নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শুক্রবার ১৯ মে ২০১৭, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪, ২২ শাবান ১৪৩৮
বিচার বিভাগ স্বাধীন কিন্তু বিচারকরা নন : প্রধান বিচারপতি
দেশের উন্নয়ন প্রকল্পের শতকরা ৬০ টাকার হদিস থাকে না
স্টাফ রিপোর্টার
বিচার বিভাগ স্বাধীন কিন্তু বিচারকরা স্বাধীন নয়। বিচারকরা নিয়ন্ত্রণাধীন। কিছু রুলস আছে এথিক্স আছে এর বাইরে বিচারকরা যেতে পারেন না বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা বার সমিতি মিলনায়তনে আইনজীবীদের সাথে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

প্রধান বিচারপতি বলেন, বিচার বিভাগের ওপর আস্থা রাখলে দেশে অন্যায়-দুর্নীতি অনেক কমে যাবে। যত ক্ষমতাধর রাষ্ট্র হোক, যত ক্ষমতাধর রাষ্ট্রপ্রধানই হোক আইনের কাছে সে মাথা নত করে। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। এমন কি বিচারকরাও আইনের ঊর্ধ্বে নন।

এর আগের দিন গত বুধবার রাতে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে জেলা জাজশিপ আয়োজিত বিচার বিভাগীয় সম্মেলনে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, বর্তমানে উন্নয়ন প্রকল্পে ১০০ টাকার মধ্যে ৪০ টাকার কাজ হয় আর বাকি ৬০ টাকার কোনো হদিস থাকে না। প্রধান বিচারপতি বলেন, আইন প্রণয়নের সময় বিচারকদের সঙ্গে রাখলে আইনে এত গরমিল থাকত না। এতে করে মামলার জটও কমে আসত। তাই যারা আইন প্রণয়ন করেন তারা যেন বিচার বিভাগকে সঙ্গে রেখেই আইন করেন।

তিনি বলেন, ব্রিটিশ আমলের ত্রুটিপূর্ণ আইনগুলো সংশোধন করে বিচার ব্যবস্থাকে বিজ্ঞান সম্মত করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। সকলে মিলে একত্রে কাজ করতে পারলেই আমাদের দেশ সত্যিকারের সোনার বাংলায় রূপান্তর করা যাবে।

প্রধান বিচারপতি আরও বলেন, দেশটি আমাদের সবার, তাই দেশের জনগণের স্বার্থে সবাইকে যার যার দায়িত্ব নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে পালন করতে হবে।

সম্মেলনে উপস্থিত জেলা প্রশাসককে তিনি পবিত্র রমজান মাসে যাতে কেউ ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করতে না পারে সেজন্য মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিতে পরামর্শ দেন। তার আগে অবশ্যই তিনি তার বক্তব্যে মোবাইল কোর্টের ত্রুটির কথা উল্লেখ করেন।

এস কে সিনহা বলেন, বিচার ব্যবস্থার ত্রুটি ও বিচারক স্বল্পতার কারণে মামলা নিষ্পত্তি কম হওয়ায় সারাদেশে মামলার জট সৃষ্টি হয়েছে। বিচারপ্রার্থী জনগণের দুর্দশা লাগবে অবশ্যই এ জট নিরসন করতে হবে।

প্রধান বিচারপতি বলেন, পুলিশ প্রশাসনসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ, আইনজীবী ও বিচারকদের পুরাতন মানসিকতা পরিহার করে কাজ করে যেতে হবে। তিনি বলেন, মার্শাল ল এলেই দেশে অনিয়ম-দুর্নীতি বাড়ে। কোনো অবস্থাতেই যাতে দেশে আর এ পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয় তার জন্য সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রধান বিচারপতি।

টাঙ্গাইলের জেলা ও দায়রা জজ মো. রবিউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইলের বিশেষ জেলা জজ ওয়াহেদুজ্জামান সিকদার, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালেদা ইয়াসমীন, জেলা প্রশাসক খান মো. নূরুল আমীন, পুলিশ সুপার মাহবুব আলম ও জেলা এডভোকেট বারের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, মানবসভ্যতার চাবিকাঠি হচ্ছে ন্যায় বিচার। একটি জাতির মানদ- বিচার হয় সে দেশের বিচার ব্যবস্থার উপর। একটি দেশের সভ্যতা নিরূপণ হয় সে দেশের বিচার ব্যবস্থা কত উন্নত তার উপর। এই প্রতিষ্ঠানে যেই থাকুক তার উপর সম্মান রাখা মানে সংবিধানের উপর সম্মান রাখা। টাঙ্গাইল জেলা এডভোকেট বার সমিতির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাকের সভাপতিত্ত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আবু রায়হান খান, সাবেক সভাপতি কেএম আব্দুস সালাম প্রমুখ।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২৯
ফজর৩:৪৫
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪৩
এশা৮:০৬
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৮
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১৮০১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.