নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১০ আগস্ট ২০১৯, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ৮ জিলহজ ১৪৪০
ভৈরবে দেশি গরুতে জমজমাট কোরবানির পশুর হাট
বিক্রেতাদের লোকসানের আশঙ্কা
ভৈরব থেকে জয়নাল আবেদীন রিটন
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে দেশি গরুতেই জমজমাট ভৈরবের পশুর হাট, উঠেছে অল্পকিছু ভারতীয় গরুও। তবে কোরবানির জন্য দেশি গরুর চাহিদা বেশি। গতবারের চেয়ে দাম বেড়েছে, ক্রেতারা যাতে রুগ্ন পশু কিনে না ঠকে প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে পশুর হাটে করছে তদারকি। এবার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য ক্রেতা বিক্রেতা বেশ সন্তুষ্ট।

গরু ছাগল ও মহিষের দাম একটু বেশি হলেও ক্রেতা সাধারণের ক্রয় ক্ষমতার সাধ্যের মধ্যে রয়েছে বলে মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তবে লোকসানের আশংকা করছেন গরু বিক্রেতারা।

ভৈরবে ১০৫টি গ্রামের প্রায় তিন সহশ্রাধিক খামারের মাধ্যমে ১১ হাজার গরু লালন পালন করা হয়। এবার ১০টি স্থায়ী হাট ও অস্থায়ী আরো ৮টি হাটের মাধ্যমে গরু কেনা বেচা হবে । উপজেলার প্রথম গরুর হাট জমে শিমুলকান্দিতে। গত বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র, শনি ও রোববার পর্যন্ত এক নাগারে ৪দিন জমবে ভৈরবে ৮টি হাটে। পার্শবর্তী জেলা উপজেলা থেকেও সকল ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা আসেন এই সকল হাটে কুরবানীর গরু কিনতে। এখানকার হাটগুলোতে ৯০ শতাংশ গরু দেশি। বাকী ১০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে ভারতীয় গরু ও মহিষ। হাটে বেচা বিক্রিও ভালই হচ্ছে। ক্রেতাদের কাছে কৃষকদের নিজেদের পালন করা মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি এমনটাই দেখা গেছে কুরবানীর পশুর হাট ঘুরে। আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুরের মো. সোহাগ মিয়া বলেন, আমি ৫ টা গরু নিয়ে আসছি। বাজার তেমন ভাল মনে হচ্ছেনা। বেচা কেনা কম। মনে করেছিলাম ৫টা গরু ঈদ বাজারে বিক্রয় করে ছেলে মেয়ে নিয়ে একটু ভাল ভাবে চলতে পারব। এখন গরু বাজারও মন্দা।

নরসিংদীর রায়পুরা এলাকার গরু বিক্রেতা মো. গনি মিয়া বলেন, আমি এ বাজারে দশটি গরু নিয়ে আসছি। এখনো পর্যন্ত কোন ক্রেতা আমার গরুর দামও বলেনি। বাজার দেখে মনে হচ্ছে গরুর বাজার এবার খুব একটা ভাল যাবেনা। লোকসানের আশঙ্কা করছি। ভৈরবের আগানগরের গরু বিক্রেতা রাসেল মিয়া বলেন, আমি প্রতি বছরই ঈদের বাজারে গরু বিক্রয় থাকি। সব সময় কিছু না কিছু লাভ হয়। আজও নয়টি গরু নিয়ে আসছি। এখনো পর্যন্ত বেচা কেনা করতে পারিনি। তবে আশা করছি বাজারে ক্রেতা সংখ্যা বাড়লে বেচাবিক্রি হবে।

রায়পুরার আলগি বাজার থেকে আসা গরু বিক্রেতা আসাদ মিয়া বলেন, আমি পাঁচটি গরু নিয়ে এসেছি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে। গরুর খাবার খরবুষির দাম অনেক বেশি। মনে হয় হয় গরু বিক্রয়ে লোকসান গুণতে হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৮
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৫সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৪৩৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.