নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ৩০ ভাদ্র ১৪২৪, ২২ জিলহজ ১৪৩৮
দিল্লির প্রেসক্রিপশন ২০০৯
ছৈয়দ আন্ওয়ার
ভারত বন্ধুরাষ্ট্রের তকমা পেয়েছিল আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সহযোগিতা করে। কিন্তু দীর্ঘ চার দশকের পরিক্রমায় বিভিন্ন পরিস্থিতিতে ভারত বন্ধুত্ব বজায় রাখার দৃষ্টান্ত দেখাতে পারেনি। বরং বন্ধুত্ব বহাল রাখার আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টাকে বারবারই ভারত উপেক্ষা করেছে। এমনকি তাদের স্বার্থ উদ্ধারে আমাদের জাতীয় স্বার্থ বিঘি্নত করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা করেনি।

সর্ব সাম্প্রতিক মিয়ানমারে মোদির সফর এবং রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বরোচিত অত্যাচার ও গণহত্যার ব্যাপারে সুচির সরকারের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন আর যাই হোক বাংলাদেশের বন্ধুত্বের পরিচায়ক নয়। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশ এবং সাহায্য সংস্থা সুচির প্রতি নিন্দা জ্ঞাপন করছে এবং সেই সাথে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিয়ে বাংলাদেশের উদ্ভূত সংকটে বাংলাদেশের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, সেখানে প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের কূটচালকে উভয় দেশের বন্ধুত্বের দাবিদারেরা কোন বিবেচনায় নেবেন তা তাদের মর্জি। তবে সোজাসাপটা বোঝা সাধারণ জনগণই শুধু নয়, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতেও মোদি তথা ভারতের এই কূটনীতির প্রতি বাংলাদেশকে সতর্ক হওয়া উচিত। কেননা, প্রায় সারা বিশ্ব যেখানে মিয়ানমার সরকারের ন্যাক্কারজনক কাজের ধিক্কার জানাচ্ছে। সেখানে চীন নিজে মিয়ানমারকে সমর্থন তো দিচ্ছেই, আবার জাতিসংঘের সমর্থনের আহ্বান জানাচ্ছে। তাছাড়া আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, দু'দিন আগে ভুটানের দোকলামকে নিয়ে যে ভারত আর চীনের মধ্যে যুদ্ধের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিল, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সেই চীন আর ভারতের এক সুর আমাদের জন্য রীতিমতো আশঙ্কার। রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশকে ভবিষ্যৎ বিপর্যয়ে ফেলতে পারে। অথচ এমন শঙ্কাজনক বিপদের সময় ভারত এবং চীনের মতো দুটি বন্ধুরাষ্ট্রকে পাশে না পাওয়া নিঃসন্দেহে উদ্বেগের। তবে এ কথা ঠিক যে, কূটনীতির মূল উদ্দেশ্যই হলো_ নিজেদের স্বার্থ রক্ষা করা। তাই ভারত এবং চীন নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য মিয়ানমারের পক্ষ নিতে পারে। সুতরাং এই ঘটনা থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া দরকার যে, দিলি্লর প্রেসক্রিপশনকে আমরা কতটা কাজে লাগাবো? আরো জানতে হবে কূটনীতিতে কি আমরা পিছিয়ে?

পুনশ্চ : কিছু ঘটনা মানুষকে শিক্ষা দেয়। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের বোঝা এবং শেখার অবকাশ রয়েছে। দেশের স্বার্থকে বিকিয়ে দিয়ে অন্য দেশের সম্মান যোগানো কোনো রাজনৈতিক বিচক্ষণতা বা দূরদর্শিতার পরিচয় নয়।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৫
ফজর৪:৩৩
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৫
এশা৭:০৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৮সূর্যাস্ত - ০৫:৫০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৬৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.