নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭ মে ২০১৮, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৩০ শাবান ১৪৩৯
ডিসিসিআই'র ওয়ার্কশপে বক্তারা
ফুলের চাষ শিল্প হিসেবে অবদান রাখতে পারে
অর্থনৈতিক রিপোর্টার
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ফুল ব্যবহারের চাহিদা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্তমানে প্রতিবছর সারা পৃথিবীতে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ফুলের চাহিদা রয়েছে। বাংলাদেশেও ফুলের চাষাবাদ একটি নতুন শিল্প হিসেবে অর্থনীতিতে অবদান রাখার সম্ভাবনা রাখে। গতকাল বুধবার রাজধানীর মতিঝিলস্থ ডিসিসিআই অডিটোরিয়ামে ইউএসএআইডি'র এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইনস (এভিসি) প্রকল্পের সহযোগিতায় ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি'র (ডিসিসিআই) উদ্যোগে আয়োজিত 'ফুলের চাষাবাদ খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা' শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

তারা বলেন, ফুলের বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবদান মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ থেকে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ। তবে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশের ফুল রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যেখানে ঐ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়েই ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ফুল রফতানি হয়েছে। বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে ফুলের চাষাবাদ হয় এবং এ খাতের সাথে প্রায় ২ লাখ লোক প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত। তাই ফুলের চাষাবাদসহ এ খাতের সার্বিক উন্নয়নে উদ্যোক্তাদের স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা প্রদান, নতুন নতুন চাষাবাদ পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান ও যন্ত্রপাতি সরবরাহ, কোল্ড স্টোরেজ নির্মাণ, এয়ারকন্ডিশন সুবিধা সম্বলিত পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থার প্রসারসহ এ খাতকে শিল্প হিসেবে ঘোষণার জন্য সরকারের প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।

বক্তারা আরো বলেন, বাংলাদেশের ফুল চাষকে শিল্প হিসেবে রূপান্তরের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। এশিয়া অঞ্চলের দেশগুলোতে জলবায়ু এবং মাটির উৎপাদন গুণাগুণ অনুযায়ী বাণিজ্যিকভাবে ফুলের চাষাবাদ এ অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন যার মাধ্যমে ফুল চাষাবাদ, প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বাজারজাতকরণ কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে। বর্তমানে প্রতিবছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং চীন ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ফুল রফতানি করে থাকে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সারা পৃথিবীতে ফুলের বাজরের পরিমাণ হবে প্রায় ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বাংলাদেশকে এ সম্ভাবনা কাজে লাগানোর জন্য এখনই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এজন্য বাণিজ্যিকভাবে ফুল চাষাবাদকে সফল করার জন্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান, স্বল্প সুদে উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন প্রদান এবং নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করতে হবে।

তারা বলেন, বাংলাদেশে ফুল চাষকে কৃষি খাতের একটি উপ-খাত হিসেবে শিল্পনীতির আওতাভুক্ত করার সুযোগ রযেছে। বাংলাদেশে জলাশয়ে ভাসমান ব্যবস্থায় ফুলের চারা উৎপাদন এবং প্রতিপালন ব্যবস্থা স্থলের বিকল্প সম্ভাবনা হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন- ডিসিসিআই'র সহ-সভাপতি রিয়াদ হোসেন, চায়না হর্টিকালচার বিজনেস সার্ভিসেস-এর সভাপতি হেইডি ওয়ারনেট, ডিসিসিআই'র মহাসচিব এএইচএম রেজাউল কবির, পরিচালক ইঞ্জি. মো. আল আমিন, প্রাক্তন সহ-সভাপতি এম আবু হোরায়রাহ, এভিসি প্রকল্পের চীফ অফ পার্টি পল বেনডিক, বাংলাদেশস্থ ইউএসএআইডি'র কনট্রাকটিং অফিসার অনিরুদ্ধ হোম রায় প্রমুখ।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীআগষ্ট - ২০
ফজর৪:১৬
যোহর১২:০২
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৩১
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:৩৬সূর্যাস্ত - ০৬:২৬
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪০৬৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.