নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৯ মে ২০১৭, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২২ শাবান ১৪৩৮
প্রথিতযশা সাংবাদিকদের কলম কালের অমস্নান দিকদর্শন
এ.কে. এম শামছুল হক রেনু
ভারতবর্ষে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলন, ভারত বর্ষের স্বাধীনতা, পাকিস্তান বিরোধী আন্দোলন ও পরবর্তী সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতিকদের অবদানকে যেমনি ভোলা যায়নি তেমনি পথিকৃত নির্ভিক ও প্রথিতযশা সাংবাদিকদের লেখনি ও দিক নির্দেশনা কোনো মতেই ভুলে যাওয়ার নয়। তাদের লেখনি দিক নির্দেশনা, কলাম (নিবন্ধ) ও বস্তুনিষ্ট সংবাদ পরিবেশন অমস্নান ইতিহাস। যাদের স্থান যুগ যুগ ধরে ইতিহাসের জনক হেরা ডোটাস, পিকে হিট্রি প্রমুখদের মতো সমুজ্জল, অমর, অব্যয়, অক্ষয় স্মৃতি হিসেবে ইতিহাসে পরিস্ফুটিত। যাদের প্রতি রয়েছে দলমত, জাতি, ধর্ম, বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে মানুষের অকৃত্রিম সম্মানসহ বিনম্র অনাবিল শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। যে কারণে এ দেশের মানুষ গর্ব করে স্মরণ করে থাকে ইংরেজ তাড়াও, পাকিস্তানিদের সরাও আন্দোলনে মওলানা আকরাম খাঁ, সওগাত সম্পাদক নাসিরুদ্দিন, তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া, আবুল মনুসর আহমেদ, আব্দুল গফুর, আসফউদ্দৌলা, খন্দকার আব্দুল হামিদসহ প্রমুখ প্রথিতযশা সাংবাদিক, লেখক ও কলামিস্টদের কথা।

৭১ সালের স্বাধীনতার আগে, স্বাধীনতার আন্দোলন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়, পরেও এ পর্যন্ত বিভিন্ন গণমাধ্যমে দেশ, জাতি, জনগণ, সরকার, শাসন, প্রশাসন, আইন, বিচার বিভাগসহ সার্বিক ব্যাপারে যারা বাস্তব, ন্যায় ও সত্যনিষ্ঠার আলোকে ডান বামে না তাকিয়ে নির্ভিকভাবে দেশ, জাতি ও জনগণের স্বার্থে লিখে গিয়েছেন এবং যাচ্ছেন তাদের কথাও ভুলে যাওয়ার নয়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে তারা অকপটে নির্ভিক, অকুতোভয় কলম সৈনিক হিসেবে সমাধিত ও প্রশংসিত। এ প্রেক্ষাপটে হলুদ বা জি হুজুর মার্কা সাংবাদিকতা বা ইয়েলো জার্নালিজম (ুবষষড় িলড়ঁৎহধষরংস) সম্পর্কে নাই বা টেনে আনলাম। নির্ভিক ও দিক নির্দেশক সাংবাদিকরা যে কোনো রাজনৈতিক দর্শনকে বিশ্বাস করেন, করেন না বা নিরপেক্ষ সেদিকে যেতে চাচ্ছি না। বাস্তব দর্শনে তাদের লেখা কলাম (নিবন্ধ) বই ও সংবাদ পরিবেশনে সে স্ফুলিঙ্গ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং আজও প্রকাশিত হচ্ছে এটা নিয়েই কথা। আজকের প্রজন্মের নিকট বদরুদ্দীন উমর, ফরহাদ মাজহার, ড. মাহবুব উল্লাহ, ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার, আলমগীর মহিউদ্দিন, শামসুর রেহমান, নূরুল কবীর, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, প্রয়াত সাংবাদিক শ্রদ্ধেয় এবিএম মুসা ও ইকতেদার আহাম্মদের নাম উল্লেখযোগ্য। এ নামগুলোর বাইরেও যে সমস্ত সাংবাদিক ও কলাম লেখক রয়েছেন তাদের মধ্যেও দৃষ্টিতে অনেকের নাম স্মরণযোগ্য। যাদের লেখার মধ্যে রয়েছে সত্য বলার প্রবণতা, শাণিত কলম, আত্ম প্রত্যয়, সাহস, দেশপ্রেম, জাতীয়তাবোধ, জনমানুষের দুঃখ, অভাব, অভিযোগ, সমস্যা ও সমাধানের দিক নির্দেশনা।

তারপর আরও যারা কলাম লেখক বা কলম সৈনিক তাদের মধ্যে রাজনৈতিক চিন্তা ধারায় কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী ও শ্রেণিকে প্রশংসা, নিন্দা করা হলেও, তাদের খাটো করে না দেখলেও একপেষে এবং বিশেষ শ্রেণি ও পেশার প্রতি দুর্বল ভাবটা এমনিতেই প্রকাশ পায় বলে তাদেরও সাধুবাদ বা নিন্দাবাদের দিকে যাচ্ছি না। যদি কারও কোনো লেখনিতে বা সংবাদ পরিবেশনে বিশেষ কোনো শ্রেণি গোষ্ঠী ও রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তির প্রতি বারংবার একপেষে মারহাবা এবং কারও প্রতি অহরহ বিরাগ, তীর্যকতা ভেসে ওঠে তবে নিরপেক্ষ পাঠক বা যে কেউ এটাকে প্রশংসা ও ধন্যবাদের আদলে না নেয়ারই কথা। যে কোনো মানুষের গণতন্ত্র স্বাধিকার ও রাজনৈতিক দর্শন রয়েছে। তেমনি নিরপেক্ষ মানুষও যে নেই তাও ঠিক নয়। যদিও বিভিন্ন জনের মতে নিরপেক্ষ মানুষের সংখ্যা খুবই কম। তদুপরি অনেকেই মনে করেন, নিরপেক্ষতা বলতে কিছুই নেই। নিরপেক্ষ ও নিরপেক্ষতাও নাকি একটি সুপ্ত পক্ষ। তারপর অনেকেই বলে 'সত্য' নাকি দিনে দিনে কোনো কোনো প্রজাতির মতো দুনিয়া থেকে বিদায় হয়ে যাচ্ছে। তারপরও যতটুকু আছে তন্মধ্যে চামচা, ভাঁড় ও চাটুকারিতার পাল্লা ভারী মনে করলেও, অনেকেই রাজনীতি, সাংবাদিকতা, সমাজনীতি, সরকার, শাসন, প্রশাসন, আইন, বিচার ও বিভিন্ন পেশার কিছু ন্যায়নিষ্ঠা, দেশপ্রেমিক, দেশ, জাতি ও জনগণের স্বার্থকে নিজ স্বার্থের চেয়ে অনেক বেশি বড় করে দেখেই বলে দেশ জাতি, জনগণ, রাজনীতি, সাংবাদপত্র ও দুনিয়া টিকে আছে বলে মনে করে থাকে। একজন মনীষী বলেছেন, বাস্তবিক অর্থে একজন প্রকৃত সাংবাদিক একজন কলম সৈনিক সত্যের প্রতি অবিচল প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (ঈড়সসরঃঃবফ ঃড় নব ঃৎঁব) ও শত অসুবিধার মধ্যে সত্যকে লালন পালন করে থাকে। তবে অনেকেই এই লেবাছ পড়ে সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য, সাদাকে কালো, কালোকে সাদা, লালকে সবুজ রঙে যে ক্যারিশমেটিক রঙে আবৃত করে না তাও ভেবে থাকে। অনেকেই স্বার্থসিদ্ধির নিরিখে গাড়ি, ফ্ল্যাট প্রাপ্তি ও সরকারি টিমে বিদেশ যাওয়ার জন্য যেমনি ব্যক্তি গোষ্ঠীর পায়রোবী করেনা, তেমনি এসবের কমতিও দেখা যায় না। যা একটু লক্ষ্য করলে আয়নার প্রতিচ্ছবির মতো বাস্তব ও সুস্পষ্ট। যাদেরকে প্রেসক্লাবের চেয়ার পেতে অসুবিধা হতো, তাদেরকে দেখা গেছে সময় ও সুযোগ কোথায় নিয়ে যেতে পারে।

প্রায় সময় দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে দেখা যায় দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলী দিয়ে প্রভুদের স্বার্থে অনেকেই কলম ধরতে দ্বিধা করে না। তাদেরকে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করলেও 'র' (জঅড) আইএসআই (ওঝও), সিআইএ (ঈওঅ), কেজিবি (কএই), মুসাদ (গটঝঅউ) সহ অন্যান্য দেশি-বিদেশি সংস্থার এজেন্ট হিসেবেও মনে করে থাকে। তারপর এমন কিছু লোক রয়েছেন, যারা সাত সমুদ্র তেরো নদী পাড়ে বিদেশের মাটিতে থেকে দেশি-বিদেশি পত্র পত্রিকায় এমন কিছু লেখা পুশ করে থাকে, যা দেখে তাদের রূপ সম্পর্কে কারও বোঝার তেমন কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। উদাহারণ টেনে বলা যায়, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তৎকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নিঙ্ন কর্তৃক সপ্তম নৌবহর পাঠানোর ব্যাপারে এর পক্ষেও কলম ধরতে কাউকেও দেখা যায়নি এমন বলা যায় না। এপ্রিল মাসে ৪ দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারত সফরে গিয়ে কতটুকু সফল ও ব্যর্থ হয়েছেন এ ব্যাপারে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ভারতের আনন্দ বাজার, ইন্ডিয়ান টাইমসসহ বিভিন্ন কাগজে কলমে লেখালেখি হচ্ছে। এ ব্যাপারে ২৮/৪/১৭ ইং ডেইলি স্টার (উধরষু ঝঃধৎ) এর প্রথিতযশা সাংবাদিক মোহাম্মদ বদরুল আহসান উপসম্পাদকীয়তে লেখেছেন, That Bangladesh isn’t beside it self with joy is reflected in the indicators. There was no characteristic grand reception for the Prime Minister at the airport on her return from India. Billboards and banners haven’t gone up anywhere in the country trumpeting the visit as something spectacular. The ruling party leaders aren’t gung-ho about leveraging its outcomes. Even the Prime Minister herself couldn’t hold back her disappointment with the West Bengal chief minister’s intransigence over sharing Test water with Bangladesh. একটি রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফেরার পর প্রধানমন্ত্রীর অর্জনের জয়ধ্বনির জন্য বিমান বন্দরে যে বিশাল সমাবেশ রেওয়াজ অনুযায়ী হওয়ার কথা এটা না হওয়াতে সবারই দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলো। যদিও এ ঘটনাকে তাৎপর্যহীন মনে করার কোনো কারণ নেই। ডেইলি স্টারে মোহাম্মদ বদরুল আহসানের উপ-সম্পাদকীয়টি পড়ে তাকে সাধুবাদ না জানানোর কিছু নাই বলে অনেকে মন্তব্য করেছেন। তাতে তার কলামের দিকদর্শনকে খাটো করে দেখার সুযোগ থাকারও কথা নয়। এমনিভাবে দেশ বরেণ্য কলামিস্ট বদরুদ্দীন উমর, ফরহাদ মাজহার, আলমগীর মহিউদ্দিন, ড. শামসুর রেহমান প্রমুখ দেশের বর্তমান, অতীত ও ভবিষ্যৎ রাজনীতি, অর্থনীতি ও সার্বিক বিষয়াদি অবলোকন ও পর্যালোচনা করে এমন কিছু দিক নির্দেশনা নিবন্ধে উল্লেখ করেন তা যদি সরকার, সংসদের বিরোধী দল, মাঠের বিরোধী দল, জোট, মহাজোট ও অন্যান্য দল জোটের সুশীলরা লক্ষ্য করেন দেশ ও দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে সম্যক উপলব্ধি থাকার কথা নয়। আগামী ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচন, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব কর্তব্য, শাসন, প্রশাসন, আইন, বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও দেশের রাজনীতি থেকে শুরু করে সবকিছুর সুবিন্যস্ত ইঙ্গিতসহ কম বেশি দিক নির্দেশনাকে একেবারে ফেলে দেয়ার কথা নয়। কিন্তু দুঃখ হয় এখানেই আমরা পেছনে, ডানে ও বামে ফিরে তাকাই না।

গত ২৯ এপ্রিল শনিবার ২০১৭ ইং দৈনিক যুগান্তরের ৩ পৃষ্ঠায় পুলিশের ওপর নজরদারি এই শিরোনামে একটি নাতিদীর্ঘ সংবাদ ছাপা হয়েছে। এই সংবাদটি যদি কেউ পড়েন এবং এর মর্মকথা ও উপাত্তকে সম্বল করে যদি একটু এগিয়ে যাওয়া যায় তবে ্তুচঁনষরপ ধৎব ঃযব ঢ়ড়ষরপব, চড়ষরপব ধৎব ঃযব ঢ়ঁনষরপ্থ অর্থাৎ 'পুলিশই জনগণ এবং জনগণই পুলিশ' এই মর্মবাণীর সুস্পষ্ট ধারণাকে সামনে এগিয়ে যাওয়া নিয়ে সামনে এগুলে সফলতা না আসার কথা নয়। যদিও পুলিশ মহাপরিদর্শকের কথায় এ ব্যাপারে গণমাধ্যমে আশার বাণীও প্রকাশিত হয়েছে। পরিবেশিত সংবাদটি সার সংক্ষেপ তথ্য ও সূত্র মতে ও পুলিশ সদর দফতরের তথ্য মতে ৬ বছরে নানা অপরাধে জড়িত থাকার দায়ে ৭৭ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্যকে অর্থ দ-, তিরস্কার, বদলী, বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসর ও চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ গত এক বছরে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪ শতাধিক পুলিশ সদস্যের ব্যাপারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। গত ১৮ এপ্রিল ২০১৭ ইং কাফরুলের কচু খেতের নিউওয়েভ ক্লাবে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ পূর্ব বিভাগের সহকারী কমিশনার রুহুল আমিনসহ ১১ পুলিশ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর আগে ৭ এপ্রিল চাঁদাবাজির মামলায় উত্তরা পূর্ব থানার এ.এস.আই আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গত ১৮ নভেম্বর ২০১৬ ইং রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেল মোড়ে এক ব্যবসায়ীর নিকট থেকে টাকা ছিনিয়ে নেয়ার সময় হাতে নাতে ধরা পড়ে ট্রাফিক পুলিশের এক কনস্টেবল। গত ১৩ নভেম্বর ২০১৬ ইং পুলিশ হেফাজত থেকে আসামি রুবেলকে পালাতে সহায়তা করে বাড্ডা থানার এস.আই ইমরুল উল হাসান ও এক কনস্টেবল। গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সেবক আবুল ফজলকে পিটিয়ে আহত করে পুলিশ। একই বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি কল্যাণপুর পোড়া বস্তিতে পুলিশ রিকশা চালক সাজু মিয়াকে গুলি করে আহত করে। ৩ ফেব্রুয়ারি মিরপুরে পুলিশের সামনেই এক সোর্স চা দোকানদার বাবুলকে পুড়িয়ে হত্যা করে। গত ৩১ জানুয়ারি মোহাম্মদপুরে এক ছাত্রীকে অনৈতিক কাজের প্রস্তাব দেয় এক এস.আই। ২৯ জানুয়ারি উত্তরায় এক যুবক ও তার বান্ধবীকে আটকে ইয়াবা ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে আড়াই লাখ টাকা নেয় পুলিশ। ২০ জানুয়ারি এক নারীর শ্লীলতাহানীর অভিযোগে ওসি ভবানী শংকরসহ যাত্রাবাড়ী থানার ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা হয়। ১৫ জানুয়ারি যাত্রাবাড়ীতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের পরিদর্শক বিকাশ চন্দ্র দাসকে মারধর করে পুলিশ। ৯ জানুয়ারি মধ্যরাতে মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পের কাছে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বীর কাছ থেকে টাকা না পেয়ে এস.আই মাসুদ সরকার তাকে বেধড়ক পেটায়। এসব অপরাধ ছাড়াও পুলিশ সদস্যরা খুন, ছিনতাইসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যেখানে তাদের সম্পৃক্ততা নেই। এটা হলো ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২৯ এপ্রিল ২০১৭ ইং ঢাকা মেট্রোপলিটনের পুলিশের অপকর্মের আংশিক চিত্র। এদিকে গত ২৪ এপ্রিল ২০১৭ পুলিশ সদর দফতরে অপরাধ বিষয়ক ত্রৈমাসিক সভায় পুলিশের মহাপরিদর্শক এ.কে.এম শহীদুল হক বলেছেন, পুলিশ বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে দায়িত্ব কর্তব্যে অবহেলা বা কোনো অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ পেলে তাকে কোনো রকম ছাড় দেয়া হবে না। কোনো মাদক ব্যবসায়ীর সাথে পুলিশের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া মাত্রই তাকে চাকরিচ্যুত করা হবে। দৈনিক যুগান্তরের এ লেখা পড়ে অনেকেই মন্তব্য করে বলেছেন, এ ধরণের ঘটনা ৫৫ হাজার বর্গমাইলের দেশে অহরহ ঘটছে। যার কয়টা ঘটনার সংবাদই বা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

নিবন্ধনটির শেষ প্রান্তে এসে আবারও প্রথিতযশা সাংবাদিক কলামিস্ট বদরুদ্দীন ওমর, ফরহাদ মাযহার, আলমগীর মহিউদ্দিন প্রমুখদের যথাযথ সম্মান জানিয়ে বলতে হয়, তাদের লেখনিতে দেশের উপেক্ষিত জনগণকে যেমনিভাবে সাহস যোগাবে তেমনিভাবে দেশের রাজনীতি, শাসন, প্রশাসন, আইন, বিচার, নির্বাহী বিভাগ ও আগামী ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ অবাধ ও সকল দলের অংশগ্রহণ ও পক্ষপাতিত্বহীনভাবে সংবিধানিক নির্বাচন কমিশন যাতে সামনে এগিয়ে যায় এ ব্যাপারে তাদের ভূমিকাই জনপ্রত্যাশা। সব কথার পর মনীষীর বাণী পুনরায় স্মরণ করে বলতে হয় সত্য ও বাস্তব সংবাদ পরিবেশনের ব্যাপারে একজন সাংবাদিক ও কলামিস্টের দায়িত্ব কর্তব্য অপরিসীম অর্থাৎ সত্য উদঘাটনে তারা আপোষহীন ও (কমিটেড টু বি ট্রুথ) প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ.কে.এম শামছুল হক রেনু : কলামিস্ট
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৪
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬২৮.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.