নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২৯ রজব ১৪৩৯
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন
গত বছরের ২৫ আগস্ট মায়ানমারের রাখাইনে সামরিক বাহিনীর আক্রমণ শুরু হলে প্রাণ বাঁচাতে রোহিঙ্গারা দলে দলে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে শুরু করে। মানবিক দিক বিবেচনা করে বাংলাদেশও তাদের আশ্রয় দেয়। জানা যায়, সেই থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নিয়েছে। এর মধ্যে তাদের প্রত্যাবাসনের জন্য দুই দেশের সরকার দুটি চুক্তিও করেছে। এ নিয়ে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হয়েছে। আর সমপ্রতি পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত খবরে জানা গেল, মায়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের জন্য জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ। উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে ইউএনএইচসিআরের সদর দপ্তরে এই স্মারক সই হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এবং ইউএনএইচসিআরের মহাপরিচালক ফিলিপো গ্র্যান্ডি নিজ নিজ পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে সই করেন।

আমরা বলতে চাই, যখন সমঝোতা স্মারকে সইয়ের ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, এই সমঝোতা স্মারক সইয়ের ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়াটি সহজ হবে। আর রোহিঙ্গারা যে স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরত গেছেন, এর মাধ্যমে সেটিও নিশ্চিত হওয়া যাবে- তখন ইতিবাচক বলেই প্রতীয়মান হয়। এটা বলা দরকার, তথ্য মতে, এর আগে ১৯৯২ সালে যখন রোহিঙ্গারা এসেছিল, তখনও ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে একই ধরনের চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। আর এবারও সেই চুক্তির আদলে এবং বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে নতুন করে সমঝোতা স্মারকটি চূড়ান্ত্ম করে সই করা হয়েছে। আমরা বলতে চাই, যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা প্রত্যবাসনের বিষয়টির সুরাহা করতে হবে। যদিও এটা সুখকর যে, এখনো আন্ত্মর্জাতিক মহল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে তৎপর রয়েছে। আমরা চাই, কোনো ধরনের তৎপরতা যেন বৈঠক আর আলোচনাতেই সীমাবদ্ধ থেকে না যায়। যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা সংকট নিরসন জরুরি। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সমঝোতা স্মারকে রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার অধিবাসী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এ ছাড়া চুক্তিতে প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত বিষয়ে সরকার ও জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার ভূমিকা ও কার্যক্রম সম্পর্কে বিশদভাবে বলা আছে। স্মারক অনুযায়ী, রোহিঙ্গাদের তথ্য সরবরাহ, কাঠামো তৈরির জন্য জমি দেয়া ও অন্যান্য সুবিধা নিয়ে কাজ করবে সরকার। অন্যদিকে, রোহিঙ্গাদের যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া, তাদের অস্থায়ী ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া, চিকিৎসা ব্যবস্থাসহ অন্যান্য সুবিধা দেয়ার পাশাপাশি মায়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও সম্মানের সঙ্গে বেঁচে থাকার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবে ইউএনএইচসিআর। এর আগে, গত জানুয়ারি মাসে সরকার ও শরণার্থী সংস্থা তথ্য সরবরাহ সংক্রান্ত্ম একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছিল, যা মূল প্রত্যাবাসন চুক্তির সহায়ক হিসেবে কাজ করবে এমনটিও জানা যায়। আমরা বলতে চাই, আন্তর্জাতিক চাপের মুখে যখন গত বছরের ২৩ নভেম্বর মায়ানমারের রাজধানী নেপিদোয় রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের সঙ্গে একটি চুক্তি সই করে মিয়ানমার। ওই চুক্তি অনুযায়ী ্তুঅ্যারেঞ্জমেন্ট অন রিটার্ন অব ডিসপ্লেসড পারসন্স ফ্রম রাখাইন স্টেট্থ শীর্ষক চুক্তি অনুযায়ী ২৩ জানুয়ারির মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু হওয়ার কথা, কিন্তু সেটা বিলম্ব হওয়াকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উৎকণ্ঠা সৃষ্টি হয়েছে। সঙ্গত কারণেই প্রত্যাবাসন সংক্রান্ত চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে কূটনৈতিক তৎপরতা ও আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার বিকল্প নেই।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ২০
ফজর৪:১৪
যোহর১১:৫৮
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪১
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫০০.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.