নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৩০ ভাদ্র ১৪২৪, ২২ জিলহজ ১৪৩৮
পত্রিকায় লিখে লাভ নেই টাকার ভাগ অনেক দূর পৌঁছায়
ঘিওরের সাব-রেজিস্ট্রার
মানিকগঞ্জ থেকে আলো খান
মানিকগঞ্জের ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার সহ বিভিন্ন প্রকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে ঢাকায় বসবাস করে, সপ্তাহে ২ দিন অফিস করেন। এ ব্যাপারে কেউ প্রতিবাদ করলে তার পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তাদেরকে বিভিন্ন প্রকারে নাজেহাল করা হয়। ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে স্থানীয় ও জাতীয় পত্রিকায় তার দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নেয়ায় সে আরো বেপরোয়া হয়ে দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে। চর ঘিওর গ্রামের মৃত নোয়াব আলীর পুত্র মোঃ মোতালেব হোসেন পৈত্রিক সম্পত্তি ৩২ শতাংশ ভূমি তার স্ত্রী পুত্র কণ্যাকে দানপত্র দলিল করতে গেলে দলিল লেখক মোঃ আরশেদ আলী অতিরিক্ত ফিসহ ১৮০০০/- টাকা চুক্তি করেন। উল্লেখিত টাকার মধ্যে সাব-রেজিস্ট্রারকেই দশ হাজার টাকা উৎকোচ দিতে হবে। না দিলে স্যারে দলিলে সই করবেন না বলে দলিল লেখক জানান। এ ভাবেই অফিসের প্রকাশ্যে চলছে ব্যাপক দুর্নীতি আর মহা অনিয়ম। সরেজমিনে ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দেখা গেছে প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণ আর বে-আইনী কর্মকা-ের ওপেনসিক্রেট কারবার। যেন সরকারি এ অফিসটিতে নিয়মকানুনের কোন বালাই নেই। কিছু সংখ্যক দালাল দলিল লেখক নকলনবিশ আর সাব-রেজিস্ট্রারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা শক্তিশালী সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করছে ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।

ভুক্তভোগীরা জানান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জমির রেজিস্ট্রি করতে আসা লোকজনের নিকট থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। তার এই দুর্নীতিতে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। সাব-রেজিস্ট্রারকে ঘিরে এই অফিসের দালাল চক্র বিশেষ করে নকলনবিশ পলাশ সরকার, অবসরপ্রাপ্ত এক কর্মচারী লিয়াকত হোসেন ও অফিস সহকারী ফুলে ফেঁপে উঠেছেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে সরকারের নির্ধারিত ফিসের পরিবর্তে ফি স্টাইলে আদায় করা হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা পয়সা। গত ১১/১১/২০১৫ ইং তারিখে ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগাদান করেন মাইকেল মহিউদ্দীন আব্দুল্লাহ। ঘুষ দুর্নীতির মাধ্যমে সে কোটি টাকার মালিক বনে গেছেন। মোট কথায় ঘিওর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ ছাড়া কোন দলিল রেজিস্ট্রি হয় না। জমির দলিল, বায়না দলিল, মূল দলিল উত্তোলনসহ সব ধরনের কাজের জন্যই সরকার নির্ধারিত ফিসের বাইরে আলাদা ফি নেয়া হয়। ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, সাব-রেজিস্ট্রারের বেপরোয়া সিন্ডিকেটের হাত থেকে কেউ রেহাই পান না। সরকারি ছুটি ছাড়া তার নিজস্ব কর্মস্থলে থাকার কথা থাকলেও সে থাকেন না। সে একটি প্রাইভেটকার ঢাকা মেট্রো-গ২১-৮০৪৯ ভাড়া করে সপ্তাহে দুই দিন অফিস করে। সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দীন আব্দুল্লাহ ঘিওরে যোগদান করার পর থেকেই ঢাকা থেকে আসা যাওয়া করেন। এছাড়া দলিল দাখিলের পূর্বে সাব-রেজিস্ট্রারের যাচাই বাছাই করার কথা থাকলেও সে না করে ঐ অফিসে তার নিজস্ব একজন মাস্টার রোলের নকলনবিশ পলাশ সরকারকে দিয়ে করানো হয়। এ ব্যাপারে ঢাকার নিবন্ধন পরিদপ্তর (আই.জি.আর) নিয়ন্ত্রণ অফিসে যোগাযোগ করে জানা গেছে দলিল বিক্রেতার টিপসহি ও রশিদ ব্যতীত দলিলের যাবতীয় কাজকর্ম সাব-রেজিস্ট্রার নিজেরই করার কথা। কিন্তু কাউকে তোয়াক্কা না করে তার ইচ্ছামতো অফিস চালাচ্ছে। দুর্নীতি ও অনিয়মের জন্য অফিসে একটি গোপনীয় রুম রয়েছে, যেখানে সমস্ত অবৈধ লেনদেন চলে। তিনি ১২টার আগে অফিসে আসেন না, আবার ৩টার পরে কোন দলিলে সহি করেন না। মোটা অঙ্কের টাকা দিলে তার খাস কামড়ায় বসে দলিলে সহি করেন। দীর্ঘদিন যাবৎ ঘিওর উপজেলার জমি ক্রেতা ও বিক্রেতাগণ এই সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে সাব-রেজিস্ট্রার বলেন, পত্রিকায় লেখে লাভ নেই, টাকার ভাগ অনেক দূর পৌঁছায়।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২১
ফজর৪:৫৮
যোহর১১:৪৫
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬৮১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.