নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১০ আগস্ট ২০১৯, ২৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ৮ জিলহজ ১৪৪০
জনতার মত
পথশিশুদের ঈদ-আনন্দ
প্রকাশ ঘোষ বিধান
সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা ঈদের আনন্দে সামিল হতে হতাশা ভরা মুখ নিয়ে খুঁজে ফিরে একটু সহানুভূতি। সমাজের অবহেলিত ছেলেমেয়েরা বিত্তবানদের পানে চেয়ে থাকে আশাতুর চোখে। বিত্তবানদের একটু সহযোগিতা পেলে পথশিশুদের হতাশা ভরা মুখ হাসিতে ভরে ওঠে। তারা ভাসমান, তারা ঠিকানহীন, পথই তাদের ঠিকানা, জন্ম তার পথে, তাই হয়তো বা তাদের নাম হয়েছে পথশিশু। এখন সমাজে পথশিশু নামটি ব্যাপক পরিচিত। তাদের ঈদের এই দিনটি কাটে বিত্তবানদের দয়ার উপর। পথশিশুদের ঈদ যেন পথে না হয়।

মুসলমানদের বড় দুটো ধর্মীয় উৎসবের একটি হলো ঈদুল আজহা। যা কোরবানির ঈদ নামে পরিচিত। আরবি ঈদুল আজহা এর আভিধানিক অর্থ হলো ত্যাগের উৎসব, আর আরবি 'কোরবানি' শব্দের অর্থ যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। শব্দটি আবার ত্যাগ করা, বিসর্জন দেয়া ও উৎসর্গ করা অর্থ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। ঈদুল আজহার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো আল্লাহর নামে কোরবানি করা। পশু যবেহ করার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায় বলে এ পশু যবাইকেই কোরবানি বলা হয়। নিয়ম অনুসারে কোরবানির গোশত ৩ ভাগ করে। একভাগ কোরবানিদাতা, একভাগ আত্মীয়স্বজন ও বাকি একভাগ গরিবদের মাঝে বিতরণ করতে হবে।

আমরা জানি ঈদ মানে খুশি, ঈদ মানে আনন্দ। ঈদের আনন্দ একার নয়, যে খুশি ছড়িয়ে যাবে সবার মাঝে। ধনী-গরিব কোনো ব্যবধান নয়। সবার মাঝে আনন্দ ভাগাভাগি করে তা হবে মহাআনন্দের উৎসব। যে খুশির কোনো সীমানা থাকবে না। আমাদের সমাজে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা রয়েছে। যারা আজ পথশিশু হিসাবে পরিচিত। তাদেরও ঈদ আছে। রাজধানীসহ সারাদেশে কয়েক লাখ পথশিশু রয়েছে। তারা পরিবার বা পরিবারহীন ভাসমান জীবনযাপন করে। বিআইডিএস ও ইউনিসেফের এক গবেষণা মতে, দেশে ৯ লাখ ৭৯ হাজার ৭২৮ জন পথশিশু রয়েছে। যাদের ৮০ ভাগেরই জন্ম হয় পথে। তাদের বেড়ে ওঠা ও বসবাস ফুটপাতে। স্বজনহারা অনেক শিশু শহরে এসে এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে। তাদের পথই ঠিকানা। যাদের দেখভাল করার কেউ নেই। তাদের দিন কাটে অন্যের দয়ার উপর। অবহেলা-অযত্নে বেড়ে ওঠা এই শিশুদের 'টোকাই, ছিন্নমূল বা পথশিশু' বলা হয়। এরাও আমাদের এই সমাজেরই সন্তান।

আমাদের সমাজে প্রচুর ধনী ব্যক্তি আছেন। তারা নিজের জন্য অনেক খরচ করেন। ঈদ নিজের বচ্চাদের কেনাকাটায় প্রচুর অর্থ ব্যয় করেন। যদি পথশিশুদের কথা একটু ভেবে নিজের প্রচুর কেনাকাটার মধ্য থেকে একটু খরচ বাঁচিয়ে পথশিশুদের মাঝে বিলিয়ে দেয়া সম্ভব হয়, তবে পথশিশুরাও ঈদ আনন্দে মেতে উঠতে পারবে। পথশিশুদের মুখে হাসি ফুটাতে বেশি অর্থের প্রয়োজন হয় না। শুধু প্রয়োজন একটু সহযোগিতাপূর্ণ মনভাব। পথশিশুরা আমাদের সমাজের সন্তান। তারা আমাদের ভালোবাসার দাবিদার। এসব পথশিশুদের পিতা-মাতাসহ পরিবার পরিজন চরম দারিদ্র্যসীমার নিচে মানবেতর জীবনযাপন করে। এদের অনেকের সংসার চলে ভিক্ষার উপর। আমরা সবাই মানুষ। আমাদের কর্তব্য ও দায়িত্ব রয়েছে, তাই মানুষের কল্যাণে বিত্তবানদের সাহায্য করার হাত বাড়াতে হবে। আশপাশে পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের প্রতি আর্থিক ও সার্বিক সহযোগিতা দিতে হবে। যাতে তাদের মধ্যে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে। পথশিশুদের ঈদ যেন পথে-পথে না হয়।

প্রকাশ ঘোষ বিধান : লেখক

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ১৬
ফজর৪:২৯
যোহর১১:৫৪
আসর৪:১৯
মাগরিব৬:০৫
এশা৭:১৮
সূর্যোদয় - ৫:৪৫সূর্যাস্ত - ০৬:০০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৯১৯৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.