নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০১৯, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৯ শাওয়াল ১৪৪০
নিরাপদ সড়ক চাই'র পর্যবেক্ষণ
ঈদে সারাদেশে ১২৭ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৮৪
স্টাফ রিপোর্টার
ঈদ-উল-ফিতরের ছুটিতে সারাদেশে ১২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১শ' ৮৪ জন ও আহত হয়েছেন ৩শ' ৩২ জন। গত ২৯ মে থেকে ৮ জুন এই ১১ দিনে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। তবে তা ২০১৮ সালের তুলনায় কম বলে নিরাপদ সড়ক চাই'র (নিচসা) পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। বিভিন্ন পত্রিকা, পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ, স্বতন্ত্র অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদ সংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলের তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

তবে ঈদুল ফিতরের আগে-পরে গত ৩০ মে থেকে ১০ জুন পর্যন্ত দেশে সড়ক, রেল ও নৌপথে সম্মিলিতভাবে ২১২টি দুর্ঘটনায় ২৪৭ জন নিহত ও ৬৬৪ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে আরেকটি সংগঠন। আর শুধু দেশের সড়ক-মহাসড়কে ১৮৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২২১ জন নিহত, ৬৫২ জন আহত ও ৩৭৫ জন পঙ্গু হয়েছেন বলে জানিয়েছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ নামে ঐ সংগঠনটি।

গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংগঠনটির সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিএম কামরুল ইসলাম।

নিসচা-এর পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এবার সড়কপথে ঈদযাত্রা ছিল তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক। নৌপথে দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়াও ঈদযাত্রা ছিল অনেকটা স্বস্তিদায়ক। যেমন ঈদের আগের দিন সদরঘাট টার্মিনালে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতে পারেননি কর্তৃপক্ষ। এতে করে একটি পরিবারের কয়েকজন সদস্যের পানিতে পড়া ও অনেকে টিকিট থাকা সত্ত্বেও লঞ্চে উঠতে পারেননি। এসব বিষয়ে আগামীতে নজর দিলে নিসচা মনে করে নৌপথও যাত্রীবান্ধব হয়ে উঠবে। পাশাপাশি অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে প্রযুক্তিগত সমস্যা ও সিডিউল বিপর্যয়ের কারণে রেলের যাত্রীদের কিছুটা বিড়ম্বনা পোহাতে হয়েছে।

নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এ বছর ঈদ-উল-ফিতরের সময় সারাদেশে সড়কপথে গাড়ি চলাচল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করছে। ঢাকা-টাঙ্গাইল রোড ৪ লেনে উন্নীত হওয়ায় উত্তরবঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনা হরাসসহ ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে নবনির্মিত ৩টি সেতু (কাঁচপুর, মেঘনা ও গোমতী) খুলে দেয়ার ফলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামসহ পূর্ববঙ্গের বিভিন্ন জেলায় যানজট হয়নি বললেই চলে এবং সড়ক দুর্ঘটনা এ সকল অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে। তবে খুলনা ও যশোর অঞ্চলে দুর্ঘটনা অনেক বেড়ে গেছে।

সড়ক দুর্ঘটনার দিক দিয়ে এবারের ঈদে মোটরসাইকেলের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। নিসচার পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, সড়কে মোটরসাইকেল বিধ্বংসী বাহন হয়ে উঠেছে চালকের খেয়ালীপনাসহ নানা কারণে। এই ঈদে গণমাধ্যমের সংবাদে সেই চিত্রটিই উঠে এসেছে। এবার ৪৫টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৩৮ জন (চালক ও আরোহী)। সড়ক দুর্ঘটনায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে বাস। ঈদের সময় সিডিউল রক্ষা করতে গিয়ে বাসগুলো অতিরিক্ত গতিতে বেপরোয়াভাবে চালানোর কারণে এ সমস্ত দুর্ঘটনা ঘটেছে। ঈদযাত্রায় যাত্রীদের কাছ থেকে সব ধরনের যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রবণতাও নিসচার পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মহলের এসব অনিয়ম বন্ধে তৎপরতাও চোখে পড়েছে। তবে আশঙ্কার কথা হচ্ছে উবার ও পাঠাও'র মতো ইন্টারনেটভিত্তিক রাইড শেয়ারিং করা বাহনগুলোর স্বেচ্ছাচারিতা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে এ্যাপের কলিংয়ে সাড়া না দিয়ে অতিরিক্ত ভাড়ায় যাত্রী বহনের প্রবণতা তাদের মাঝে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। এ বিষয়ে নিসচা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন বিআরটিএ'র চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এসব বন্ধের এবং মনিটরিংয়ের আহ্বান জানান। তিনি আশঙ্কা ব্যক্ত করে জানিয়েছেন, যদি এসব স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ করা না হয় তাহলে সিএনজিচালকদের মতো এরা বেপরোয়া হয়ে উঠবে। এতে করে যাত্রীদের বিড়ম্বনাও বেড়ে যাবে।

নিসচা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন সড়কে মোটরসাইকেলের দৌরাত্ম্য ও স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধে মোটরসাইকেল চালকদের ২ মাসের ওরিয়েন্টেশন কোর্স চালু ও অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব করেছেন। তিনি মোটরসাইকেল কিনতে গেলে এই কোর্সের সার্টিফিকেট প্রদর্শন বাধ্যতামূলক করা এবং নিয়মিত মনিটরিং করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

নিরাপদ সড়ক চাই-এর পক্ষ থেকে জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও সচেতন, সাবধান ও সতর্কতা অবলম্বনেরও আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ১৯
ফজর৩:৪৪
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৪৯০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.