নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৮ জুলাই ২০১৭, ৩ শ্রাবণ ১৪২৪, ২৩ শাওয়াল ১৪৩৮
মৌসুমি রোগ মোকাবিলায় উদ্যোগ নিন
রাজধানীসহ কয়েকটি শহরে এ বছর চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। রয়েছে ডেঙ্গুর ভয়। সরকারের মন্ত্রী থেকে সিটি করপোরেশনের মেয়র পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট অনেককেই বারবার রীতিমতো কৈফিয়ত দিতে হয়েছে। জাতীয় সংসদেও বিষয়টি উত্তাপ ছড়িয়েছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অব্যাহত চেষ্টায় রোগ দুটির প্রকোপ কিছুটা কমেছে বলে জানা যায়। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন ঢিমেতালে কার্যক্রম চললে অদূর ভবিষ্যতে অনেক রোগই বাংলাদেশে মহামারি আকারে দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতামত ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো কর্তৃপক্ষীয় দৃষ্টি পাওয়ার যথেষ্ট দাবি রাখে।

বিজ্ঞানীরা অনেক আগে থেকেই সতর্ক করে আসছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে বেশ কিছু রোগ মহামারি আকারে দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে কীটপতঙ্গ ও পানিবাহিত রোগ। এ বছর মার্চ-এপ্রিল থেকেই বর্ষার মতো দীর্ঘ সময় ধরে বৃষ্টি হয়েছে। এতে মশার প্রজনন ও বিস্তার অনেক বেশি হয়েছে। মানুষের অসচেতনতা তাতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। পরিত্যক্ত প্লাস্টিকের কৌটা, পুরনো টায়ার, ডাবের খোল এমনি অনেক পাত্রে জমা পানি এডিস মশার প্রজনন বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার বেশি ঘটেছে। সেই সঙ্গে ওয়াসা ও সিটি করপোরেশনের ব্যর্থতার কারণে নগরীর জলাবদ্ধতা বাড়ছে। সঙ্গে মশার আক্রমণও বাড়ছে। অঞ্চলভেদেও মশা-মাছিবাহিত আরো কিছু রোগের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব রয়েছে। তার মধ্যে পার্বত্য জেলাগুলোসহ দেশের ১৩টি জেলায় ম্যালেরিয়ার ব্যাপকতা রয়েছে। কিছু জেলায় আরেকটি মশাবাহিত রোগ ফাইলেরিয়ার প্রকোপ রয়েছে। বেলেমাছিবাহিত কালাজ্বরের প্রকোপ রয়েছে বেশ কিছু জেলায়। এ সবই নিয়ন্ত্রণে দ্রুত উদ্যোগ নিতে হবে। বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, ডায়রিয়া ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বাড়তে পারে যক্ষ্মার প্রকোপও। জুনোটিক ডিজিজ বা প্রাণী থেকে মানুষে ছড়ায় এমন আরো অনেক রোগ আশঙ্কাজনক পর্যায়ে চলে আসতে পারে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত এমন স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় আমাদের প্রস্তুতি আরো জোরদার করতে হবে।

জলবায়ুর পরিবর্তন ঠেকানোর কোনো কৌশলও আমাদের হাতে নেই। বিজ্ঞানীরা যেসব আশঙ্কার কথা বলছেন, সেগুলো তাঁরা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই বলছেন। সেগুলোকে গুরুত্ব না দেয়া হবে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার মতো। বিপদ মাথার ওপর আছড়ে পড়ার পর সচেতন হলেও খুব বেশি লাভ হয় না। তাই আগে থেকেই সম্ভাব্য বিপদ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২৮
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:২৬সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩৯৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.