নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বৃহস্পতিবার ১৭ মে ২০১৮, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫, ৩০ শাবান ১৪৩৯
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংকট ও বিশ্ব রাজনীতি
ড. রাশিদ আসকারী
মায়ানমারের বিচার মানি তালগাছটা আমার মানসিকতা এবং বিগ ফাইভের (জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্য) আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ের কারণে বিশ্বস্বীকৃত এবং সমর্থিত রোহিঙ্গা-প্রত্যাবাসনের বিষয়টি দীর্ঘসূত্রতার চোরাবালিতে আটকা পড়েছে। রোহিঙ্গা-নিয়তির সবচেয়ে বড় পরিহাস হলো তাদের দুর্দশায় সবাই চোখের জল ফেলছে, ঘটা করে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করছে, বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়িয়ে মাথায় সাহায্যের হাত বুলাচ্ছে, ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে আবেগাপ্লুত কণ্ঠে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে, সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে কিন্তু দিনশেষে যথাপূর্বং তথা পরং। দিনভর পাহাড় বেয়ে উপরে তোলা সিসিফাসের প্রস্তরখ-ের মতো গড়িয়ে পূর্বের জায়গাতেই ফিরে আসছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বহুল প্রত্যাশিত সামপ্রতিক সফরেও এর কোনো হেরফের ঘটেনি। অথচ মানবজাতির এই বিশ্বসংঘের সবচেয়ে ক্ষমতাধর সদস্য দেশের প্রতিনিধিদের এই সফর নিয়ে কৌতূহল আর প্রত্যাশার কোনো অন্ত ছিল না। ইউএনএসসির (ইউনাইটেড নেশনস সিকিউরিটি কাউন্সিল) সভ্যবৃন্দ মানবতার এই চরম বিপর্যয় স্বচক্ষে দেখে এবং এর করুণ কাহিনী স্বকর্ণে শুনে বিস্মিত হচ্ছেন। কঙ্বাজারের শরণার্থী শিবিরে তাদের দুর্ভোগ দেখে বিবেকতাড়িত হয়েছেন। নিরাপত্তা পরিষদের সব সদস্যই সমন্বরে একে একটি ঘোরতর সঙ্কট হিসেবে চিহ্নিত করেছেন- তারপরও নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যবৃন্দের কারো কারো মুখের কথায় পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় ঠা-া জল ঢালার মতো আলামতেরও সাক্ষ্য মেলে এবং সম্ভবত নিরাপত্তা পরিষদের ওইসব ক্ষমতাধর সদস্যের আশ্রয়-প্রশয়ে মায়ানমার প্রতিশ্রুতি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে। শর্তের বিপরীতে শর্ত জুড়ে দিয়ে দীর্ঘ সূত্রতার পথ ধরে এগোচ্ছে। কূটকৌশল আর চাতুরির আশ্রয় নিয়ে নিকটতম প্রতিবেশীর সঙ্গে অসদ্ভাব বৃদ্ধি করে চলেছে অন্যদিকে তেমনি জাতিসংঘকে দেয়া প্রতিশ্রতিও ভঙ্গ করছে। মায়ানমারের কথা ছিল বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের ঐচ্ছিক ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার সব দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু কার্যত রোহিঙ্গা-শনাক্তকরণের কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়ে চালুনি দিয়ে জল তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইউএনএসসি দল মিয়ানমার সফরে গেলে তারা নিশ্চয়ই সবিস্তারে দৃষ্টাস্তসহযোগে বোঝাবার চেষ্টা করবে কি কারণে তারা সেপ্টেম্বর ২০১৭তে বাংলাদেশের সঙ্গে স্বাক্ষরিত রোহিঙ্গা-প্রত্যাবাসন চুক্তি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হচ্ছে। উদোর পি-ি বুধোর ঘাড়ে চাপাতে চাইবে।

তবে যত বাহানার আশ্রয় নিক না কেন রোহিঙ্গা নির্যাতন ইস্যুতে খুব সহজে পার পাওয়া মায়ানমারের আধা গণতন্ত্রী-আধা-সামরিক সরকারের পক্ষে কষ্টকর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে যাদু-সমাধান (গধমরপ ঝড়ষঁঃরড়হ) খুঁজে না পেলেই বিশ্ব বিবেকের চাপে ইউএনএসসিকে একসময় সমবেতভাবে মানবতার নির্যাতক মায়ানমারের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিতেই হবে। বর্মিদের রোহিঙ্গা নির্যাতন এবং উদ্বাস্তু রোহিঙ্গার বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ ১৯৭০-এর এবং ১৯৯০-এর দশকেও হয়েছে। কিন্তু ইউএনএসসি তখন তাকে গুরুত্ব দেবার প্রয়োজন মনে করেনি। কিন্তু এবারে আর তারা এড়াতে পারেনি। ইউএনএসসির পুরো টিমই এসেছে বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের দেখতে। এই প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর পরিষদটি রোহিঙ্গা নির্যাতনের বাস্তবতা ও ভয়াবহতা প্রত্যক্ষ করল। জাতিসংঘ ইতিমধ্যেই রোহিঙ্গা নির্যাতনের সাক্ষ্য সংগ্রহের জন্য একটি তথ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে। লক্ষ্য হলো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের বিচার করা এবং অপরাধীদের শাস্তি দেয়া। ইউএনএসসির এই সফর আন্তর্জাতিক আদালতে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ এবং গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ার অনুকূলে একটি পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হবে। সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন দলের সরেজমিন পরিদর্শন এবং লিখিত প্রতিবেদন অপরাধীর বিপক্ষে অকাট্য দলিল হিসেবে গণ্য হবে।

শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে রাখাইনের রোহিঙ্গারা নির্যাতিত হয়ে আসছে। এই নির্যাতনের মাত্রা এখন স্ফুটনাংক ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এখন সময় এসেছে এর বিচারের। রোহিঙ্গা সঙ্কটের একটি টেকসই সমাধানের। জাতিসংঘ স্বীকার করেছে যে, বর্তমান সময়ের সবচেয়ে নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর নাম রোহিঙ্গা। নিরাপত্তা পরিষদও বিষয়টি আমলে নিয়েই পরিদর্শনে এসেছে। এতকিছুর পরও যদি কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না ঘটে তাহলে জাতিসংঘ একটি দন্তনখরবিহীন কাগুজে বাঘ হিসেবে প্রতিভাত হবে এবং তা জাতিপুঞ্জের (খবধমঁব ড়ভ ঘধঃরড়হ)-এর দিকে প্রত্যাবর্তনসম হবে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের ব্যর্থতা, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের ব্যর্থতা কিংবা নিষ্ক্রিয়তার এক বিরাট মাশুল মানবজাতিকে দিতে হবে। মিয়ানমারে নাৎসিবাদ ও ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান হবে। বর্ণবৈষম্যবাদ দস্ত বিকশিত করে অট্টহাসি দেবে। হিটলার-মুসোলিনির প্রেতাত্মারা ভর করবে মায়ানমারের শাসকগোষ্ঠীর ওপর। মিয়ানমার সরকারের রোহিঙ্গা নির্যাতন-জাতিগত নিধন এবং গণহত্যায় পর্যবসিত হয়েছে। একে সব বিবেচনাতেই হিটলারের নাজিবাদী জার্মানি এবং মুসোলিনির ফ্যাসিবাদী ইতালির একালের সংস্করণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এক দুর্মর জাতিগর্বী স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের (ঙহব হধঃরড়হ, ড়হব ৎধপব, ড়হব পড়ঁহঃৎু) ধারক-বাহক বর্তমান মিয়ানমার তথাকথিত ঐক্য ও সংহতির নামে বহুজাতিবাদ এবং বহু সংস্কৃতিবাদের এই যুগে কেবলমাত্র বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্রিক এক ধর্মীয় প্রজাতন্ত্র বানানোর স্বপ্নে বিভোর রয়েছে। প্রবল বিদেশাতঙ্কের (ঢবহড়ঢ়যড়নরধ) ঘোরে আক্রান্ত দেশটি ব্রিটিশ স্বামী ও সন্তানের দোহাই দিয়ে মায়ানমারের জন্ম নাগরিক অং সান সু চিকেও রাষ্ট্রপতির পদে বসতে দেয়নি। দেশটির উগ্র স্বাজাত্যবাদী ফ্যাসিস্ট মানসিকতা এবং এর ধারক-বাহক সেনাবাহিনী শাস্তিতে নোবেল বিজয়ী সু চিকে অশান্তির রানী বানিয়ে রেখেছে এবং তার স্টেট কাউন্সিলরশিপকে রাবার স্ট্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করছে। আর শুধু রোহিঙ্গাদের ক্ষেত্রেই নয়, বৃহত্তর খ্রিস্টান সমপ্রদায় অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চলের কাচিন, পশ্চিমাঞ্চলের চীন এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নাগা নৃগোষ্ঠীর ওপর মিয়ানমার সরকারের নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের বিষয়টি বিশ্ব সংবাদ মাধ্যম এবং আন্তর্জাতিকমহলের নজরে আনলেও কাচিন-চিন-নাগাদের বিষয়টি তেমনভাবে আসেনি। মায়ানমারের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে বৌদ্ধবাদের শেকড়ের কথা বলে ধর্মীয় সুড়সুড়ি দিয়ে চতুর সামরিক বাহিনী জাতিগত নিধনকে এক ধরনের সাংস্কৃতিক বৈধতা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। বৌদ্ধধর্ম দাপ্তরিকভাবে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত না হলেও বর্মি সংস্কৃতির রক্ষক হিসেবে এর বিশেষ অবস্থান নির্ধারণের ওপর জোর দিচ্ছে। উদার গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের এই যুগে মিয়ানমার সরকারের এই পাড় সামপ্রদায়িক ও বর্ণবাদী রোহিঙ্গা-কাচিন নীতি ও তার নির্মম বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া প্রতিহত না করা গেলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় নব্য নাজিবাদের জন্ম হবে। অহিংসা, ঐক্য, সহযোগিতা ও মৈত্রীর যে মহাব্রত নিয়ে এই বৃহত্তর অঞ্চলের সামগ্রিক অগ্রযাত্রার স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তা একটি একচক্ষু দানবের কারণে নস্যাৎ হবে।

এসব বিবেচনায় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর সময় এসেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বের সব শাস্তিকামী মানবতবাদী দেশের। জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে ঐকমত্য রচিত হয়েছে যে-রোহিঙ্গা সমস্যার সূত্রপাত যেহেতু মিয়ানমারে, সমাধানও সেই মিয়ানমারকেই করতে হবে। রোহিঙ্গাদের এক চরম মানবিক-আস্তিত্তি্বক সঙ্কটে বাংলাদেশ যে পরম মমতায় তাদের আশ্রয় দিয়েছে এবং সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার কন্যা উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন সেখানে যদি বাংলাদেশকে এই দুর্বহ ভার চিরকাল বহন করে চলতে হয় তাহলে পরবর্তীতে বিপন্ন মানবতার পাশে কেউ দাঁড়ানোর ঝুঁকি নিতে চাইবে না।

একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক-নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচার জন্য এক কোটি শরণার্থী প্রতিবেশি ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। দেশ স্বাধীন হলে তাদের স্বেচ্ছায় ফিরিয়ে নেয়া হয়েছে। বস্তুত এই দৃষ্টান্তে অনুপ্রাণিত হয়ে শেখ হাসিনা মায়ানমারের নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন। সিরিয়ার নির্যাতিত শরণার্থীদের আশ্রয় দিয়ে জার্মানির এঙ্গেলা মারকেল যে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত হন শেখ হাসিনা তার চেয়ে অধিক মর্যাদায় উন্নীত হন তার মানবিক ঔদার্য্য ও সাহসিকতার জন্য। এখন বাংলাদেশের জন্য করণীয় হলো নিরবচ্ছিন্নভাবে কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাওয়া। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ইস্যুটিকে প্রাসঙ্গিকভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। এর সমর্থনে আন্তর্জাতিক সাড়াও মিলছে আশাব্যঞ্জকভাবে। এখন ইউএনএসসির বিগ ফাইভের মধ্যে মিয়ানমারপন্থি রাশিয়া এবং চীনের তুষ্ণীভাবের কারণে পুরো প্রক্রিয়াটি ভেটো রাজনীতির শিকার হতে পারে। এ এক অদ্ভূত রাজনীতি। ১৯৪৬ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত ২৫৮ বার ভেটো প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু সামপ্রতিককালে মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ শনাক্তকরণ ও তা প্রতিহতকরণ প্রক্রিয়ায় রাশিয়া এবং চীনের ভেটো-রাজনীতি এক উদ্বেগজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। ২০১৭ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারির টঘ রেজুলেশনে ভেটো দিয়ে রাশিয়া ও চীন এক অলিখিত ভেটো জোট গঠন করে। এই ভেটো জোট মায়ানমারের বিরুদ্ধে আনিতব্য কোনো সিদ্ধান্তেও সমভাবে কাজ করবে কি-না তা ভাববার বিষয়। তবে আশার কথা হলো এই দুটো দেশের সঙ্গেই বর্তমান বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং দক্ষিণ-এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধিষ্ণু প্রভাব রাশিয়া-চীন এবং ভারতকে বাংলাদেশের স্বার্থের প্রতিকূল ইউটার্ন নেয়ার ব্যাপারে উৎসাহিত করবে না। এদিকে আন্ত্মর্জাতিক মহলের চাপ তো রয়েছেই। আসল কথা হলো বাংলাদেশেকে একটা সুসামঞ্জস্যপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যেতে হবে। টঘঝঈ থেকে আশাব্যঞ্জক সাড়া না মিললে আবারও টঘএঅ (টহরঃবফ ঘধঃরড়হং এবহবৎধষ অংংবসনষু)-এর দিকে ঝুঁকতে হবে। ২০০৫ সালের ওয়ার্ল্ড সামিটে গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, জাতিগত নিধন এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ দমনের অভিপ্রায় নিয়ে জবংঢ়ড়হংরনরষরঃু : চৎড়ঃবপঃ (জ২চ) নামে যে বৈশ্বিক অঙ্গীকার গৃহীত হয়েছিল-তার আলোকেও বাংলাদেশ সাধারণ পরিষদের কাছে রোহিঙ্গা নির্যাতন দমনের উপায় খুঁজতে পারে। সমস্যা একটি, কিন্তু তার সমাধানের উপায় নিশ্চয়ই একাধিক। একুশ শতকের বিশ্ব রাজনীতির জটিল আবর্তে মায়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট এবং বাংলাদেশের রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংকট ঘুরপাক খেতে খেতে অনিশ্চয়তার অতলান্তে হারিয়ে যাক তা কোনো সুস্থ বিবেকের কাম্য হতে পারে না। রাজনীতি মানুষের জন্য। মানুষ রাজনীতির শিকার হয়ে চিরদিন থাকতে পারে না। মাতৃভূমিতে নিরাপদ প্রত্যাবর্তন এবং নিরূপদ্রব জীবনযাপনের প্রত্যাশী যেমন রোহিঙ্গারা নিজে তেমনি বিশ্বের প্রতিটি শাস্তিকামী মানুষ। মানবতার জয় হোক।

ড. রাশিদ আসকারী : কলামিস্ট
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২০
ফজর৪:৪২
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫১
মাগরিব৫:৩২
এশা৬:৪৪
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৭
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৮৪৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.