নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০১৯, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৯ শাওয়াল ১৪৪০
সরকারি সার কারখানাগুলোর জরাজীর্ণ যন্ত্রপাতিতে বাড়ছে গ্যাসের অপচয়
এফএনএস
সরকারি সার কারখানাগুলোর জরাজীর্ণ যন্ত্রপাতির কারণে সার উৎপাদনে বাড়তি গ্যাস ব্যবহার করতে হচ্ছে। গত দুই বছরে ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড ও পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড সার উৎপাদন করেছে ৩ লাখ ১২ হাজার টন। কারখানা দুটি সাড়ে ১৯ হাজার এমএমসিএফ গ্যাস ব্যবহার করে ওই পরিমাণ সার উৎপাদন করেছে কারখানা দুটি। অথচ পরিমাণ গ্যাস দিয়ে ৯ লাখ ২৪ হাজার টন সার উৎপাদন করা সম্ভব। ওই হিসেবে সার কারখানা দুটিতে ব্যবহৃত গ্যাসের দুই-তৃতীয়াংশই অপচয় হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, দেশে ইউরিয়া সারের বার্ষিক চাহিদা গড়ে ২৩-২৫ লাখ টনের মধ্যে থাকলেও উৎপাদন হচ্ছে ১০ লাখ টনের নিচে। বিসিআইসির অধীন সার কারখানাগুলো চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হচ্ছে। তবে ইউরিয়া সার দেশে উৎপাদনের মাধ্যমে ব্যবহার করা গেলে খরচ কমানো সম্ভব। আর বিদেশে থেকে প্রতি টন সার আমদানিতে ১৮০-৩০০ ডলার খরচ হলেও দেশে উৎপাদনে খরচ হবে মাত্র ১০০ ডলার। সেক্ষেত্রে দেশের গ্যাস সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার করতে হবে। চলমান কারখানাগুলোয় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ করতে হবে। তাছাড়া ওসব কারখানা সংস্কার করে সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি।

সূত্র জানায়, ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড ও পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেডে বর্তমানে দৈনিক ৬৪ দশমিক ৭ এমএমসিএফ বা বার্ষিক ১৯ হাজার ৪১০ এমএমসিএফ গ্যাস ব্যবহার করা হচ্ছে। যা দিয়ে দৈনিক মাত্র ১ হাজার ৫০ টন বা বার্ষিক ৩ লাখ ১৫ হাজার টন সার উৎপাদন হচ্ছে। অথচ একটি আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তির সার কারখানায় একই পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে দৈনিক ২ হাজার ৮০০ টন বা বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার টন সার উৎপাদন করা সম্ভব। অর্থাৎ প্রাকৃতিক গ্যাসের মাত্র ৩৪ শতাংশ দক্ষভাবে ব্যবহার করছে কারখানা দুটি। বাকি প্রায় ৬৬ শতাংশই অপচয় হচ্ছে।

সূত্র আরো জানায়, দেশের সার কারখানাগুলোর সক্ষমতার পরিপূর্ণ ব্যবহার করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশের দ্বিতীয় ইউরিয়া সার কারখানা ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (ইউএফসিএল) বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ৪ লাখ ৭০ হাজার টন। কারখানাটি শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার ঘোড়াশালের পলাশে স্থাপিত হয়। ৪ লাখ ৭০ হাজার টন সক্ষমতার বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছে গড়ে ২ লাখ টনের কাছাকাছি। আর পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড কারখানাটি চায়না-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে নরসিংদী জেলার পলাশে স্থাপিত হয়। ওই ফ্যাক্টরির বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ৯৫ হাজার টন। ফলে দুটি কারখানার সক্ষমতা বছরে প্রায় ৫ লাখ ৬৫ হাজার টন হলেও উৎপাদন হচ্ছে ৩ লাখ টনের কিছু বেশি।

এদিকে এ বিষয়ে শিল্প সচিব মো. আবদুল হালিম এবং ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতি. দায়িত্ব) মো. রাজিউর রহমান মলি্লক কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এমনকি একই বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) সচিব মো. আসাদুর রহমানও।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ১৯
ফজর৩:৪৪
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫০১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.