নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১২ জুলাই ২০১৯, ২৮ আষাঢ় ১৪২৬, ৮ জিলকদ ১৪৪০
অপ্রতিরোধ্য ধর্ষণচিত্র!
দেশে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেই চলেছে। শিশু-কিশোর-শিক্ষার্থীরাও ধর্ষণের শিকার! ঘরের বাইরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও যেন এখন নিরাপদ নয়। ঘরও এখন যেন নিরাপদ নয় শিশুদের জন্য। রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের শিশু সায়মা প্রতিদিনের মতো খেলতে গিয়েছিল। সন্ধ্যায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। পরে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে জানা যায়, শিশুটিকে গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল। শিশু সায়মাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় প্রতিবেশী এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। নারায়ণঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অঙ্ফোর্ড হাই স্কুলের ছাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণা ও ধর্ষণের অভিযোগে আশরাফুল আরিফ নামের এক শিক্ষককে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন। ওই শিক্ষককে মদদ দেয়ার অপরাধে প্রধান শিক্ষককেও আটক করা হয়। সিদ্ধিরগঞ্জে ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ৩ জুলাই দুপুরে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে এক বাক্প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পার্বতীপুর পৌর মেয়রসহ ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার সব আসামির শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ও এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করা হয়েছে। ধর্ষণ এক জঘন্য অপরাধ। ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীদের সারাটি জীবন অন্তহীন মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। আবার ধর্ষণের বিচার চাইতে গিয়েও নতুন করে নির্যাতিত হতে হয়। যেমন ঘটেছিল নুসরাত জাহান রাফির ক্ষেত্রে। তেমন ঘটনারই পুনরাবৃত্তি যেন ঘটল কুষ্টিয়ার খোকসায়। সেখানে এক কিশোরীকে ধর্ষণের চার দিন পর গ্রাম্য সালিসে কয়েক শ লোকের সামনে মেয়েটির কাছ থেকে ঘটনার বর্ণনা শোনা হয়েছে। এ সময় তাকে নানা প্রশ্ন করে বিব্রত করা হয়। একটি মহল সালিসের ভিডিও করে এলাকায় মোবাইল ফোনে ছড়িয়ে দেয়। এ কোন সমাজ আমাদের? প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য বলছে, দেশে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা মামলাগুলোর মধ্যে মাত্র ৩ শতাংশ মামলায় অপরাধীর সাজা হয়। আইনে দ্রুত সময়ের মধ্যে বিচার সম্পন্ন হওয়ার কথা বলা হলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিচার পেতে ভিকটিমকে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। বিচার না হওয়া কিংবা বিচারের দীর্ঘসূত্রতা কি অপরাধীদের উৎসাহিত করছে? আমরা চাই ধর্ষণের সব মামলার বিচার দ্রুততম সময়ে করা হোক। দ- কার্যকর করা হোক দ্রুততম সময়ে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২২
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৭৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.