নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১২ জুলাই ২০১৯, ২৮ আষাঢ় ১৪২৬, ৮ জিলকদ ১৪৪০
ঈদের আগেই হঠাৎ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম
স্টাফ রিপোর্টার
অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে পেঁয়াজের দর। কয়েকদিনের ব্যবধানে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁয়াজ। রাজধানীর খুচরা বাজারে ২৫ টাকার ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। ৩০ টাকার দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৫৫ টাকায়। পেঁয়াজ বাজারের এ অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আগামী সপ্তাহে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকে বসছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

পেঁয়াজের দাম বাড়ার চিত্র সরকারি সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) দৈনিক বাজার মূল্য তালিকায়ও দেখা গেছে। তালিকা অনুযায়ী এক সপ্তাহ আগে যেখানে দেশি পেঁয়াজের দাম ছিল ২৫-৩০ টাকা, গতকাল বুধবার সেটা বিক্রি হয়েছে ৪৫-৫০ টাকায়। আমদানি করা পেঁয়াজের দাম এক সপ্তাহ আগে ছিল ২৮-৩৫ টাকা। বুধবার তা বিক্রি হয়েছে ৪০-৪৫ টাকায়।

ক্রেতাদের অভিযোগ, কোরবানির ঈদ সামনে রেখে কারসাজি করে পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তবে পেঁয়াজ ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা বলছেন, পেঁয়াজ রপ্তানিতে ভারত প্রণোদনা তুলে নিয়েছে। অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টিতে পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ায় প্রভাব পড়ছে দামে।

হঠাৎ করে পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীলতার বিষয়ে বাণিজ্য সচিব মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, যে কোনো মূল্যে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হবে। পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়াতে আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হবে। এ জন্য এক সপ্তাহের মধ্যেই পেঁয়াজ আমদানিকারক, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

তিনি বলেন, মূলত ভারত থেকেই পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করা যায় কি না সেটাও ভেবে দেখা হবে। তিনি আরো বলেন, অফ সিজনে যে কোনো পণ্যের দাম একটু বাড়ে। তবে চেষ্টা করব কোরবানির ঈদে পেঁয়াজের বাজার যেন নিয়ন্ত্রণে থাকে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বছরে ২৪ লাখ টন পেঁয়াজের চাহিদা রয়েছে। কোরবানির ঈদে বাড়তি প্রায় দুই লাখ টনের চাহিদা তৈরি হয়। মোট চাহিদার প্রায় ১৭ লাখ টন দেশে উৎপাদিত হয়। বাকি সাত লাখ টন ভারত থেকে আমদানি করা হয়।

এনবিআরের তথ্য মতে, চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় ৯ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে। সে হিসাবে পেঁয়াজ ঘাটতি হওয়ার কথা নয়। কিন্তু পেঁয়াজের চাহিদা এবং সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও একশ্রেণির ব্যবসায়ীর অনৈতিক তৎপরতায় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে পেঁয়াজের দাম। ফলে সাধারণ ক্রেতাদের অসহনীয় দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। মূলত বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে এ খাতের গুটিকয়েক সিন্ডিকেট। অতিরিক্ত গরম ও বৃষ্টিতে পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার উছিলায় পেঁয়াজের দাম বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তাই ক্রেতাদের বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে।

জানা গেছে, ব্যবসায়ীরা মূলত ভারত থেকেই পেঁয়াজ আমদানি করেন। এ ছাড়া মিসর, চীনসহ কয়েকটি দেশ থেকেও খুব কম পরিমাণে পেঁয়াজ আমদনি হয়। তবে আমদানিতে সময় বেশি লাগায় ব্যবসায়ীরা মিসর থেকে পেঁয়াজ আমদানি করতে আগ্রহ দেখান না। পেঁয়াজের দাম বাড়ার বিষয়ে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের পাশাপাশি সারাবছর পেঁয়াজের দাম নাগালের মধ্যে রাখতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিতে ২০-২৫ টাকা বেড়ে যাওয়া অযৌক্তিক। ভোক্তার স্বার্থে বাজার মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২২
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৭৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.