নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭ মে ২০১৮, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৩০ শাবান ১৪৩৯
কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে ভেঙে গেছে ফসল রক্ষাবাঁধ
৫ শতাধিক একর জমির ফসল হুমকিতে
কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) থেকে সুবল চন্দ্র দাস
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টির পানিতে মিঠামইনের একটি ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। উপজেলার মেঘনা নদীর তীরবর্তী কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের কাদির খলা এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে নির্মিত বাঁধটি ভেঙে যায়। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার ফলে তলিয়ে যাচ্ছে ঐ এলাকার ফসলি জমি। এতে মিঠামইন ও পার্শ্ববর্তী অষ্টগ্রাম উপজেলার ৫ শতাধিক একর জমির ফসল হুমকির মুখে পড়েছে। কলমা ইউনিয়নের বাডুরা, বিল মাসকা ও তোফার হাওড়ে নতুন করে পানি ঢুকে পড়েছে। ত্রুটিপূর্ণ ও নিম্নমানের কাজের ফলে বাঁধটি ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষকরা। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, বাঁধ এলাকার হাওড়ে এখনও ৫ শতাধিক একর জমির ফসল কাটা অবশিষ্ট রয়েছে। এখন বাঁধটি ভেঙে যাওয়ায় সেসব জমির ধান কাটা নিয়ে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের অভিযোগ, ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণের সময়ই নিম্নমানের কাজের অভিযোগ ছিল। কর্তৃপক্ষ তাদের সেই অভিযোগ আমলে নেয়নি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প পরিদর্শকের যোগসাজশে পিআইসি কোনো রকমে কাজ করে বাঁধ নির্মাণ সমাপ্ত ঘোষণা করেন। এই কারণে পাহাড়ি ঢলের ধাক্কা না লাগতেই বাঁধটি ভেঙে যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মিঠামইন উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে এবার পাঁচটি ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ করা হয়। এর মধ্যে কাদিরখলা এলাকার ফসল রক্ষা বাঁধটির পিআইসি সভাপতি ছিলেন কেওয়ারজোড় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মেনু চৌধুরী। তিনি জানান, ৮০০ মিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পটির কাজের জন্য ২২ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল। প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। মেঘনা নদীর পানির প্রবল চাপে বাঁধটির আংশিক ভেঙে গেছে। এ ছাড়া পানির চাপে বাঁধের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। এই বাঁধ এলাকার হাওড়ের জমির ফসল কাটা প্রায় শেষ। তাই বাঁধটি ভেঙে গেলেও কোনো ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প তদারকি কর্মকর্তা মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, বাঁধের কাজ সঠিকভাবেই সম্পন্ন করা হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি। এই হাওগে শতকরা ১০ ভাগের মতো জমির ফসল কাটা বাকি রয়েছে। বাঁধ ভেঙে যাওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করা হয়েছে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমে - ২২
ফজর৩:৪৮
যোহর১১:৫৫
আসর৪:৩৪
মাগরিব৬:৪০
এশা৮:০১
সূর্যোদয় - ৫:১২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৮৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.