি আরো জানান, অর্থনীতিতে প্রতিযোগিতার পরিবেশ সৃষ্টি না হলে মনোপলি বা একচেটিয়া ধারা অব্যাহত থাকে। এর মাধ্যমে ব্যবসা পুঞ্জিভূত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

সাংবাদিক সম্মেলনে জানানো হয়, গ্লোবাল কম্পেটিটিভনেস রিপোর্ট ২০১৯-এ সিঙ্গাপুর প্রথম অবস্থানে রয়েছে এবং এশীয় দেশগুলোর মধ্যে চীন আগের অবস্থান ধরে রেখেছে। এছাড়া ভিয়েতনাম, শ্রীলঙ্কা, কম্বোডিয়া ও নেপাল ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে ভারত আগের অবস্থান থেকে ১০ ধাপ এবং পাকিস্তান ৩ ধাপ পিছিয়ে যথাক্রমে ৬৮ ও ১১০ এ অবস্থান করছে। একটি দেশের অবস্থান বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য, দক্ষতা, পণ্য বাজার, শ্রম বাজার, আর্থিক ব্যবস্থা, বাজারের আকার, বাজারের গতিশীলতা, নতুন ধারণার আত্তীকরণ- এই ১২টি মানদ- ব্যবহার করেছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম। এসব মানদ-ের ভিত্তিতে ১০০ ভিত্তিক সূচকে সব মিলিয়ে এবার বাংলাদেশের স্কোর হয়েছে ৫২ দশমিক ১, গত বছরও বাংলাদেশের স্কোরে ৫২ দশমিক ১ ছিল। তবে অন্যান্য দেশ ভালো করায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬২৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.