নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, মঙ্গলবার ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ৪ বৈশাখ ১৪২৫, ২৯ রজব ১৪৩৯
প্রসঙ্গ : স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত
আলহাজ্ব মো. রবিউল হোসেন
শিক্ষা আগে না স্বাস্থ্য আগে? এটি স্বমনের প্রশ্ন বটে; তবে অনেকেরই আবার ইনডাইরেক্ট জিজ্ঞাসাও বটে। বস্তুত কোনোটারই গুরুত্ব কম নয়। বাস্তবতা : 'স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল' প্রবাদ বাক্য। আবার একথাও সত্য 'শিক্ষা জাতির মেরুদ-'। মোট কথা কোনোটার গুরুত্ব কম নয়। তারপরও যেটি সত্য কথা সেটি হলো আগে স্বাস্থ্য; পরে শিক্ষা। জাতির জন্য এমন কি জাতির ভবিষ্যৎ এই দুটির সুদৃঢ় ভিত্তির উপর জাতীয় উন্নয়ন বা উন্নতি পরস্পর নির্ভরশীল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে একথাটি আজ পরম সত্য হয়ে দেখা দিয়েছে জাতীয় জীবনে যে, দুটি বিষয় স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা নানাভাবে আক্রান্ত, ক্ষতিগ্রস্ত এবং দুর্নীতিগ্রস্ত।

স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা দুটি পেশার সঙ্গে যারা সংশ্লিষ্ট তাদের দায়িত্বহীনতা নিয়ে জাতিকে ভাবিয়ে তুলেছে। জাতীয় জীবনে এই দুটি মহান পেশা নিয়ে যারা ছিনিমনি খেলছে তাদের উপদশ দেয়ার মতো শক্তি এ কলমের নেই। কারণ যারা সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, মাদরাসা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ) শিক্ষকতা বা বিভিন্ন পেশায় চাকরি করেন তারা তো উচ্চ ডিগ্রিধারী। কেউ বা পিএইচডি ডিগ্রিধারী, কেউবা বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ। অনুরূপ যারা ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত তারা তো দেশের মেধাবান এবং উচ্চ ডিগ্রীধারী। কেউ বা স্পেশাল দেশপ্রেমিক বলে খ্যাত। তারপরও এতোকিছু সুনাম এবং ডিগ্রি থাকার পরও তারা কেনো এতো অনিয়ম করে বা দুর্নীতিতে জড়িত হয়ে পড়েন? উত্তর দেয়া কঠিন। কারণ কার উত্তর কে দেবেন? তবে দুর্নীতি বা অনিয়মের ধরন বলা সহজ। দুর্নীতির ধরন অহরহ যা দেখি, শুনি এবং মিডিয়ার খবরে পড়ি সেগুলো নিম্নের বর্ণনার পর্যায়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য : সরকারি চাকরিরত ডিগ্রিধারী অধিকাংশ ডাক্তারগণ ব্যবসায়িক মন নিয়ে সরকারি দায়িত্ব পালন করেন। অর্থাৎ চাকরিতে সেবার মনোভাব অনেকেরই নেই বললে চলে। সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব পালনটা দায়সারা অথচ নিজের ক্লিনিক ব্যবসায় শ্রম দেন বেশি। সেখানেও একটি রোগীর জন্য ৩/৪ মিনিট ব্যয় করেন মাত্র...।

সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গেলে বহু ডাক্তার আছেন যারা কোনো কোনো ক্ষেত্রে রোগীর প্রতি কটাক্ষ বা ব্যঙ্গ ব্যবহার করে থাকেন! বহু রোগী এমন কথাও বলে থাকেন, সে ব্যবহার বড়ই মর্মান্তিক! অর্থাৎ ডাক্তার মহাশয়ের ব্যঙ্গের মনোভাবটা এমন, ক্লিনিকে না যেয়ে সরকারি হাসপাতালে কেনো?

ইউনিয়নভিত্তিক নিয়োগপ্রাপ্ত ডাক্তারগণ (ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্)ে সঠিক নিয়মে পেশায় শ্রম দিতে চান না। থাকেন দূরে, নিয়ম, নীতি অমান্য করে চলেন অধিকাংশ ডাক্তারগণ। হাসপাতালের খাদ্য সরবরাহে অনিয়ম, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা, সেবার মান নিয়ে মিডিয়ার খবর থাকে রমরমা।

সরকারি ওষুধ অনিয়মে বিক্রির দুর্নামও শোনা যায়। রোগীর প্রতি অধিকাংশ ডাক্তারদের ভালো ব্যবহারের পরিবর্তে খারাপ ব্যবহারের কথাও শোনা যায়।

১ এপ্রিল ২০১৮ প্রথম আলো পৃষ্ঠা ৭ এক খবর শিরোনামে উল্লেখ করা হয়েছে 'ছানির চিকিৎসা নিতে গিয়ে চোখ হারিয়েছেন ২০ জন'।

চুয়াডাঙ্গার ইম্প্যাক্ট হাসপাতালে অস্ত্রোপচারের পর সংক্রমণ ঘটে। পরে সবার চোখই তুলে ফেলতে হয়েছে। অনেকে চিরতরে অন্ধ হয়ে গেছে। ঘটনা জানতে তিন সদস্যের তদন্ত টিম গঠিত হয়েছে। শুধু এ ঘটনাই নয় সম্প্রতি গণমাধ্যমের অপর এক খবরে জানতে পারলাম জনৈক এক প্রসূতির অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান প্রসব করার মুহূর্তেই স্বাভাবিকভাবে অপারেশন ছাড়াই সন্তান প্রসাব করে ফেলেছে। অর্থাৎ আজকালকার ডাক্তারগণ অর্থের লোভে স্বাভাবিক প্রসাবের চেষ্টা না করে প্রসূতি বা রোগী পেলেই অপারেশন করতে চান। রোগীর অভিভাবক গরিব হলে রোগী আটকে রেখে টাকা আদায় করবার নির্মম কাহিনীর খবরও দেখতে ও শুনতে পাই গণমাধ্যমে। এছাড়াও আছে বহু বোকাস ডাইগোনেস্টিক সেন্টার। কত যে বিচিত্র খবর এই স্বাস্থ্য খাতে সেকথা বলে বা লিখে শেষ করাই মুশকিল।

শুধু অপেক্ষা করে এতোটুকুই বলি; বড়ই ঝুঁকি ও বিপদে আছে জাতি!

শিক্ষা : প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে দেশব্যাপী মহা তোলপাড়। এতো এক জাতীয় কলঙ্ক এখন। এছাড়াও শ্রেণিকক্ষে পাঠদানে অনীহা কোচিং ব্যবসায় মশগুল এক শ্রেণির শিক্ষকদের নিয়ে জাতি এখন মহা বিপাকে।

বেসরকারি স্কুল-কলেজে দুর্বল শিক্ষক নিয়োগ, চারিত্রিক দুর্বলতা, ছাত্রী শিক্ষক প্রেমপ্রীতি, অনৈতিক কার্যকলাপ, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ব্যাপী এই সংক্রামক ব্যাধি জাতীয় চরিত্রেও আঘাত হেনেছে।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অধিকাংশ শিক্ষক, শিক্ষিকা প্রশিক্ষণের নিয়ম শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকালে বা প্রশাসনে অনুস্মরণ না করায় শিক্ষার মান উন্নয়ন যেমনটি হওয়ার কথা তেমনটি হচ্ছে না।

প্রাইভেটধারী শিক্ষকগণ, প্রশ্নফাঁস, টেস্ট পরীক্ষার খাতায় বেশি নম্বর প্রদানসহ নানা অনিয়মের অবলম্বন পূর্বক দুর্বল শিক্ষার্থীদের পাসের ক্ষেত্রে উৎসাহ যোগাতে দেখা যায় এবং লোক মুখেও এমন অনিয়মের কথা শোনা যায়।

আজকাল বহু শিক্ষক ডাইরেক্ট রাজনীতি করায়, কেউবা (বেসরকারি স্কুল, কলেজ) ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় শিক্ষকতা পেশায় দায়সারা কাজ করে রাজনৈতিক কর্মকা-েই সময় দেন বেশি। প্রতিষ্ঠান প্রধান ও তাদের সম্পর্কে কোনো নিয়মনীতির কথা বলতেও ভয় পান।

বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অর্থ ললুপতা, শিক্ষার মান সাধারণ শিক্ষকদের অপেক্ষা দুর্বল থাকায়, সহকারী শিক্ষক, লেকচারার প্রভাষকগণ প্রধানদের পেয়ে বসেন। ফলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের দুর্বলতার সুযোগে গোটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি সুনাম অর্জনের পরিবর্তে দুর্নমারেই শিকার হয়। অনিবার্য কারণে এমন ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কুল বা কলেজের রেজাল্ট ভালো হয় না এমনকি ফল বিপর্যয়ও ঘটে। এখন তো গণমাধ্যমে দেখতে বা শুনতে পাই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির নানা কথা। যে শিক্ষাকে জাতির মেরুদ- বলা হয় সেই শিক্ষা খাত বা শিক্ষাক্ষেত্রে যে কত অনিয়ম সে কথা বলে বা লিখে শেষ করাও মুশকিল।

শিক্ষার প্রশাসনিক বিভাগেও ঘুষ অনিয়ম বা দুর্নীতির খবরও তো আকাশচুম্বি। যে কারণে মাঝে মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কেও যেমন কথা শুনতে হয় তেমনি মাঝে মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবির কথাও শুনতে পাই, গণমাধ্যমের খবরে। এ কী বিপর্যয় জাতীয় জীবনে?

তবে স্থানীয় পর্যায় শার্শা উপজেলার ১/২টি এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ২ এপ্রিল ২০১৮ ঘুরে দেখতে পেলাম (ডা. আফিল উদ্দিন অনার্সসহ ডিগ্রি কলেজ, বাগআঁচড়া সম্মিলিত কলেজিয়েট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়) কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকলেই সতর্ক। আইন মেনে কাজ করতেও সচেষ্ট।

পরীক্ষা শুরুর পূর্বাহ্নে (৩০ মিনিট পূর্বে) যথা সময়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতেও দেখা গেলো পরীক্ষার্থীদের। এবার কুরুজবাগান মাদরাসা কেন্দ্রে যথা সময়ে উপস্থিত হয়ে শার্শা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার ম-ল পরীক্ষার্থী, দায়িত্বরত শিক্ষক, কক্ষ্য পরিদর্শক সবাইকে যে কথাটি স্মরণ করিয়ে দেন সেই কথা ছিল কক্ষপরিদর্শক বা কোনো শিক্ষক দুর্নীতি করলে (নকলের সাহায্য করলে) সেই শিক্ষকের চাকরি যাবে। পরীক্ষার্থী নকল করলে বহিষ্কার হবে। সংবাদটি জানালেন, বাগআঁচড়া সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. ফসিয়ার রহমান।

মিডিয়ার খবরেও জানতে পারলাম নকলমুক্ত বিশেষ করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের জাতীয় কলঙ্ক রুখতে এবছর (২০১৮) শিক্ষা মন্ত্রণালয়, পুলিশ প্রশাসন, র‌্যাব, শিক্ষা প্রশাসন সবাই একযোগে সতর্কতার সঙ্গে নজর রেখে কাজ করেছেন। যে কারণে এবার দেশের কোথাও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেনি।

অর্থাৎ সতর্কতা, দায়িত্বশীলতা, সততার সঙ্গে কাজ করতে পারলেই তো জাতীয় কলঙ্ক ঘুচে যায়। এখন অপেক্ষায় থাকি সে দর্শনটিতে 'যার শেষ ভালো তার সব ভালো'।

পাদটিকা : বাস্তবতার নিরীক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ যথার্থই বলেছেন, চিকিৎকরা জাতির মূল্যবান সম্পদ। চিকিৎসক গড়ে তোলার জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রভূত অবদান রয়েছে। রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি চিকিৎসকদের দায়বদ্ধতা সাধারণ মানুষের চেয়ে অনেক বেশি।

গত ৩১ মার্চ ২০১৮ এসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ানস অব বাংলাদেশ (এপিবি) ২৯তম বার্ষিক সম্মেলন ও আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি একথা বলেন, তিনি আরো বলেন, রোগীরা হাসপাতালের অতিথি। তারা যেন হাসপাতালে কষ্ট না পায়, সেবার অভাবে হতাশ না হয়ে পড়ে, সে ব্যাপারে চিকিৎসকদের বিশেষ নজর দিতে হবে। অনেক সময় ভুল চিকিৎসা ও হয়রানির অভিযোগ ওঠে। অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার কথা শোনা যায়। _১ এপ্রিল প্রথম আলো।

অপরপক্ষে জাতীয় অধ্যাপক, চিকিৎসা বিজ্ঞানী মোহাম্মদ ইব্রাহীম গরিব প্রতিবেশীদের বিনা পারিশ্রমিকে চিকিৎসা করতেন। প্রয়োজনে নিজের পকেট থেকে ভিজিট দিয়ে অন্য ডাক্তারদের পরামর্শ নিতেন। তিনি বলতেন, মানুষের সেবা করার মধ্যে দুটি আনন্দ পাওয়া যায়। প্রথমত, পরকালে এগুলোর প্রতিফল পাওয়া যাবে_ আল্লাহর এ ওয়াদায় গভীরভাবে বিশ্বাস করলে আত্মিক প্রশান্তি অনুভব করা যায়। দ্বিতীয়ত, মানসিক তৃপ্তি। তার মতে, একজন রোগগ্রস্ত মানুষকে সেবা শুশ্রূষা করে সুস্থ করতে পারলে যে আত্মতৃপ্তি পাওয়া যায় তার কাছে টাকা পয়সা তুচ্ছ।

জাতীয় অধ্যাপক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানী মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাংলার ডায়াবেটিক সমিতি এবং তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান বারডেম হাসপাতাল এখন শুধু দক্ষিণপূর্ব এশিয়ারই একটি মডেল হিসেবে নয় সমগ্র বিশ্বের এক অনন্য সাধারণ প্রয়াস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

এতো একজন আদর্শ দেশপ্রেমিক চিকিৎসা বিজ্ঞানীর কর্মফল। সুতরাং আমরাও পারি নাকি শিক্ষা ক্ষেত্রে, কি স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে, কি কৃষিক্ষেত্রে, কি জনপ্রশাসনে চিকিৎসা বিজ্ঞানী অধ্যাপক মোহাম্মদ ইব্রাহিমের নৈতিক আদর্শ অনুসরণ করে সমাজ ও দেশসেবায় নিজেদের অবদান রাখতে? আর পারলেই তো আমরা হতে পারি সারা দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ বাঙালি।

আলহাজ্ব মো. রবিউল হোসেন : সাংবাদিক ও কলামিস্ট

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীএপ্রিল - ২০
ফজর৪:১৪
যোহর১১:৫৮
আসর৪:৩১
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪১
সূর্যোদয় - ৫:৩৩সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫০৪.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.