নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২৯ রজব ১৪৩৯
কৃষকের মাথায় হাত
ঝিনাইগাতীতে বস্নাস্ট রোগে আক্রান্ত আসন্ন বোর ফসল
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার সদরসহ কয়েকটি এলাকায় নেক বস্নাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে আসন্ন বোর ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। দেশিয় ২৬/২৮ ও হিরা ৮ ধানে বস্নাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে ককেকশ হেক্টর জমির উঠতি ফসল বিনষ্ট হয়েছে। আসন্ন বোর ফসলের নামা এলকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে ধানের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হওয়ায় আশানুরূপ ফসল না পাওয়ার ফলে কৃষকের মাথায় হাত পড়েছে।

উপজেলার দড়িকালিনগর, বগাডবি, পাগলারমুখ, দিঘিরপাড়, বনকালি, শারিকালিনগর ও তামাগাও, ধানশাইল, বনগাও, চতল মাছপাড়া ও ঘাগড়া গ্রামসহ অনেক জায়গায় রোগের কারণে ধানের সন্ধান মিলেনি। দুর থেকে দেখা যয় ধান পেকে আছে কাছে গেলে ধানের শিষে চিটা আর চিটা। ধান থোরের নিচের মুল অংশটুকো এ রোগে আক্রান্ত হয়ে পচে যাওয়ার ফলে মরা শিষ হয়েছে। একর প্রতি ৫ থেকে ৮ মোন ধান পাচ্ছে না কৃষকরা।

দেশিয় ২৬/২৮ ধানের আবাদি কৃষকরা এবারও ফসল ক্ষতি হওয়ায় মাথায় হাত পড়েছে। অথচ একর প্রতি কৃষকের খরচ হয়েছে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা এবার তা পুষিয়ে নিতে না পারায় দাদনের খপ্পরে পড়বে অনেক কৃষক। গত বছর আগাম বন্যায় ২টি ফসল এবার পোকা মাকড় ও বস্নাষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে চিটা সহ নিরুপায় হয়ে ধানের আটি কেটে নিয়ে বাজরে বিক্রি করছে কৃষকরা। অনেক কৃষকের থোর ধানে শীল পড়ায় ধানের কিছু ক্ষতি হয়েছিল।

কৃষক প্রতিনিধি ও সাবেক উপজেলা চেয়রম্যান জমশেদ আলী, বলেন ধান কেটে কৃষকের শ্রমিকের খরচ উঠছে না ধান নাই বাদ্য হয়ে কৃষকরা চিটা সহ আটি নিয়ে ৮ থেকে ১০ টাকায় প্রতি আটি বিক্রি করছে বাজারে গো খাদ্য হিসাবে। কৃষক লুৎফর রহমান ও আ. শহীদ জানান গত বছর আমন ও বোর ফসল প্রাকৃতিকর্ দুেযাগের কারণে ফসলের মুহুমুহু গন্ধ পায়নি আমরা এবার ধানের মরণব্যাধি বস্নাষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়ে আমরা সহ অনেক কৃষক ব্যাপক ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। তারা আরো জানান ফসলের মাঠ পর্যায়ে তদারকির অভাব ধানের বীজে ভেজাল সঠিক সময়ে ওষুধ প্রয়োগ না করার ফলে ক্ষতি গ্রস্থের মুখে পড়েছে কৃষকরা। অপর দিকে, বাজরে ভেজাল কিটনাশক ব্যবহার করে প্রতারণার শিকার হয়েছে অনেক কৃষক।

১২ এপ্রিল চাপাঝুড়া গ্রামের মকবুল হোসেন স্থানীয় কৃষি বিতান দোকান থেকে নাটাবো নামে কিটনাশক ক্রয় করে ২ একর জমিতে ২৬ ধানে ২বার প্রয়োগ করে ফল পায়নি বলে দুপুড়ে মরা শিষ নিয়ে এসে দোকানে কান্নাজড়িত কন্ঠে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উপজেলা কৃষি অফিসের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

মতিন নামে এক কৃষক ২৮ ধানে ২ একর জমিতে বার বার কিটনাশক ব্যবহার করেও কোন ফল না পাওয়ায় দিশাহারা হয়ে পড়েছে। পুনরায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ আক্রমন করলে কৃষক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে না পেরে দিশাহারা হয়ে পথে নামবে বলে জানান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আওয়াল জানান নেক বস্নাষ্ট রোগটি সবর্ত্রে এখনও ছড়িয়ে পড়েনি।

কিছু এলাকায় আক্রমন করেছে গোড়ায় আক্রমন হলে একশ পার্সেন্ট ধান ক্ষতি হয়ে যাবে। রোগের লক্ষন দেখতে পেয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে ক্যাম্পেইন করেছি যে সমস্ত কৃষক আমাদের পরামর্শ নিয়েছে তারা এ রোগ থেকে রেহাই পেয়েছে আর যারা আমাদের পরামর্শ ছাড়া কিটনাশক ব্যবহার করেছে তারা ক্ষতি গ্রস্থের মুখের কবলে পড়েছে । তিনি আরো বলেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে আমাদের ১৪ হাজার ৭শ ৩০ হেক্টর জমির উঠতি বোর ফসলের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীঅক্টোবর - ২২
ফজর৪:৪৪
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩০
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৯সূর্যাস্ত - ০৫:২৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
১২২৩১.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata123@gmail.com, bishu.janata@gmail.com
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.