নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৮ জুলাই ২০১৭, ৩ শ্রাবণ ১৪২৪, ২৩ শাওয়াল ১৪৩৮
প্রবাসে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু বাড়ছে
স্টাফ রিপোর্টার
দেশের ৩টি বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৮ থেকে ১০ জন অভিবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃতদেহ দেশে আসে। প্রবাসে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। সরকারি হিসেবে, প্রতিদিন দেশে আসছে অন্তত ১০ প্রবাসী শ্রমিকের মরদেহ। সংশ্লিষ্ট দেশের পক্ষ থেকে, মৃত্যুর কারণ হিসেবে হার্ট এটাক, স্ট্রোক কিংবা দুর্ঘটনা বলা হলেও, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রকৃত কারণ জানা যায় না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিরাপদ কর্ম পরিবেশ, আর্থিক ঋণ, খাদ্যাভ্যাসসহ মানসিক চাপই মৃত্যুর কারণ। কর্মস্থলে নিরাপত্তা সুরক্ষার পাশাপাশি কাজের শর্ত সম্পর্কে কর্মীকে আগেই অবহিত করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।

সরকারি পরিসংখ্যান মতে, ২০০৫ সালে ১ হাজার ২৪৮টি মরদেহ দেশে আসলেও, ২০০৯ সালে এ সংখ্যা দ্বিগুণ এবং বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩ গুণ। গত এক যুগে প্রবাসী কর্মীর মরদেহ আসার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৪৬৭ তে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রবাসে মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। রামরুর রিসার্চ ফেলো জালাল উদ্দিন শিকদার বলেন, জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী আমাদের প্রায় ৫ হাজারের মতো শ্রমিক বিভিন্ন দেশে মৃত্যুবরণ করছেন। দেখা যায়, এক-তৃতীয়াংশ লাশ কিন্তু দেশে আসে না।

এসব হতভাগ্য শ্রমিকের মরদেহের সাথে পাঠানো 'ডেথ সার্টিফিকেটে' মৃত্যুর কারণ হিসেবে হৃদরোগ, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ কিংবা সড়ক দুর্ঘটনা উল্লেখ করা হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ঋণের বোঝা, বিরূপ কর্মপরিবেশ আর মানসিক চাপেই মৃত্যু ঘটছে এই প্রবাসী বাংলাদেশিদের।

অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের চেয়ারম্যান শাকিরুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের গবেষণায় একজন মৃত নারী অভিবাসী কর্মীর মায়ের মন্তব্যকে যদি উদ্ধৃত করি, আমার মেয়ে মারা যাওয়ার কয়েকদিন আগেও তার সঙ্গে আমার কথা হয়েছে এবং সে কখনো বলে নাই যে, সে অসুস্থ। সুতরাং একজন মা এইটা সন্দেহ করছেন যে, তার মেয়ে হয়তো এই রোগে মারা যায় নাই।'

এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সি আর আবরার বলেন, 'এক্ষেত্রে এগুলোকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে রাষ্ট্রের কিছু করণীয় নেই এটা আমি মনে করি না।' বিদেশ যাওয়ার আগে, যথাযথ প্রশিক্ষণ নেয়া আর অভিবাসন নীতিমালা অনুসারে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও চাকরির শর্ত সম্পর্কে কর্মীদের অবহিত হয়ে নেয়ার তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

তবে, সংশ্লিষ্ট দেশের কর্মপরিবেশ জেনেই কর্মীদের চাকরির ব্যবস্থা করার কথা জানান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জাভেদ আহমেদ।

তিনি বলেন, 'ব্যক্তিগত চুক্তিপত্রে কিন্তু নিরাপত্তার বিষয়গুলো উল্লেখিত। এগুলো দেখেই আমাদের কর্মীরা স্বাক্ষর করেই যায়, ওগুলো দেখি আমরা।'

অভিবাসন নীতিমালা সম্পর্কে প্রবাসী কর্মীদের আরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২৮
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:২৬সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩৬৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.