নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২৮ ভাদ্র ১৪২৬, ১২ মহররম ১৪৪১
চরফ্যাশন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে মিটার সাপ্লাই ও সংযোগের নামে হয়রানি
ভোলা প্রতিনিধি
ভোলার চরফ্যাশন পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের অধীনে শশীভূষণ সাব-স্টেশন অফিসের মিটার সাপ্লাই ও সংযোগ স্থাপনের নামে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি ভেলকিবাজির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ভুক্তভোগীরা এসে সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যুতের

মিটার ও সংযোগ পেতে গ্রাহকরা মাসকে মাস হয়রানি ও ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তবে অভিযোগের তীর শশীভূষণ সাব-স্টেশন অফিসের লাইনম্যান মানিকের দিকে। এসব অনিয়ম দেখার যেন কেউ নেই। এলাকার সূত্রে ও শশীভূষণ থানাধীন দক্ষিণ চর মঙ্গল গ্রামের ভুক্তভোগীরা জানান, তাদের কাছ থেকে বৈদ্যুতিক তার লাগানোর কথা বলে ২০০০ টাকা করে প্রতি গ্রাহকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা কালেকশন করে দালাল বাজার সরকারি প্রা. বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক আলী হোসেন মাস্টারের কাছে প্রদান করে। মিটার পাওয়ার জন্য ১৪০০ টাকা করে প্রতি গ্রাহকদের কাছ থেকে চাঁদা তোলা হয়। এসব চাদা তোলেন ইছমাইল, শাহীন মাষ্টার, ইব্রাহীম চৌকিদার। মোট ১৩৫টি মিটার শশীভূষণ সাব স্টেশন অফিসের মিটারের আবেদন করার পর মিটার পেতে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয় গ্রাহকদের। আঃ ওদুদ মিয়ার ছেলে ইছমাইল জানান, ৪৫টি মিটার লাগাতে বিদ্যুত অফিসের লাইনম্যান মানিক অতিরিক্ত ৯০০০ টাকা দাবি করে। আমরা বাধ্য হয়ে প্রতিটি মিটারের জন্য ২০০ টাকা করে প্রদান করলে সে আমার ৪৫টি মিটার লাগিয়ে দেয়। প্রতিটি মিটারের জন্য ২০০ টাকা করে না দিলে বাকি ৯০টি মিটার লাগাবেনা বলে লাইনম্যান মানিক ইছমাইলকে সাফ জানিয়ে দেয়। এছাড়া বেশ কয়েকটি সিএমও হওয়া মিটার লাগানোর অপেক্ষায় পড়ে আছে। এসব মিটারের সেবা প্রত্যাশী গ্রাহকরা মাসের পর মাস অফিসে আসে আর যায়। তাদের শুধু আজকাল করে ঘুরানো হচ্ছে। লাইনম্যান মানিকের এসব দুর্নীতির কারণে গ্রাহকদের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে বলে সূত্রে জানা যায়।

ইছমাইল আরো জানান, পল্লী বিদ্যুৎ লাইনের গাছ কাটার আশ্বাসে খরচ বাবদ কিছু টাকা দাবী করেন। টাকা না দিলে গাছ কাটবে না বলে লাইনম্যান মানিক তাদেরকে সাফ জানিয়ে দেন।

জানা যায়,আবেদন করার সাত দিনের মধ্যে গ্রাহকের বিদ্যুতের মিটার ও সংযোগ স্থাপন নিশ্চিত করার নিয়ম থাকলেও এখানে চলে যায় বছরের পর বছর। এসব দালালদের কারসাজিতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। বিদ্যুৎ অফিসকে দালালমুক্ত করতে চাইলেও এসব দালালদের জন্য সম্ভব হয়ে ওঠে না। এসব চিত্র শুধু ওই এলাকায়ই নয়, চরফ্যাশন উপজেলায় বিভিন্ন এলাকায় ঘটেই চলেছে। দেখার যেন কেউ নেই। লাইনম্যান মানিককে মুঠোফোনে বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি উত্তেজিত কন্ঠে বলেন, গ্রাহকদের চিনিনা এবং এ বিষয়ে কিছুই জানি না বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।

এ ব্যপারে ভোলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, বাংলাবাজার, ভোলা অফিসের জি.এম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, মিটারের টাকার ব্যপারে আমি কিছু জানিনা। কিন্তু এমন কর্মকান্ডে যদি আমার কোন কর্মকর্তা কর্মচারি জড়িত থাকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে তাদের ব্যপারে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো এবং গ্রাহকদের বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। ভোলা পল্লী বিদ্যুৎসমিতির চরফ্যাশন জোনাল অফিসের এ.জি.এম বলেন, যদি কেউ টাকা চায় তাকে ধরে থানায় সোপর্দ করার জন্য অনুরোধ করছি।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২১
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২৫১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.