নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০১৯, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৯ শাওয়াল ১৪৪০
প্রস্তুত নতুন অর্থমন্ত্রী
দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট আজ
৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেটের ঘাটতি ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বাজেট প্রস্তাব পেশ হতে যাচ্ছে আজ। জাতীয় সংসদে আজ বৃহস্পবিার বেলা ৩টায় ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য প্রথমবারের মতো বাজেট উপস্থাপন করবেন নতুন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। আর তাই বাজেট উপস্থাপনের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত অর্থ মন্ত্রণালয়। 'সমৃদ্ধির সোপানে বাংলাদেশ, সময় এখন আমাদের' শিরোনামে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার এই বাজেট প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী। চলতি অর্থছরের (২০১৮-১৯) বাজেটের আকারের চেয়ে এ বাজেটের ব্যয় ৫৮ হাজার ৬১৭ কোটি টাকা বা ১২ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি। বড় ব্যয়ের বাজেট করতে গিয়ে ১ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা ঘাটতি রাখা হয়েছে এবারের বাজেটে, যা ব্যাংক ও সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণের পাশাপাশি বিদেশি ঋণ ও অনুদান নিয়ে মেটানোর পরিকল্পনা অর্থমন্ত্রীর।

এর আগে গত মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করায় রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে চেকআপের জন্য যান। তার অসুস্থতার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে বাজেট উপস্থাপন নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব শুরু হয়। তবে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শারীরিকভাবে অর্থমন্ত্রী এখন পুরোপুরি সুস্থ। নিয়মিত চেকআপের জন্য রাজধানীর অ্যাপোলো হাসপাতালে গিয়েছিলেন তিনি। চেকআপ শেষে হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার রাতেই তিনি বাসায় ফিরেছেন। মন্ত্রণালয় সূত্রে আরো জানা গেছে, অর্থমন্ত্রী ইতোমধ্যে বাজেটের সবকিছু চূড়ান্ত করেছেন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি তার প্রথম বাজেট। এর আগে পরিকল্পনামন্ত্রী হিসেবে গত ৫ বছরের বাজেট তৈরির কাজে সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে সহযোগিতা করেছেন তিনি।

চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের আকার ছিল ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় করতে না পারা ও উন্নয়ন প্রকল্পে পরিকল্পনা অনুযায়ী অর্থ খরচ করতে না পারায় চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার নির্ধারণ করা হয় ৪ লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ কোটি টাকা। বর্তমান সরকারের তৃতীয় মেয়াদের প্রথম বাজেটের আকার চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকারের চেয়ে ৮০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা বেশি এবং চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ১২ দশমিক ৬২ শতাংশ ও সংশোধিত বাজেটের আকারের চেয়ে ১৮ দশমিক ২২ শতাংশ বেশি।

নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার দিনই এনবিআরকে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য ৩ লাখ কোটি টাকা রাজস্ব চেয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী। এর ৬ মাসের মাথায় নতুন অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নকালে এনবিআর'র রাজস্ব আয় ৩ লাখ কোটি টাকা ধরে আয়-ব্যয়ের হিসাব মেলাতে পারেননি অর্থমন্ত্রী। ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব চূড়ান্ত করতে গিয়ে এনবিআর'র কাছে আরও ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা রাজস্ব চেয়েছেন তিনি। যদিও চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি পেছনে পড়ে আছে সংস্থাটি। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রাজস্ব আয়ে এনবিআর প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। আসন্ন বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা চলতি অর্থবছরের মূল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৯ দশমিক ৯২ শতাংশ ও সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৬ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি।

এদিকে আলোচিত মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে বাজেট ঘোষণার দিন থেকেই। তাতে নতুন করে বাড়তি ভ্যাট ও শুল্ককর আদায়ের আশা করছেন অর্থমন্ত্রী। যদিও এই ভ্যাট আইন নিয়ে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের মধ্যে পণ্যমূল্য বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়াও আমদানি পর্যায়ে রাজস্ব আয় বাড়াতে দেশের সব বন্দরে স্ক্যানার মেশিন বসানো হবে। এর ফলে আমদানি পর্যায়ে শুল্ক আদায় বাড়ার পাশাপাশি আমদানি-রফতানির আড়ালে অর্থপাচার রোধ হবে বলে মনে করছেন অর্থমন্ত্রী।

এর বাইরে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন অর্থবছরে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে এটি ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি ও সংশোধিত বাজেটে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬১২ কোটি টাকা ছিল। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে এনবিআর'র ৩ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এনবিআরবহির্ভূত কর ব্যবস্থা থেকে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এছাড়া সরকারের বিভিন্ন সেবার ফি, হাসপাতালের টিকিট মূল্য, সেতুর টোলসহ বিভিন্ন খাত থেকে ৩৭ হাজার ৭১০ কোটি টাকা আদায় করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

অভ্যন্তরীণ আয়ের বাইরে আগামী অর্থবছর বিদেশ থেকে ৪ হাজার ১৬৮ কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার আশা করছে সরকার। অনুদান যেহেতু ফেরত দিতে হয় না, তাই এ পরিমাণ অর্থ পাওয়া গেলে মোট আয় দাঁড়াবে ৩ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৮ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছর ৪ হাজার ৫১ কোটি টাকা অনুদানের আশা করলেও বাজেট সংশোধনকালে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৭৮৭ কোটিতে নামিয়ে আনা হয়।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ১৯
ফজর৩:৪৪
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৩৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.