নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১২ জুলাই ২০১৯, ২৮ আষাঢ় ১৪২৬, ৮ জিলকদ ১৪৪০
এলএনজি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় গ্যাসের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে
এফএনএস
হঠাৎ করেই দেশে তীব্র গ্যাস সঙ্কট দেখা দিয়েছে। আর এ পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছে আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহকরা। গ্যাস সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে শিল্প উৎপাদন। মূলত সাগরে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি পাইপলাইনে সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে গ্যাস বিতরণ পর্যায়ে বড় ধরনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। পেট্রোবাংলা সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বর্তমানে পেট্রোবাংলা ও সামিটের প্রতিদিন ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহের সক্ষমতা থাকলেও প্রয়োজনীয় পাইপলাইন নির্মিত না হওয়ায় প্রায় ৬০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছে। দুই কোম্পানিরই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট-এফএসআরইউ) কঙ্বাজারের মহেশখালী উপকূলে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। সাগর উত্তাল থাকায় নির্ধারিত সময়কালে এলএনজিবাহী জাহাজ থেকে এফএসআরইউতে পাইপ সংযোগ দেয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে গত বুধবার সাড়ে ৩৭ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হয়। সূত্র জানায়, গত বছরের আগস্টে এলএনজি আমদানি শুরুর আগে দেশে দৈনিক ১৬০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের ঘাটতি ছিল। সমপ্রতি দৈনিক গড়ে ৬০ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহের কারণে ঘাটতি ১০০ কোটিতে নেমে আসে। এখন তা প্রায় ১২৩ কোটি ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। ফলে শিল্প, বাণিজ্য ও আবাসিক খাতে সরবরাহে টান পড়েছে। ব্ন গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিল্পমালিকেরা। তৈরি পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বাসাবাড়িতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে এই গ্যাস সংকটের। রাজধানীর কিছু স্থানে গত দুই দিন গ্যাস সরবরাহ পাওয়া যায়নি। কিছু স্থানে গ্যাসের চাপ ছিল কম। ফলে বিকল্প এলপিজি বা কেরোসিন কিংবা ইলেকট্রিক চুলায় রান্নার কাজ সারেন অনেকেই। অন্যরা ভিড় করেন রেস্টুরেন্ট ও খাবারের দোকানগুলোতে। এর ফলে খরচ বেড়ে টান পড়ে যায় নিম্ন আয়ের মানুষের।

সূত্র আরো জানায়, বিগত ২০১০ সাল থেকে এলএনজি আমদানির প্রক্রিয়া শুরুর পর গত বছরের ২৪ এপ্রিল পেট্রোবাংলার এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) দেশে আসে। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে বিলম্বিত সরবরাহ ১৮ আগস্ট শুরু হয়। সেই বিলম্বিত শুরুর পর পাইপলাইন ত্রুটির কারণে গত বছরেরই নভেম্বরে আবার এলএনজির সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এরপর চলতি বছর সামিটের এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়। এদিকে এ প্রসঙ্গে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণ কোম্পানি তিতাসের পরিচালক (অপারেশন) মো. কামরুজ্জামান জানান, এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিতরণ পর্যায়ে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই সংকট বেড়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সরবরাহ বাড়বে। অন্যদিকে এলএনজি প্রকল্পগুলোর তদারককারী সরকারি প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির (আরপিজিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান জানান, সমুদ্রে এলএনজিবাহী দুটি জাহাজ অপেক্ষা করছে। উত্তাল বাতাস ও ঢেউয়ের কারণে জাহাজগুলোর সঙ্গে পাইপলাইন সংযোগ করা যাচ্ছে না। আগের জাহাজ থেকেই এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। গত পাঁচ দিন ধরে চেষ্টা করেও দূরে নোঙরকৃত জাহাজ থেকে এলএনজি সরবরাহ করা যাচ্ছে না।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২২
ফজর৩:৫৮
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১১
সূর্যোদয় - ৫:২৩সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬৮৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.