নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২৯ রজব ১৪৩৯
১২ কোটি টাকা ব্যয়ে
রৌমারীতে কাজে আসছে না রাবার ড্যাম
সেচ সঙ্কটে কৃষক
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) থেকে সাখাওয়াত হোসেন সাখা
ভরা ইরি-বোরো মৌসুমেও কৃষকের কাজে আসছে না কুড়িগ্রামের রৌমারীর খেয়ারচর জিঞ্জিরাম নদীতে রাবার ড্যাম। উদ্বোধন হওয়ার পর থেকে একবাড়ও প্রায় ১৮শ হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা দেয়া হয়নি। রাবার ড্যামের পানিপ্রবাহের নালা নেই, ড্যাম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া, রাবার ড্যামের আশপাশে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারদের খামখেয়ালিপনার কারণেই কৃষকরা সেচ সুবিধা পাচ্ছে না। এ কারণে ঐ এলাকায় বোরো চাষাবাদ কমে এসেছে। চলতি মৌসুমে মাত্র শ'খানেক হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা হয়েছে।

কৃষকদের অভিযোগ, উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের খেয়ারচর জিঞ্জিরাম নদীতে এই রাবার ড্যাম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সমিতির নেতারা কোনো দিনও রাবার ফোলাইনি। তাই পানি না পেয়ে কৃষকরা বিকল্প দোল- সেচনি ও মেশিন দিয়ে খেতে সেচ দিচ্ছে।

অন্যদিকে রাবার ড্যামের পানির সব ধরনের সুবিধা থাকলেও কেন পাচ্ছে না কৃষক, তা এলাকায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রাবারড্যাম দেখতে হাজারো লোকজন ছুটে চলে ঐ প্রান্তে। দেখতে যায়, স্কুলগামী শিক্ষার্থীরাও। কিন্তু সেখানে আবাদি জমিতে কোনো ধরনের সেচের সুবিধা দিচ্ছে না। এতে ঐ অঞ্চলের সাধারণ কৃষক সেচের সুবিধা পাচ্ছে না।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, ২০১১-১২ অর্থবছরে কৃষি সেচ প্রকল্প আওতায় জিঞ্জিরাম নদীতে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে রাবার ড্যামটি নির্মিত হয়। একই সঙ্গে ঐ নদীসংলগ্ন এলাকায় সেচ সুবিধা দেয়ার জন্য কোনো ধরনের পানিপ্রবাহের নালা তৈরি করা হয়নি। যা উক্ত পানিপ্রবাহের প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে নালা তৈরি করার বরাদ্দও ছিল। আজও স্বল্প খরচে সেচ সুবিধা পায়নি এলাকার মানুষ। ইরি-বোরো চাষসহ রবিশস্য চাষে নতুন দিগন্তের সূচনা হয় ঐ অঞ্চলে। ড্যামটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য একটি পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতি গঠন করা হয়। বর্তমান এ সমিতির সদস্যসংখ্যা প্রায় ৩শ জন। প্রথম বছরে থেকে পুরোদমে রাবার ড্যামের সেচ সুবিধা দেয়ার কথা থাকলেও তা আজও আলোর মুখ দেখা যায়নি। এখনও সুবিধা থেকে বঞ্চিত কৃষকরা। এ বিষয় জানতে চাইলে রাবার ড্যাম পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, রাবার ড্যাম্প যেন আমাদের মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। এক বিন্দু উপকারে আসেনি কৃষকের। রাবার বসিয়ে ও আংশিক পার নির্মাণ করেই যেন ঠিকাদারের লোকজন দায়মুক্ত। এ প্রসঙ্গে রৌমারী এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুর কায়ুম জানান সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ড্যাম্পটির কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই কাজটি সম্পূর্ণ দেখানো হয়েছে। বাঁধের পার, ড্রেনেজ ব্যবস্থা কোনো কিছুই সেচ ও কৃষি বান্ধব করা হয়নি। নামেমাত্র রাবার বসিয়ে একটি পার অসম্পূর্ণ অপর পারটি দুর্বল কাজ করে। সটকে পড়ে ঠিকাদারও। রাবার ড্যাম্পটির বিষয়ে মাসিক সমন্বয় কমিটির সভায় এক সাংবাদিকের প্রশ্নে রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিপঙ্কর রায়ের মাধ্যমে এলজিইডি প্রকৌশলী আব্দুল কায়ুমের নিকট জানতে চাইলে তিনি কোনো জবাব দিতে পারেননি। যার ফলে সরকারের কৃষিবান্ধব পরিকল্পনা সফল হচ্ছে না।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীজুলাই - ১৯
ফজর৩:৫৭
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৫০
এশা৮:১২
সূর্যোদয় - ৫:২২সূর্যাস্ত - ০৬:৪৫
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৪০৫৭.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.