নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, বুধবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ৯ ফাল্গুন ১৪২৪, ৪ জমাদিউস সানি ১৪৩৯
রৌমারীতে ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন কৃষকরা
রৌমারী (কুড়িগ্রাম) থেকে সাখাওয়াত হোসেন সাখা
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। শীত উপেক্ষা করে এখন দিন-রাত জমিতে সেচ দেয়া, জমিতে চাষ দেয়া, বীজতলা থেকে চারা তোলাসহ বোরো ধান চাষের নানা কাজে এখন দারুণ ব্যস্ত তারা। মাঠে ব্যস্ততা দেখে ও তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বোরো মৌসুমে চাষাবাদ করে বাম্পার ফলনের মধ্য দিয়ে তারা বিগত সময়ের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান। এদিকে কয়েক বছর ধরে ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় অনেক কৃষক অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন বলেও সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে। রৌমারী উপজেলার দাঁতভাঙ্গা গ্রামের আজিবুর, বোয়ালমারী গ্রামের আফাছ উদ্দিনসহ অনেক চাষি জানান, গত ২ বছর যাবত ধানের মূল্য না পাওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে ভুট্টা, শাক-সবজিসহ অন্যান্য ফসল চাষের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন।

কৃষকরা আরও জানিয়েছেন, গত বছর রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ও শৈত্যপ্রবাহের কারণে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় তাদের চড়া দামে চারা কিনতে হয়েছিল। তবে বর্তমানে চারা থেকে শুরু করে ডিজেল ও সারের সঙ্কট না থাকায় বিভিন্ন মাঠে বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ অনেকে ইতোমধ্যেই শেষ করে ফেলেছেন আবার কেউ কেউ শুরু করছেন । উপজেলার চর শৌলামারী ইউনিয়নের কাজাইকাটা গ্রামের আফছার আলী, রহমান, রফিকুল নামের কৃষকরা এমন মন্তব্য করে জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর অনেক কৃষক তাদের লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেও চারা বিক্রয় করতে পারবেন। এ বছর বোরো ধান চাষে খরচ অন্যান্য বছরের চেয়ে কিছুটা কম বলে খানিকটা উজ্জীবিত কৃষকদের আশঙ্কা শুধু ধান-চালের ন্যায্য মূল্য নিয়ে।

একই দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের দাঁতভাঙ্গা গ্রামের সাইজউদ্দিন জানান, তিনি ৯ বিঘা জমিতে বোরো ধান রোপণ করবেন বলে সব প্রস্ততিও প্রায় সম্পন্ন করেছেন। এরই মধ্যে প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ধানের চারা বাবদ ৫শ টাকা, জমি চাষ করা বাবদ ৮শ টাকা, দিনমজুর বাবদ ১ হাজার টাকা, সার কেনা বাবদ ১ হাজার ৩শ টাকা। এছাড়া ৩ মাস পানি সেচ বাবদ ২ হাজার টাকা, নিড়ানী ও কীটনাশকসহ নানা ওষুধ বাবদ আরও প্রায় ১ হাজার টাকাসহ ধান কাটা-মাড়াইসহ আরও প্রয়োজন ২ হাজার টাকা। এ নিয়ে প্রতি বিঘা জমিতে চাষাবাদ বাবদ সর্বমোট খরচ হবে ৮ হাজার থেকে ৯ হাজার টাকা।

ফলন ভালো হওয়াসহ দাম ভালো পাওয়া গেলে এই খরচ আর পরিশ্রম দুই সার্থক হবে। কৃষক মুকুল মিয়ার মত একই কথা বলেন উপজেলার অন্যান্য কৃষকরাও। ফসলি জমির পরিমাণ পরিসংখ্যানের জরিপ অনুযায়ী ১৯ হাজার হেক্টর। যেমন গোয়ালের গরু খাতায় আছে গোয়ালে নেই। প্রায় ৪ যুগ ধরে নদী ভাঙ্গনে ফসলী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যার পরিমাণ বর্তমান ১২ হাজার হেক্টর। এ উপজেলা নদ-নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত চরাঞ্চলীয় উপজেলা। তাই স্বল্প পরিমাণ জমি উচ্চ ফলনশীল জাতের ইড়ি-বোরো চাষে নিজেদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে ব্যাস্ত কৃষকরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রৌমারীতে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ করা হচ্ছে। রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুলাহ আল মামুন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে লক্ষ্ মাত্রা অর্জিত হওয়ার সম্ভাবনার পাশাপাশি তাদের উৎপাদিত ধান-চালের ন্যায্য মূল্য প্রাপ্তির ক্ষেত্রে সরকারের।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীসেপ্টেম্বর - ২৪
ফজর৪:৩২
যোহর১১:৫১
আসর৪:১২
মাগরিব৫:৫৬
এশা৭:০৯
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৫:৫১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৮৬.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.