নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৮ ভাদ্র ১৪২৬, ১২ মহররম ১৪৪১
ঝালকাঠিতে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রীকে যৌন কাজে বাধ্য করার ঘটনায় মামলা মা ও সৎ বাবা গ্রেফতার
বিশেষ প্রতিনিধি
ঝালকাঠিতে যৌন কাজে বাধ্য করার ঘটনায় মা ও সৎ বাবার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে উদ্বোধন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী। নারী শিশু আইনের ৭৮(১) ধারায় যৌন বিকৃতিতে উৎসাহ প্রদান এবং যৌন কর্ম করাতে বাধ্য করার অপরাধে এই মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ গত মঙ্গলবার রাতে শহরের

কালীবাড়ি সড়কে সৎবাবা কাজী আলমের বাসা থেকে ছাত্রীটিকে গর্ভবতী অবস্থায় উদ্ধার করেছে। একই সঙ্গে অভিযান চালিয়ে ছাত্রীর মা ছাহেরা বেগম কাজল ও তার দ্বিতীয় স্বামী কাজী মো. আলমগীরকে গ্রেফতার করে গতকাল বুধবার আদালতে সোপর্দ করেছে। আদালত ছাত্রীটিকে খালার জিম্মায় দিয়ে মা ও সৎ বাবাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

মামলার এজাহারে বাদী স্কুলছাত্রী উল্লেখ করে যে, আমার মায়ের ৫ বিয়ে। আমি আমার মায়ের প্রথম স্বামী ইউনুস হাওলাদারের সন্তান। এর মধ্যে দ্বিতীয় স্বামী কাজী মো. আলমগীর। ২/৩ বছর আগে মায়ের সাথে আলমগীরের ছাড়াছাড়ি হয়। এক পর্যায়ে মা এবং আলমগীর আমাকে যৌনবৃত্তিতে লিপ্ত হতে বলে। এতে আমি রাজি না হলে এ বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে বিভিন্ন এলাকার লোকজন এনে আমাকে যৌন কাজে বাধ্য করে তারা। এক পর্যায়ে আমি ৬ মাসের গর্ভবতী হয়ে পড়ি। তাই ১ মাস পূর্বে তারা আমার পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে শহরের মৌমিতা ক্লিনিকে নিয়ে যায়। কিন্তু ক্লিনিক আমার পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে রাজি না হলে আসামি কাজী মো. আলমগীর তার বাসায় আমাকে নিয়ে আসে। গত ৯ সেপ্টেম্বর তারিখ রাত ৮ টার দিকে আমার মা তার সাথে উকিল খান শহিদুল ইসলামকে নিয়ে কাজী আলমগীরের বাসায় এসে ৭ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তারা আমার পেটের বাচ্চা আলমগীরের মাথায় চাপিয়ে দেয়ার হুমকি দেয়। এসময় কাজী আলমগীর টাকা দিতে অস্বীকার করে ঘটনাটি পুলিশকে অবগত করলে বিষয়টি জানাজানি হয় বলে এজাহারে ছাত্রীটি উল্লেখ করে। পুলিশ ঐ রাতেই ছাত্রীটিকে সেই বাসা থেকে উদ্ধার করে তার মা ও দ্বিতীয় স্বামীকে আটক করে।

গতকাল বুধবার পুলিশ মামলার বাদী ছাত্রীটিকে নিয়ে আসামি মা ছাহেরা বেগম কাজল ও তার দ্বিতীয় স্বামী কাজী মো. আলমগীরকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে। আদালত ছাত্রীটিকে তার খালার জিম্মায় পাঠিয়ে আসামি দু'জনকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. গোলাম ফরহাদ বলেন, মেয়েটি যে গর্ভবতী তা আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২১
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২৩২.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.