নিবন্ধিত হোন |
ইউজার সাইনইন
ই-মেইলঃ
পাসওয়ার্ডঃ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
ই-মেইলঃ 
বন্ধ করুন (X)
ঢাকা, শনিবার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, ৬ ফাল্গুন ১৪২৩, ২০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮
শার্শা উপজেলার ৯৩ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নেই শহীদ মিনার
বেনাপোল প্রতিনিধি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে যশোরের শার্শা উপজেলায় ৯৩ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো শহীদ মিনার নেই। অথচ সরকারিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনব করার নির্দেশ থাকলেও অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারছে না শিক্ষার্থীরা।

১৯৯৯ সালে শহীদ দিবস ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকেই প্রতিবছর সারাবিশ্বে দিবসটি পালিত হয়। তবে শার্শায় মাতৃভাষা দিবসটি পালিত হয় দায়সারা ভাবে। কলেজ, হাইস্কুল, মাদরাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে দিবসটি পালিত হয় দোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। তৃণমূল পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার গড়ে না উঠায় গুরুত্ব হারাচ্ছে দিবসটি। শিক্ষার্থীরা বঞ্চিত হচ্ছে ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে। ফলে নানা ক্ষোভ বিরাজ করছে ভাষাপ্রেমী মানুষের মধ্যে।

বেনাপোলের গাতিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ইজ্জত আলী বলেন, ১৯৫২ সালে মাতৃভাষার জন্য যারা শহীদ হয়েছিল তাদের স্মরণে আজও শার্শা উপজেলায় ৯৩ শতাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো শহীদ মিনার গড়ে না উঠায় শিক্ষার্থীরা ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা ও স্মরণ করতে পারে না।

বেনাপোলের সিনিয়র মাদরাসার সুপার মো. ইলিয়াস হুসাইন বলেন, ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারি। ভাষার জন্যে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণ করতে পারেন না অনেকে। মাদরাসাগুলোতে গড়ে ওঠেনি কোনো শহীদ মিনার। এ ব্যাপারে সরকারের কাছে সহযোগিতা কামনা করছি।

শার্শা উপজেলায় রয়েছে প্রায় ৩শ' শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ১২৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শহীদ মিনার আছে ১৪টিতে। ৩৪টি হাইস্কুল ও ১২টি কলেজের মধ্যে ২২টিতে শহীদ মিনার আছে। ৩৩টি মাদরাসার একটিতেও কোনো শহীদ মিনার নেই। তবে বেনাপোল, শার্শা, নাভারন ও বাগআঁচড়া হাইস্কুলের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান কয়েকটি মাদরাসার শিক্ষার্থীরা। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনসহ কোনো ব্যক্তি উদ্যোগে গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ না হওয়ায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে পারেন না শিক্ষার্থীরাসহ এলাকার মানুষ।

শহীদ মিনার নির্মাণসহ ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর আহ্বান জানিয়ে বেনাপোল ও শার্শার বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা জানায়, সব প্রতিষ্ঠানে যদি শহীদ মিনার থাকতো তাহলে ভাষার গুরুত্ব ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা, দোয়া, আলোচনা সভা ছড়িয়ে পড়তো সবার মাঝে।

শার্শা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ১২৬টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১১২টিতে কোনো শহীদ মিনার নেই। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ দরকার। শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, উপজেলার ১২টি কলেজ ও ৩৪টি হাইস্কুল, ৩৩টি মাদরাাসা এবং অসংখ্য কিন্ডার গার্টেনের মধ্যে মাত্র ২২টিতে শহীদ মিনার আছে। কিন্তু কোনো মাদরাসা ও কিন্ডার গার্টেনে শহীদ মিনার গড়ে ওঠেনি। তৃণমূল পর্যায়ে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবসের গুরুত্ব ছড়িয়ে দিতে বা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সব প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করা প্রয়োজন।

তবে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শার্শা ও বেনাপোলের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নির্মাণ করার দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সর্বস্তরের মানুষের।

এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আনার মতামত দিন।
মতামত দিতে চাইলে অনুগ্রহ করে করুন।
আপনার কোন একাউন্ট না থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করুন।
এই পাতার আরো খবর -
সর্বাধিক পঠিত
ফটো গ্যালারি
আজকের পত্রিকা
আজকের নামাজের সময়সূচীমার্চ - ২৭
ফজর৪:৪০
যোহর১২:০৫
আসর৪:২৯
মাগরিব৬:১৬
এশা৭:২৮
সূর্যোদয় - ৫:৫৬সূর্যাস্ত - ০৬:১১
পুরোন সংখ্যা
বছর : মাস :
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৩১৫.০
সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতিঃ সৈয়দ এম. আলতাফ হোসাইন। সম্পাদক : আহ্সান উল্লাহ্। উপদেষ্টা সম্পাদক : মোঃ শাহাবুদ্দিন শিকদার। প্রকাশক ছৈয়দ আন্ওয়ার কর্তৃক রোমাক্স লিমিটেড, তেজগাঁও শিল্প এলাকা থেকে মুদ্রিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : খলিল ম্যানশন (৩য়, ৫ম ও ৬ষ্ঠ তলা), ১৪৯/এ, ডিআইটি এক্সটেনশন এভিনিউ, ঢাকা-১০০০ থেকে প্রকাশিত। ফোন : ৯৩৫৭৭৩০ (বার্তা), ৮৩১৫৬৪৯ (বাণিজ্যিক), ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪.
ই-মেইলঃ djanata@dhaka.net
ফোনঃ ০২৮৩১৫১১৫, ০২৮৩১৫৬৪৯ ফ্যাক্সঃ ৮৮-০২-৮৩১৪১৭৪
Copyright The Dainik Janata © 2010 Developed By : orangebd.com.