নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর ২০১৯, ২৫ আশ্বিন ১৪২৬, ১০ সফর ১৪৪১
পাথর খনি বন্ধে বেকার লাখ লাখ শ্রমিক কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
কোম্পানীগঞ্জ (সিলেট) থেকে আব্দুল জলিল
পাথরের রাজ্য হিসেবে পরিচিত সিলেট জেলা। এই জেলারই সবচেয়ে বড় পাথর খনি অবস্থিত কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। যেখানে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ কাজ করত। যে কাজ করতে পারে না সেও নাকি এখানে দিনে ৩০০-৫০০টাকা উপার্জন করতে পারে। লাখো শ্রমিকের কর্মক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত ছিল এই কোম্পানীগঞ্জ। যেখানে ভোলাগঞ্জ, উৎমা, শাহ আরফিন কোয়ারীগুলোতে প্রতিদিন প্রায় কয়েক লক্ষ মানুষ কাজ করে তাদের জীবিকা নির্বাহ করত। কালের বিবর্তনে আধুনিকতার ছোঁয়ায় কোম্পানীগঞ্জের সবচেয়ে বড় পাথর খনি গুলো এখন বন্ধ। চোঁখের তৃপ্তি আর মনের সাধ মেটানোর জন্য ভোলাগঞ্জ আর উৎমা কোয়ারী দুটিও বন্ধ। ভোলাগঞ্জের পাথরের গুণগতমান এতটাই ভাল যে সমগ্র বাংলাদেশে এই পাথরের চাহিদা ছিল সবার আগে।

প্রতিদিন এই কোম্পানীগঞ্জ থেকে প্রায় ৩ লাখ সেফটি পাথর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেত। যা থেকে সরকার ও কয়েক লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করতে পারত। বিগত ৮ বছর থেকে পাথর কোয়ারীগুলো বন্ধ থাকায় সরকার হারাচ্ছে কোটি টাকার রাজস্ব আর শ্রমজীবী মানুষেরা হারিয়েছে তাদের কর্মক্ষেত্র। প্রায় ৭শত কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু মহাসড়ক যার কাজ প্রায় শেষের পথে। এই মহাসড়ক হওয়ার সাথে সাথে এলাকার মানুষেরও আশার পালে হাওয়া লেগেছে, সরকার হয়ত এবার শ্রমজীবী মানুষের দুঃখ দুর্দশার দিকে তাকিয়ে এবং সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব আয়ের কথা চিন্তা করে কোম্পানীগঞ্জের পাথর কোয়ারীগুলো খোলে দিবে। যে কোম্পানীগঞ্জকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ কর্মক্ষেত্র হিসেবে বেঁচে নিত সেই কোম্পানীগঞ্জের মানুষই এখন কর্মহীন হয়ে বসে আছে। একমাত্র শাহ আরফিন পাথর কোয়ারীটি সচ্ছল ছিল বলে ঐ অঞ্চলের লোকজন কিছুটা রুজিরোজগার করে দু'বেলা দুমুঠো খাবার খেয়ে বেঁচে থাকতে পারছে। কিন্তু গত ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে এই পাথর কোয়ারীটিও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। অত্র এলাকার লোকজনের বিকল্প কোন কর্মক্ষেত্র না থাকায় কর্মহীন হয়ে পড়েছেন কয়েক হাজার মানুষ। কিছু দিন পূর্বে বৃষ্টির সময় যখন এই কোয়ারী বন্ধ ছিল তখন প্রায়ই শুনা যেত ভোলাগঞ্জসহ অত্র এলাকায় বিভিন্ন জায়গায় চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপকর্মের কথা। শাহ আরফিন টিলা কোয়ারীটি সচল হওয়ায় এই ঘটনাগুলো কমতে শুরু করে। উপার্জনের উপায় না থাকলে মানুষ অসৎ উপায় বেচে নিতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এলাকার সচেতন মহল।

তাই ভোলাগঞ্জ, উৎমা, শাহ আরফিন সহ সকল পাথর কোয়ারীগুলোকে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের কর্মক্ষেত্র হিসেবে খুলে দিয়ে কোম্পানীগঞ্জকে আগের মত কর্মচাঞ্চল্যে ফিরিয়ে আনার জন্য আহ্বান জানান অত্র এলাকার ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ৫
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৪৬
এশা৮:১০
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৯৭৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.