নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৯ মে ২০১৭, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২২ শাবান ১৪৩৮
বনানীতে ফের গণধর্ষণের শিকার যুবতী
জিডি করেও পারলেন না ইজ্জত বাঁচাতে
স্টাফ রিপোর্টার
একদল বখাটের যৌন হয়রানির কারণে রাজধানীর বনানী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এক যুবতী (২৩)। এর একদিন পরই ঐ বখাটেদের গণধর্ষণের শিকার হন। অভিযুক্ত ধর্ষকরা হলো জুনায়েদ, আলী হোসেন, সোহাগ, নাতিব আলী। ধর্ষণ ঘটনার পর পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেন ঐ নারী। বনানী থানার কড়াইল বস্তির ধর্ষিত ঐ পোশাককর্মী বিচারের আশায় এখন দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। পুলিশ ধর্ষকদের গ্রেফতার করতে পারেনি। ঐ নারীকে সমঝোতার প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে। অর্থ নিয়ে সমঝোতা না করলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে ধর্ষকরা। ঐ নারী জানান, অনেক দিন ধরে এলাকার চিহ্নিত চার ক্যাডার তাকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে ২ মার্চ বনানী থানায় জিডি করেন। জিডি করার কারণে ঐ দিন বিকালে ঐ বখাটেরা মারধর করেন। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলেও কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। পরদিন কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে রাত সাড়ে ৯টার দিকে মেয়েটিকে জোর করে তুলে নিয়ে যায় ঐ চার বখাটে। এ সময় চিৎকার করলে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মধ্যেই গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ধরেণ। এ পর্যন্ত বলেই হাউমাউ করে কাঁদতে থাকেন তিনি।

তিনি জানান, রাতভর তাকে বনানীর একটি বাসায় আটকে রেখে ঐ ক্যাডাররা নির্যাতন চালায়। এ সময় তারা বলতে থাকেন, আমরা চাইলে সব করতে পারি। কেউ আমাদের কিছু করতে পারবে না। পরদিন সকালে অচেতন অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয় ঐ যুবতীকে। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। সেখানে আট দিন চিকিৎসা শেষে থানায় মামলা করতে যান ঘটনার শিকার ঐ যুবতী । কিন্তু পুলিশ মামলা না নিলে থানায় বসে কান্নাকাটি শুরু করেন। এ সময় ওসি ধমক দিয়ে বলতে থাকেন, এটা কোনো কান্নাকাটির জায়গা নয়। এরপর ২৯ মার্চ ঢাকার সিএমএম আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে একটি নালিশি মামলা করেন। আদালত ১৮ এপ্রিল বনানী থানা পুলিশকে মামলা নিতে নির্দেশ দেন। এরপরও গড়িমসি করে প্রায় ১৪ দিন পর, ২ মে মামলা নেয় থানা পুলিশ। তবে পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষকদের ধরতে পারেনি এখনও।

অভিযুক্ত ৪ ধর্ষক অবৈধ গ্যাস-বিদ্যুতের লাইনের কারবার করে। পুলিশকে নিয়মিত মোটা অঙ্কের অর্থ দেয়। ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে থানায় ২ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ঐ যুবতী। ধর্ষিতা বারবার বলতে থাকেন, তিনি ঘটনার বিচার চান, আর কিছু চান না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বনানী থানার ওসি ফরমান আলী বলেন, ঘটনাটি ঠিক মনে নেই। ফাইল দেখে তারপর বলতে হবে।

ধর্ষিতার আইনজীবী অ্যাডভোকেট জিয়াউর রহমান খান বলেন, আদালত নির্দেশ দেওয়ার এতদিন পর কেন মামলা নেয়া হলো সেই প্রশ্নের উত্তর পুলিশই ভালো দিতে পারবে। আমি চাই ঐ নারী ন্যায়বিচার পাক।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীনভেম্বর - ২৫
ফজর৫:০১
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩০
সূর্যোদয় - ৬:২০সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৩০৭৯.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.