নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৪ জুন ২০১৮, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ২৮ রমজান ১৪৩৯
কমলাপুরে শুধু মানুষ আর মানুষ
জনতা ডেস্ক
ঈদে বাড়ি যাওয়ার চতুর্থ দিন সকালে কমলাপুর রেল স্টেশনে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় শুরু হয়েছে; তবে ট্রেন ছাড়তে দেরিতে অসন্তোষ জানিয়েছেন যাত্রীরা। গতকাল বুধবার বাড়ি যান ৪ জুন অগ্রিম টিকেট কেনা যাত্রীরা। এদিন সকালে রাজশাহী, দেওয়ানগঞ্জ, পার্বতীপুর, লালমনিরহাট ও খুলনার উদ্দেশে পাঁচটি বিশেষ ট্রেন ছেড়ে যায়। সারাদিনে মোট ৫৯টি ট্রেন ছাড়বে কমলাপুর থেকে। এসময় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটের ১০টি লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকছে বলে জানিয়েছেন কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপক সিতাংশু চক্রবর্ত্তী।

তিনি বলেন, গতকাল বুধবার বেলা ১০টা পর্যন্ত কমলাপুর থেকে ২১টি ট্রেন ছেড়ে যায়। সকালে কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের পর কমলাপুর স্টেশন ছেড়েছে। এরমধ্যে দুটি বিশেষ ট্রেনের দুটিই ছাড়তে দেরি হয়। দেওয়ানগঞ্জ ঈদ স্পেশাল ট্রেনের ছাড়ার সময় ছিল সকাল পৌনে ৯টার; তা ছেড়েছে নির্ধারিত সময়ের পৌনে একঘণ্টা পর। লালমনিরহাটের লালমনি ঈদ স্পেশাল ট্রেন বেলা সোয়া ৯টায় ছেড়ে যাওয়ার কথা। এটি ছাড়ে সকাল ১১টায়। দেওয়ানগঞ্জ স্পেশাল ট্রেনের যাত্রী ঢাকা স্টক এঙ্চেঞ্জের কর্মী তারা মিঞা বলেন, সকাল ৮টায় এখানে এসে বসে আছি। কিন্তু ট্রেন ছাড়তে দেরি করছে। এখন তো আরও দেরি করবে। কখন পৌঁছাব জানি না। রংপুর এঙ্প্রেস ট্রেন সকাল ৯টায় ছাড়ার কথা থাকলেও তা সকাল ১০টা ১০ মিনিটে ছেড়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস কমিউটার ট্রেন সকাল সাড়ে ৯টার পরিবর্তে ২০ মিনিট দেরি করে বেলা ৯টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে গেছে।

জামালপুরের তারাকান্দি রুটের অগি্নবীণা এঙ্প্রেস ট্রেন আধাঘণ্টা দেরি করে সকাল সোয়া ৯টায় ছেড়েছে। এছাড়া দিনাজপুরের একতা এঙ্প্রেস ২০ মিনিট দেরি করে বেলা ১০টা ২০ মিনিটে ছেড়েছে। নীলসাগর এঙ্প্রেস ট্রেনের ছাড়ার সময় সকাল ৮টায়। তবে ট্রেনটি আধাঘণ্টা দেরি করে সকাল সাড়ে ৮টায় গেছে। অগি্নবীণা এঙ্প্রেস ট্রেনে ময়মনসিংহ যাচ্ছেন একটি ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি আবদুল আলীম। ঈদে বাড়ি যেতে পেরে খুশি হলেও রেলসেবা নিয়ে অসন্তোষ জানান তিনি। আলীম বলেন, ট্রেনের ভেতরের অবস্থা ভালো না। দেখেন আমরা প্রথম শ্রেণির চেয়ার কোচের টিকেট কিনেছি। কিন্তু সিট ভাঙা। আবার কয়েকটি সিট পেছনে কাত হয়ে যায়। সোজা হয়ে বসা যায় না।

আবার প্রথম শ্রেণিতে অনেক দাঁড়ানো যাত্রী নেওয়া হয় বলে প্রচ- ভিড়ে কষ্ট হয়। ট্রেনের সেবা আরও উন্নত করা সময়ের দাবি বলে মনে করেন অগি্নবীণা এঙ্প্রেস ট্রেনের আারেক যাত্রী আবদুল খালেক। অবসরপ্রাপ্ত এই সরকারি কর্মকর্তা বলেন, ঈদের আগে টিকেট কেনা থেকে শুরু হয় ভোগান্তি। টিকেট কেনার জন্য মানুষকে কি ভোগান্তিটা পোহাতে হয়। ছোট্ট একটা জায়গায় হাজার হাজার মানুষ। সেখানে সারাদিন দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় টিকেট পাওয়া যায় না। আর রেলের কোচ-বগি এসবের সঙ্কট তো আছেই। এসব বাড়ানো খুব জরুরি। তবে এসব কষ্ট বাড়ি যাওয়ার আনন্দের কাছে 'কিছুই না' মিরপুরের গৃহিনী শামীমা মেহফুজের কাছে। একতা এঙ্প্রেস ট্রেনের এই যাত্রী পরিবারের সঙ্গে দিনাজপুর যাচ্ছেন। বাড়িতে বাবা-মা ও শ্বশুর-শাশুড়ি আছেন। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজন বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ঈদ করার আনন্দই তো অন্যরকম। এ ছাড়া ঈদের পরে আমার ছোটভাইয়ের বিয়ে। গরম অনেক এজন্য কিছুটা কষ্ট হচ্ছে তবে এটা খুব বেশি কিছু না। গতকাল বুধবার আগের চেয়ে ভিড় বেশি হয়েছে বলে জানান কমলাপুর স্টেশনের ব্যবস্থাপক সিতাংশু চক্রবর্ত্তী। তিনি বলেন, কয়েকটি ট্রেন সামান্য দেরি করেছে, এটা বড় কিছু নয়। বিভিন্ন কারণে কয়েকটি ট্রেন দেরি করে গেছে। তবে ঈদের সময় ১৫-২০ মিনিট দেরি করে যাওয়া বড় কিছু নয়। এটা ঠিক হয় যাবে।

বিশেষ ট্রেন: যাত্রী ভোগান্তি কমাতে প্রতিবছরের মতো এবারও ঈদ স্পেশাল ট্রেন (বিশেষ ট্রেন) চালু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার সকাল পৌনে ৯টায় দেওয়ানগঞ্জের উদ্দেশে প্রথম বিশেষ ট্রেনটি ছেড়ে যায়। এবারই প্রথমবারের মতো ঢাকা-খুলনা-ঢাকা রুটেও চলছে বিশেষ ট্রেন। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন সকাল সোয়া ৯টায় কমলাপুর থেকে লালমনিরহাটের উদ্দেশে একটি এবং রাত ১২টা ৫ মিনিটে খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে পার্বতীপুরের উদ্দেশে একটি এবং রাত সোয়া ৯টায় রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে একটি বিশেষ ট্রেন। খুলনা রুট ছাড়া বাকি রুটগুলোর বিশেষ ট্রেন ঈদের পর সাতদিন চলাচল করবে। ট্রেনগুলো ক্ষেত্র বিশেষে কয়েকটি স্টেশনে থামবে। এ বিষয়ে রেলওয়ের স্টেশন ম্যানেজার সিতাংশু চক্রবর্তী বলেন, যাত্রীদের যাতে দুর্ভোগ পোহাতে না হয় সেজন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে সব সময় ঈদ স্পেশাল সার্ভিস চালু করে। এবারের ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলছে আজ (গতকাল বুধবার) থেকে। এবার ঈদে খুলনা রুটে প্রথমবারের মতো স্পেশাল ট্রেন চলবে। তিনি বলেন, ১০ জুন থেকে স্পেশাল ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে, যা এখনও চলমান। ঈদের পর সাতদিন ধরে এই ট্রেন চলবে। এসব ট্রেনের ফিরতি টিকিট নিজ নিজ স্টেশনে পাওয়া যাবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ১৭
ফজর৪:৫৬
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৩৭
মাগরিব৫:১৬
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:১৪সূর্যাস্ত - ০৫:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৫৫৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.