নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭ মে ২০১৮, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৩০ শাবান ১৪৩৯
রাজধানীর পরিবহণ সঙ্কটে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না বিআরটিসি
এফএনএস
রাজধানীতে গণপরিবহন সমস্যায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু সরকারি পরিবহন সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি) রাজধানীর পরিবহন সংকটে কার্যকর কোনো ভূমিকাই রাখতে পারছে না। বরং সংস্থাটির বিভিন্ন ডিপোতে অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে বিআরটিসি লুটপাটের আখড়া হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। বিভিন্ন সময়ে নিম্নমানের বাস কিনে যানবাহনের সংখ্যা বাড়ালেও বিআরটিসি লাভজনক কার্যকর সংস্থা হিসেবে দাঁড়াতে পারেননি। সংস্থাটি বরং ভাড়া খাটা কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। বিআরটিসি সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বিআরটিসির প্রায় পৌনে ৩শ' সিঙ্গেল ও ডাবল ডেকার বাস বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে ভাড়া খাটছে। ফলে রাজধানীতে গণপরিবহন হিসেবে রাজপথে সরকারি সংস্থাটির ভূমিকা ক্রমেই কমছে। ফলে সরকারি সংস্থাটি রাজধানীর গণপরিবহনে কার্যকর কোনো ভূমিকাই রাখতে পারছে না। বর্তমানে বিআরটিসির বাস রয়েছে ১ হাজার ৫৩৮টি। তার মধ্যে গড়ে সাড়ে ৩শ বাস অচল হয়ে গ্যারেজবন্দি থাকে। সচল বাসের মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচল করে ৪৫০টি বাস। আর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, সরকারি অফিসের স্টাফদের পরিবহনে ব্যবহৃত হয় ২৭২টি বাস। ফলে ঢাকার সাধারণ যাত্রীদের ব্যবহারের জন্য বিআরটিসি বাসের সংখ্যা অত্যন্ত অপ্রতুল।

সূত্র জানায়, বর্তমানে রাজধানীতে বিআরটিসির সচল থাকা বাসের প্রায় অর্ধেকই স্টাফ বাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। মূলত বেশি মুনাফা বলেই স্টাফ বাসের প্রতি বিআরটিসির কর্মকর্তাদের আগ্রহ বেশি। পাশাপাশি ঢাকায় চলাচলকারী বাসের অর্ধেকেরও বেশি নিজেরা না চালিয়ে ব্যক্তিখাতে ইজারা দিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে সাধারণ যাত্রীরা বিআরটিসির কাছ থেকে কার্যকর সেবা পাচ্ছে না। বিআরটিসির স্টাফ বাস হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৮টি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫টি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮টিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন রুটে ১৩৫টি বাস চলাচল করে। তাছাড়া সচিবালয়ে ২৫টি, সুপ্রিম কোর্টে ১১টি, বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০টিসহ বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিসের স্টাফদের পরিবহনে চলে ১৩৭টি বাস।

সূত্র আরো জানায়, বিগত কয়েক বছরে রাজধানীর রাজপথে ব্যক্তিগত ছোট গাড়ির বিস্তার ও ক্রমবর্ধমান যানজটের কারণে বাসযাত্রীদের ভোগান্তি বেড়ে গেছে। সড়ক পরিবহন সমিতির নেতাদের মতে, রাজধানীতে দুর্বিষহ যানজটের কারণে বাস ও মিনিবাসের ট্রিপ সংখ্যা কমে গেছে। সেজন্য পরিবহন ব্যবসায়ীরা সড়কে নতুন বাস নামাতে চায় না। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় ঢাকার রাস্তায় বাস-মিনিবাস বাড়ছে না। কয়েক বছর আগেও রাজধানীতে প্রায় ৭ হাজার বাস-মিনিবাস চলাচল করতো। কিন্তু গত কয়েক বছরে যাত্রী বাড়লেও যানবাহন তেমন বাড়েনি। বরং কমে গেছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ'র হিসাব মতে, ঢাকার রাস্তায় বর্তমানে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার বাস চলছে। তারমধ্যে মিনিবাস ৩ হাজার ১২৬টি, আর বাস আছে ২ হাজার ২৮১টি।

এদিকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরকারি পরিবহন সংস্থার বাস ভাড়া খাটা প্রসঙ্গে বিআরটিসি সংশ্লিষ্টরা বলেন, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চুক্তিতে চললেও বিআরটিসির বাসগুলো তো যাত্রীই পরিবহন করে। ওসব যাত্রীরা তো কোনো না কোনো পরিবহনে চলাচল করতো। মূলত স্টাফ বাস হিসেবে ব্যবহৃত বিআরটিসির বাসগুলো রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হয়। তাছাড়া ওসব বাসের আয় নিয়েও কর্তৃপক্ষকে ভাবতে হয় না।

অন্যদিকে এ প্রসঙ্গে বিআরটিসির চেয়ারম্যান ফরিদ আহমদ ভূঁইয়া জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যাতায়াতের প্রয়োজনে বিআরটিসি বাস ভাড়া দেয়া হয়। তবে বেলা ১০টা-৪টা ওই বাসগুলো গণপরিবহনে কাজ করে। গণপরিবহনের সুবিধা বাড়াতে এবছরেই বিআরটিসির বহরে যুক্ত হচ্ছে ৩০০ ডাবল ডেকার। তাছাড়া পাবলিক বিশ্বদ্যািলয়ের বাসগুলোতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী যাতায়াত করে। তাকে মূলত গণপরিবহনই বলা চলে। তারপরেও যাত্রী সেবায় জোর দিতে এ বছর বেশ কয়েকটি কোম্পানি থেকে আমরা বাস ফিরিয়ে নেয়া হচ্ছে। তাদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে তার মেয়াদ না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২০
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫১
মাগরিব৫:৩২
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৮৫৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.