নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৯ মে ২০১৭, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২২ শাবান ১৪৩৮
বনানীর ২ শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ
দোষ স্বীকার করে সাফাত ও সাকিফের জবানবন্দি
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর বনানীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে তাদের আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইসমত আরা এমি।

সূত্র জানায়, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশের উইমেন সাপোর্ট এন্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশনের (ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার) পরিদর্শক ইসমত আরা এমি আসামি নাঈমকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। এ কর্মকর্তা আসামি সাফাত এবং সাদমানকে আদালতে হাজির করে স্বীকারোক্তি গ্রহণের আবেদন করেন। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী আসামি সাদমানের এবং মহানগর হাকিম আহসান হাবীব আসামি সাফাতের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে গত ১২ মে সিএমএম আদালত আসামি সাফাতের ছয় দিন এবং সাদমানের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।

এদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পিপি আব্দুল্লাহ আবু আসামি নাঈমের রিমান্ড আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আইনজীবী এবিএম খায়রুল ইসলাম আসামি পক্ষে রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিনের আবেদন করেন। মামলাটির অপর দুই আসামি আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদের গাড়িচালক বিল্লাল হোসেন ও দেহরক্ষী রহমত আলী ওরফে আবুল কালাম আজাদ বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন।

গত ১৬ মে আদালত আসামি বিল্লালের চার দিনের এবং রহমতের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত ২৮ মার্চ জন্মদিনের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রন জানিয়ে অস্ত্রের মুখে ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ দুই ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে ৬ মে বনানী থানায় পাঁচ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে সাফাত ও নাঈম দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং তারা ঐ দুই ধর্ষিতা ছাত্রীর বন্ধু। অস্ত্রের মুখে তারা ঐ দুই ছাত্রীকে জিম্মি করে হোটেলের একটি কক্ষে নিয়ে রাতভর আটকে রেখে মারধর এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ভিডিও করেন। আসামিদের অপর তিনজন ধর্ষণে সহায়তা ও ভিডিও ধারণ করেন বলে মামলায় বলা হয়।

মামলায় বলা হয়, গত ২৮ মার্চ ঘটনার দিন আসামি সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান ঐ দুই ছাত্রী। এরপর ঐদিন তাদের রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা আটকে রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান আসামিরা। আসামি সাফাত আহমেদ ও নাঈম আশরাফ একাধিকবার তাদের ধর্ষণ করেন। ধর্ষণ করার সময় আসামি সাফাত গাড়িচালক বিল্লালকে দিয়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করেন। পরে বাসায় দেহরক্ষী রহমত আলীকে পাঠিয়ে তাদের ভয়ভীতি দেখান। ধর্ষিতারা ভয়ে লোকলজ্জার কারণে এবং মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে উঠে পরে আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে মামলার সিদ্ধান্ত নেন।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ২৮
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৩
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:২৬সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২২৭৩.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.