নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৮ জুলাই ২০১৭, ৩ শ্রাবণ ১৪২৪, ২৩ শাওয়াল ১৪৩৮
ফুলপুরে কংশ নদীর ব্যাপক ভাঙন
ফুলপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
'দুই বছরের মধ্যে তিনবার ঘর সরাইছি। অহন হিরাবার নদীর মধ্যে পইরা যাইতাছে। রাইত অইলে হুত্তারিনা। হজাগ তাহন লাগে। কোন সময় ঘর ভাইস্যা যায়। আমরা কোন টেহা পইসা চাই না। নদীডাত বাঁধ দিয়া ভাঙনডা ফিরাইয়া দেইন। সরকারের কাছে এইডাই আমরার দাবি'। দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধির কাছে এ কথাগুলো বলছিলেন, ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ঠাকুর বাখাই গ্রামের কংশের ভাঙনে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসকারী গৃহবধু সুফিয়া খাতুন।

এলাকাবাসী জানান, কংশ নদীতে গত কয়েক বছরে চর পড়ে অনেক দুর সরে গিয়ে ফুলপুর ইউনিয়নের ঠাকুর বাখাই গ্রামে প্রবেশ করে ভাঙন অব্যাহত রেখেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এতে এ গ্রামের সরচাপুর বাজার সংলগ্ন এলাকায় কিছু দিনের মধ্যে অর্ধশত লোক গৃহহীন হয়ে পরেছেন। আরও ৩০ টি পরিবার হুমকিতে রয়েছেন।

অসংখ্য মানুষ হয়েছেন জমি হারা। বধ্যভূমির শহীদ মিনারটিও হুমকির মধ্যে রয়েছে। ঘর রক্ষার এ দাবি নিয়ে মঙ্গলবার বাখাই গ্রামের ৪০/৫০ জন নারী পুরুষ ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরীর কাছে এসেছিলেন। তিনি তাদের কথা শুনে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট প্রস্তাবনা পাঠাবেন বলে আশ্বস্ত করেন। স্থানীয় সার ডিলার গোলাম মোর্তুজা লাল মিয়া তালুকদার জানান, এখানে ভাঙনে ভূমি ও গৃহহীন হয়ে অর্ধশত পরিবার বর্তমানে পাশের সরকারি জায়গায় আশ্রয় নিয়েছে।

অপর দিকে ফুলপুর-হালুয়াঘাট সিমান্তবর্তী থেকে কংশ নদী সরে ভাঙনে ফুলপুর ইউনিয়নের বাশতলা গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার ভিতরে প্রবেশ করেছে। এতে ঐতিহ্যবাহী ডেফুলিয়া বাজার বিলীন হয়ে গেছে। পাশের কংশ ও খড়িয়া নদীর সংযোগ স্থলের বাশতলা উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ধ্বংসের পথে রয়েছে। শতাধিক পরিবার গৃহহীন হয়ে অন্যত্র সরে গেছেন। আরও শতাধিক পরিবার হুমকিতে রয়েছেন। অসংখ্য মানুষ হয়েছেন ভূমিহীন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান খোকা অভিযোগ করে বলেন, কোন প্রয়োজন ছাড়াই পানি উন্নয়ন বোর্ড পার্শ্ববর্তী খড়িয়া নদীর তলায় সস্নুইসগেট করে প্রায় দেড় কোটি টাকা জলে ফেলেছে। অথচ বারবার দাবি জানালেও আমাদের কাজ হচ্ছে না। ফুলপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, বাঁধ নির্মাণ ও খনন করে নদীর গতিপথ পরিবর্তন না করলে সমস্যার সমাধান হবে না। এজন্য সংসদ সদস্য শরীফ আহমেদ ও সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং সাহেবের ডিউ লেটার নেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাশেদ হোসেন চৌধুরী ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। তিনি জরুরি ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডে প্রস্তাবনা পাঠাবেন বলে জানিয়েছেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২৮
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:২৬সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩৫৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.