নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৩ জুন ২০১৯, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৯ শাওয়াল ১৪৪০
জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির দায়বদ্ধতা
আজহারুল আজাদ জুয়েল
বাংলাদেশে শাওয়াল মাসের পবিত্র চাঁদ দেখা নিয়ে এবার একটা তুঘলকি কারবার ঘটে গেল। রাত ৮টায় দেশের কোথাও চাঁদ দেখা না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলা হলো কাল ঈদ হচ্ছে না। আবার রাত ১১টায় নতুন করে ঘোষণা দিয়ে বলা হলো চাঁদ দেখা গেছে, কালকেই ঈদ হচ্ছে!

চাঁদ দেখতে পাওয়া, না পাওয়া নিয়ে এই তুঘলকি কারবারের জন্ম দিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। তারা এক বিষয়ে দুই রকমের ঘোষণা দিয়েছেন তিন ঘণ্টার ব্যবধানে। ব্যাপারটা অদ্ভুত। যা রাত ৮টা পর্যন্ত দেখা যায়নি, তা রাত ১১টায় কেমন করে দেখা গেল তা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা রকমের চটুল মন্তব্যের ছড়াছড়ি হয়েছে। বিশেষ করে ফেসবুকে। যেভাবে চাঁদ দেখার খবর দেশবাসীকে জানিয়েছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি, তাতে ফেসবুক বন্ধুরা বিস্ময় প্রকাশ করে চাঁদটিকে 'সিজারিয়ান চাঁদ' বলে কটাক্ষ করতে দ্বিধা করেননি মোটেও। আর সিজারিয়ান চাঁদের আবিষ্কারের কৃতিত্বটা তারা জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিকেই দিয়েছেন। এ বিষয়ে চাঁদ দেখা কমিটির ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে কয়েকজন ফেসবুক বন্ধুর মন্তব্য তুলে ধরা যাক :

দিনাজপুরের বাবুল আজাদ পাঁচওয়াক্ত নামাজী মানুষ। পরিচিতজনদের মধ্যে সৎ মানুষ হিসেবে পরিচিত। চাঁদ দেখা কমিটির দ্বিতীয় দফা সিদ্ধান্তের পর তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, মাত্র চার ঘণ্টায় চাঁদ দেখতে পেল কমিটি! অবিশ্বাস্য।

একটি সংবাদপত্রের ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত হারুন রশিদ লিখেছেন, আরেকটু দেরি হলেই চাঁদ দেখা কমিটি সূর্য দেখে ফেলতো।

দিনাজপুরের বিশেষ ব্যক্তিত্ব আজাদ আবুল কালাম লিখেছেন, সিজারিয়ান চাঁদে অবশেষে বিলম্বিত ঈদ মোবারক।

একটি ব্যাংকে কর্মরত আমির জুলিয়াস লিখেছেন, কমিটির কি দোষ? নরমাল ডেলিভারি হবে ভেবে অপারেশন থিয়েটারের প্রস্তুতি ছিল না। পরে অপারেশন করে বের করতে একটু সময় লেগেছে।

একজন তরুণ চিন্তাবিদ তুষার শুভ্র বসাক লিখেছেন, এই চাঁদ যেন ডুমুরের ফুল।

পঞ্চগড়ের সাংবাদিক কামরুল কামু লিখেছেন, ঈদ আর চাঁদ নিয়ে ফাজলামি, এসব কেন হবে? সৌদির পরের দিন বাংলাদেশে ঈদ হওয়াটা স্বাভাবিক।

বীরগঞ্জের আরেক সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক বিপুল লিখেছেন, বুকটা ফাইট্টা যায়, রাত ১১টায় চাঁদ মামা রঙ্গ কইরা হাইট্টা যায়।

রাত ১টা ২০ মিনিটে ঢাকা প্রবাসী কণ্ঠশিল্পী তজিরুল ইসলাম লিখেছেন দুঃখিত, আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর, ঈদ মোবারক।

একজন চিত্রশিল্পী সৈয়দ মুন্নাফ হোসেন রাত ৩টায় লিখেছেন, রাত ৩টা পর্যন্ত জেগে থাকলাম, যদি আবার কেউ সেহেরি করার জন্য ডাক দেয়!

এসব মন্তব্য থেকে এটা পরিষ্কার যে, জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি এবার চাঁদ দেখা নিয়ে যা করেছে তা কারো কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়নি। কমিটির কর্মকা-ের প্রতি ধর্মপ্রাণ মানুষসহ সর্বসাধারণের মধ্যে একধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছে। কমিটির পক্ষে মাননীয় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী চাঁদ দেখা সংক্রান্ত যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, সেটার গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। যারা চাঁদ দেখা না দেখা নিয়ে শুধুমাত্র মিটিং করেন, সিদ্ধান্ত দেন, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে চাঁদ দেখার কোনো ব্যবস্থা করেন না, তাদের কর্মকা- গ্রহণযোগ্য হবে না, সেটাই স্বাভাবিক। কেননা চাঁদ দেখা কমিটির অদূরদর্শিতার কারণে এবার ঈদ আয়োজন নিয়ে ধর্মপ্রাণ মুসলি্লসহ সর্বসাধারণকে বিভ্রান্তিতে ভুগতে হয়েছে।

এ বছর ৩ জুন সৌদি আরবে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে এবং ৪ জুন সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপিত হয়েছে, এই খবর সারা দুনিয়ার লোক জানতো, বাংলাদেশের মানুষেরও অজানা ছিল না। তাই বাংলাদেশের মানুষ মানসিক প্রস্তুতি নিয়েছিল, ৫ জুন ঈদ উদযাপনের। এর যথেষ্ট কারণও আছে। বাংলাদেশের সাথে সৌদি আরবের সময়ের ব্যবধান ৪ ঘণ্টা। কিন্তু সৌদি আরবে চাঁদ উঠার ৪ ঘণ্টা পর বাংলাদেশে যেহেতু রাত নেমে আসে তাই চাঁদ উঠার কোনো সম্ভাবনা থাকে না। সৌদি আরবে চাঁদ উঠার পরদিন বাংলাদেশে চাঁদ উঠবে এবং সৌদি আরবে যেদিন ঈদ উদযাপিত হয় তার পরদিন বাংলাদেশে ঈদ উদযাপিত হবে, সেটাই স্বাভাবিক এবং অতীতে সেটাই হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ অতীতে সেভাবেই ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন করেছে। তাই এবারেও সৌদি আরবে উদযাপিত ঈদের পরের দিন ৫ জুন ঈদ উদযাপনে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছিল বাংলাদেশের মানুষ। বাংলাদেশের গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় ৪ জুন সন্ধ্যায় অল্প বয়সী ছেলেদের পটকা ফুটানোর মধ্যে বাংলাদেশের মানুষের সেই মনোভাবেরই বহিঃপ্রকাশের পরিষ্কার চিত্র ছিল।

কিন্তু জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি আরেকটু হলেই এর ব্যতিক্রম ঘটিয়ে দিতে যাচ্ছিল। কমিটির সভাপতি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী রাত প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে ঘোষণা দিলেন যে, ৬৮ জেলার কোথাও চাঁদ দেখা যায়নি। ডিসিরা চাঁদ দেখতে পাওয়ার খবর দিতে পারেননি, আবহাওয়া অফিস খবর দিতে পারেনি, কারো কাছ থেকেই চাঁদ দেখার কোনো খবর পাওয়া যায়নি, অতএব শরিয়া মোতাবেক ৫ জুন ঈদ হচ্ছে না, ঈদ হচ্ছে ৬ জুন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শরিয়ার কথা বলেছেন। শরিয়া হলো শাওয়াল মাসের চাঁদ উঠলে পরদিন ঈদ হবে। আর শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা সুন্নত। কাজেই মানুষ শাওয়াল মাসের প্রথম দিনের চাঁদ দেখার চেষ্টা করে থাকে ধর্মীয় অনুভূতির কারণে। চাঁদ উঠলেই ঈদ হবে নইলে হবে না। কিন্তু চাঁদ উঠার পরেও কেউ যদি না দেখে, তার মানে এই নয় যে, ঈদ হবে না। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় যেহেতু ৩ জুন চাঁদ দেখা গিয়েছিল, সেহেতু ৪ জুন সন্ধ্যায় বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারতের আকাশে চাঁদ দেখা যাবেই তাতে সন্দেহের অবকাশ থাকার কোনো কারণ ছিল না। আকাশে মেঘের কারণে চাঁদ দেখা নাও যেতে পারে। তাই বলে চাঁদ উঠেনি, এমনটা ধরা যাবে না। যেহেতু সৌদিতে আগের দিন চাঁদ উঠেছে, সেহেতু পরদিন বাংলাদেশে চাঁদ উঠবে, এটাই স্বভাবিক। এখন মেঘের কারণে ৩-৪ দিন চাঁদ দেখা না গেলে ঈদ কি থেমে থাকবে? ঈদ হবেই।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী প্রথম দফায় দেশের কোথাও চাঁদ না দেখার কথা বলেছেন। দ্বিতীয় দফায় পাটগ্রামে চাঁদ দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন। প্রশ্ন হলো একই বিষয় নিয়ে ৩ ঘণ্টার ব্যবধানে দুই রকমের তথ্য কেন? সাংবাদিকদের সামনে যখন তিনি চাঁদ নিয়ে ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন, তখন একটা বিষয় পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে, জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চাঁদ দেখা নিয়ে কোনো পূর্ব প্রস্তুতি ছিল না। এই কমিটির বাংলাদেশের কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সেই তথ্য সাথে সাথে সংগ্রহ করার কোনো ব্যবস্থাই নেয়নি। ডিসি, ইউএনওদের প্রতি তাদের কোনো নির্দেশনা ছিল না। থাকলেও ডিসি, ইউএনওরা সেই নির্দেশনাকে গুরুত্ব দেয়নি।

আবহাওয়া অফিস কয়েকদিন আগেই পূর্বভাস দিয়েছিল, ঈদের দিনসহ এর আগের ও পরের দু-একদিন আকাশ মেঘলা থাকবে, বৃষ্টিপাতও কোথাও কোথাও হবে। আকাশ যদি মেঘলা থাকে তাহলে চাঁদ দেখার উপায়টা কি? বর্তমান স্যাটেলাইট, প্রযুক্তি আর শক্তিশালী দূরবীন ও অণুবীক্ষণ যন্ত্রের যুগে সেটা কি কঠিন কোনো বিষয়? এখন জ্যোতির্বিজ্ঞান আগাম বলে দিতে পারে যে, কখন, কোন সময়, কত মিনিটে সূর্যগ্রহণ হবে, সূর্যগ্রহণের প্রভাব কি রকম হবে, চন্দ্রগ্রহণ হলে কতক্ষণ স্থায়ী হবে, কোন গ্যালাঙ্,ি কোন নক্ষত্র কখন কোথায় এসে উপনীত হবে, কতক্ষণ আলো ছড়াবে, খালি চোখে কখন কোন সময় দেখা যাবে। সব কিছুই আগাম বলে দিতে পারে। তারা যা বলেন, যেভাবে পূর্বাভাস দিয়ে থাকেন, দেখা যায় তা ঠিক ঠিক সেভাবেই মিলে যায়। তাদের পূর্বাভাস নিখুঁত হয় কারণ তাদের কাছে আলোক বর্ষের হিসাব আছে, সময়, ভর, নক্ষত্ররাজি, চন্দ্র সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য আছে। সেইসব তথ্য বিশ্লেষণ করে, যোগ-বিয়োগ করে, সময়, ভর, দূরত্ব, আলোক বর্ষের পরিসংখ্যান করে তারা বলে দিতে পারেন যে, কখন কি হতে যাচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন, চাঁদ তো উঠেছিলই তাহলে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি কেন সেই চাঁদ দেখতে পেল না? এর সোজাসাপ্টা উত্তর হলো কমিটি আসলে চাঁদ দেখার কোনো উদ্যোগ নেয়নি। মেঘ থাকলে খালি চোখে চাঁদ দেখা যাবে না সেটাই স্বাভাবিক, তাহলে যে ব্যবস্থা নেয়া দরকার ছিল তেমন কোনো ব্যবস্থা তারা নেয়নি। ডিসি-ইউএনওদেরকেও আগে থেকে এলার্ট করেনি। তাই তারাও চাঁদ দেখা বাদ দিয়ে অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ফলে আকাশে চাঁদ উঠলেও তারা কেউই তা দেখতে পাননি। অথচ ঈদ হবে তাদের সিদ্ধান্তের আলোকেই! ফলে তাদের কারণে মানুষকে বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়েছে। তাই মানুষও ক্ষুব্ধ হয়ে নানা মাধ্যমে নানা মন্তব্য করেছেন।

যা হওয়ার হয়ে গেছে, আগামীতে এমন যেন না হয় সে লক্ষ্যে সচেতন থাকতে হবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটিকে। স্যাটেলাইট, প্রযুক্তি, বাইনোকুলার, অনুবীক্ষণ যন্ত্র আর জ্যোতির্বিজ্ঞানের এই সময়ে চাঁদ দেখতে পাওয়া যে কোনো কঠিন বিষয় নয় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করলেই নিশ্চিতভাবে চাঁদ দেখা সম্ভব। কমিটি চাঁদ দেখার বিষয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা নেয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সহায়তাও নিতে পারেন। যদি কমিটির কোনো মোবাইল নম্বর অথবা ই-মেইল এ্যাড্রেস দিয়ে জনগণের কাছে আবেদন রাখা হয় যে, চাঁদ দেখতে পেলে যেন ঐ নম্বরে জানানো হয়, তাহলে আকাশে শাওয়ালের চাঁদ উঠার সাথে সাথেই কমিটি সেই তথ্য জানতে পারবেন। তাহলে কমিটিও ভুল করবেন না, জনতাও বিভ্রান্তি ও বিরক্ত হবেন না। কেউ আর ব্যাঙ্গ করে লিখবেন না যে, চাঁদ হলো সিজারিয়ান। কমিটিকে মনে রাখতে হবে, চাঁদ দেখার সাথে ধর্মের বিষয় যুক্ত, সেহেতু তাদের যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে, কোনো ভুল কিংবা বিভ্রান্তি তাদের চলবে না। কারণ চাঁদ দেখা নিয়ে জনগণের কাছে তাদের কিছু দায়বদ্ধতা অবশ্যই আছে।

আজহারুল আজাদ জুয়েল : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুন - ১৯
ফজর৩:৪৪
যোহর১২:০০
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৫১
এশা৮:১৬
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫২৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.